/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/20/hadi-2025-12-20-08-06-49.jpg)
Dhaka live news: হাদির মৃত্যুতে উত্তাল বাংলাদেশ
Bangladesh Crisis: শরীফ ওসমান হাদীর মৃত্যুর পর বাংলাদেশজুড়ে বিক্ষোভ আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। ইনকিলাব মঞ্চের নেতৃত্বে ন্যায়বিচারের দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন বিক্ষোভকারীরা। রাজধানী ঢাকার শাহবাগ চত্বরকে কেন্দ্র করে আন্দোলন নতুন করে জোরদার হয়েছে। হাদীর হত্যাকাণ্ডের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারিও দিয়েছে সংগঠনটি।
আরও পড়ুন-Migrant worker killing: ওড়িশায় বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিক খুন, তদন্তে পড়শি রাজ্যে পুলিশ পাঠালেন মমতা
১৮ ডিসেম্বর বিশিষ্ট ছাত্রনেতা ও ইনকিলাব মঞ্চের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা শরীফ ওসমান হাদী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। তার মৃত্যুর পর থেকেই দেশজুড়ে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ ও হিংসার ঘটনাও সামনে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে ইনকিলাব মঞ্চ ফের শাহবাগের একটি অংশ অবরোধ করে রাতভর অবস্থান কর্মসূচি পালন করে এবং হাদীর হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি তোলে।
বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ইনকিলাব মঞ্চ একটি ফেসবুক পোস্টে রবিবার স্থানীয় সময় সকাল ১১টা থেকে অবরোধ শুরুর ঘোষণা করে। প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার থেকেই শাহবাগ স্কোয়ারে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, শনিবার ইনকিলাব মঞ্চের কর্মী ও সমর্থকেরা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম বিভিন্ন শহরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান। তাদের মূল দাবি ছিল শরীফ ওসমান হাদীর হত্যার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি।দ্য ডেইলি স্টারের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার নামাজের পর বিক্ষোভকারীরা শাহবাগে সমবেত হন এবং সেখানেই রাত কাটান। যান চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করে দেন।
আরও পড়ুন- বিধানসভা ভোটের আগে বড় চমক! ওয়েইসির AIMIM-এর সঙ্গে জোটের প্রস্তাব হুমায়ুন কবীরের
শাহবাগে সমবেত জনতাকে উদ্দেশ করে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আবদুল্লাহ আল জাবের সরকারকে কড়া হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, সরকার দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আন্দোলন আরও জোরদার হবে। তার বক্তব্য অনুযায়ী, প্রয়োজনে যমুনা, সংসদ ভবন এমনকি সেনানিবাস ঘেরাও করা হতে পারে। তিনি অভিযোগ করেন, একাধিক দিন ধরে অবস্থান চললেও সরকারের কোনও উপদেষ্টা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথা বলতে আসেননি, ফলে সরকারের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ক্রমশ কমছে।
এর আগে প্রথম আলো জানিয়েছিল, শরীফ ওসমান হাদীর হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের গ্রেপ্তার না করা পর্যন্ত রাস্তা না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ। পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা কিংবা সেনানিবাস ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।
দ্য ডেইলি স্টারের প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবদুল্লাহ আল জাবের সরকারের উদ্দেশে বলেন, সচিবালয় বা সেনানিবাসে বসে দেশ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। শনিবারের বিক্ষোভে নারী ও শিশুসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। আন্দোলনস্থলে ন্যায়বিচারের দাবিতে স্লোগান দেওয়া হয়।
আরও পড়ুন- জেমসের কনসার্টে মৌলবাদীদের তাণ্ডব, বানচাল হল অনুষ্ঠান, ক্ষোভে ফুঁসলেন তসলিমা
প্রথম আলোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শরীফ ওসমান হাদী জুলাইয়ের গণআন্দোলনের অন্যতম মুখ। তিনি গত বছরের আগস্টে ইনকিলাব মঞ্চ গঠন করেন এবং আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। ১২ ডিসেম্বর র নামাজের পর ঢাকায় রিকশায় যাওয়ার সময় তাকে গুলি করা হয়। পরে চিকিৎসার জন্য তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পাশে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের কাছে তাকে সমাহিত করা হয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us