/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/20/mamata-suvendu-2025-06-20-09-05-04.jpg)
Mamata Banerjee & Suvendu Adhikari: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী।
Suvendu Adhikari: পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও সভা-সমাবেশ করার অনুমতি পেতে একাধিকবার আদালতের দ্বারস্থ হতে হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি, ২০২৬) তিনি দাবি করেন, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে এখন পর্যন্ত মোট ১০৪ বার কলকাতা হাই কোর্টের কাছে যেতে হয়েছে তাকে, শুধুমাত্র সভা-সমাবেশ করার গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষার জন্য।
আরও পড়ুন- শীত হোক বা উইকেন্ড, কলকাতার কাছে 'সেরার সেরা' এই ৫ পিকনিক স্পট মিস করবেন না
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক বার্তায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, রাজ্য পুলিশ বারবার অনুমতি দিতে অস্বীকার করায় তাঁকে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার দমন করতেই ইচ্ছাকৃতভাবে এই অনুমতি প্রত্যাখ্যান করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, একাধিক ক্ষেত্রে কলকাতা হাই কোর্ট পুলিশের এই সিদ্ধান্তকে খারিজ করে সভা ও কর্মসূচির অনুমতি দিয়েছে, যা রাজ্য সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহারকে প্রকাশ্যে এনে দিয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর ভাষায়, “এটা শাসন নয়, এটা ছদ্মবেশী স্বৈরতন্ত্র।”
আরও পড়ুন- শীত হোক বা উইকেন্ড, কলকাতার কাছে 'সেরার সেরা' এই ৫ পিকনিক স্পট মিস করবেন না
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে বিরোধী দলনেতা বলেন, "২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের পরবর্তী সময় থেকে বিগত পাঁচ বছরে আমার শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি করার মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারকে কি ভাবে বাধা দেওয়ার অপচেষ্টা হয়েছে, এই তালিকাই তার প্রমান। বার বার আমাকে নিজের অধিকারের জন্য মহামান্য কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে হয়েছে যার সংখ্যাটা নেহাত কম নয়, ১০৪ বার"।
বিরোধী দলনেতা আরও বলেন, "শুধুমাত্র বিরোধী কণ্ঠস্বর কে প্রতিহত করতে এবং আমার গণতান্ত্রিক অধিকারকে বাধা দেবার জন্য, বিনা কারণে কোনোও যুক্তি ছাড়াই বারবার আমাকে রাজনৈতিক সভা বা কর্মসূচির অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছে এই স্বৈরাচারী তৃণমূল সরকার ও তার দলদাস মমতা পুলিশ প্রশাসন। আর প্রতিবারই মহামান্য কলকাতা উচ্চ আদালত এই স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে গণতন্ত্রের পক্ষে আমাকে রাজনৈতিক সভা বা কর্মসূচি করার অনুমতি দিয়েছেন। এর থেকেই প্রমাণিত যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে একনায়কতন্ত্র কায়েম করতে চেয়েছেন, বিরোধী কন্ঠ কে দমাতে চেয়েছেন।কিন্তু এতো কিছুর পরেও আমাকে থামানো যায় নি আর ভবিষ্যতেও থামানো যাবে না। পরিস্থিতি যা আমি নিশ্চিত, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মমতা পুলিশের এইরকম বেআইনি নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আমার মহামান্য আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার সংখ্যাটা ডাবল সেঞ্চুরি হয়ে যাবে। তবে আটকাতে আমাকে পারবে না...!"
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আদালতে যাওয়ার সংখ্যা ‘ডাবল সেঞ্চুরি’ ছুঁতে পারে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সভা-সমাবেশের অনুমতি না দেওয়ার প্রবণতা রাজ্যে রাজনৈতিক পরিসর সংকুচিত হওয়ার ইঙ্গিত । বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, অন্যান্য বিরোধী দলের তুলনায় বেছে বেছে বিরোধী শিবির বিজেপিকেই টার্গেট করা হচ্ছে।
রাজ্যের প্রথম মহিলা মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী, বড় পদে 'বিদায়ী' মনোজ পন্থও
পহেলগাঁও জঙ্গি হামলা থেকে আহমেদাবাদ বিমান দুর্ঘটনা, ফিরে দেখা ২০২৫-এর দেশ-বিদেশের শীর্ষ সংবাদ
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us