/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/10/police-2026-01-10-14-50-00.jpg)
Samserganj murder case: সামশেরগঞ্জ খুনে জালে অভিযুক্ত।
সামশেরগঞ্জে মহিলা খুনের ঘটনায় অবশেষে পুলিশের জালে ধরা পড়ল অভিযুক্ত ইদ্রিস আলী ওরফে মিঠুন (৪২)। শুক্রবার সন্ধ্যায় গোপন সূত্রে পাওয়া খবরের ভিত্তিতে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ধৃত ইদ্রিস আলীর বাড়ি সামশেরগঞ্জ থানার তারাপুর ১ নম্বর কলোনিতে হলেও, বিয়ের পর প্রায় দশ বছর ধরে তিনি সাগরদিঘী থানার অন্তর্গত চাঁদপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়িতে বসবাস করছিলেন। পেশায় তিনি ভিনরাজ্যের শ্রমিক বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।
পুলিশ জানায়, সামশেরগঞ্জে ঘটে যাওয়া ওই মর্মান্তিক খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে প্রথম থেকেই সন্দেহের তালিকায় উঠে আসে ইদ্রিস আলীর নাম। ঘটনার পর থেকেই তিনি এলাকা ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান বলে অভিযোগ। দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর অবশেষে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে নির্দিষ্ট তথ্য পায় পুলিশ। সেই খবরের ভিত্তিতেই শুক্রবার সন্ধ্যায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আরও পড়ুন- Champahati explosion: বছরের শুরুতেই কেঁপে উঠল চম্পাহাটি! বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ
গ্রেপ্তারের পর ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জেরায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তবে খুনের নেপথ্যে প্রকৃত কারণ কী এবং এর সঙ্গে আর কেউ যুক্ত আছে কিনা, তা জানতেই শনিবার ধৃতকে জঙ্গিপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। পুলিশ ধৃতের ১০ দিনের হেফাজতের আবেদন জানিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সামশেরগঞ্জ থানার পক্ষ থেকে জিজ্ঞাসাবাদ আরও জোরদার করা হয়েছে।
আরও পড়ুন-Uttarpara rape case : হিন্দমোটর কারখানায় নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের জালে তৃণমূলের যুব নেতা
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে সামশেরগঞ্জের তারাপুর হাসপাতালের পিছনের একটি বাগান থেকে এক মহিলার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই স্থানেই পড়ে থাকতে দেখা যায় তিন বছরের এক শিশুর ক্ষতবিক্ষত দেহ। গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসার মাধ্যমে তাকে কোনোরকমে রক্ষা করা সম্ভব হয়। তবে মহিলার মৃত্যুকে ঘিরে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন-West Bengal news live Updates: মমতাকে আইনি নোটিস শুভেন্দুর! ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটামে তোলপাড় রাজনীতি
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান ফরাক্কার এসডিপিও শেখ সামসুদ্দিন, সামশেরগঞ্জ থানার আইসি সুব্রত ঘোষ-সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা। শুরু হয় তদন্ত। দীর্ঘ সময় ধরে মৃত মহিলার পরিচয় পাওয়া না গেলেও প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর তাঁর পরিচয় নিশ্চিত করে পুলিশ। এরপর অভিযোগ দায়ের হয় এবং তদন্তে নেমে মাত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। তদন্ত এখনও চলছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us