/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/15/bengal-sir-2025-11-15-19-27-37.jpg)
SIR-এর জের! লাটে উঠেছে পঠন-পাঠন
Bengal SIR: ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ায় শিক্ষকদের বিএলও নিয়োগের জেরে রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে লাটে উঠছে পড়াশুনা। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের হালাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চারজন শিক্ষককেই বুথ লেভেল অফিসার (BLO) হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। ফলে নিয়মিত পঠন-পাঠন কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ডিসেম্বরেই স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষা, তার আগে শিক্ষকসংকটে পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি, শিশুদের কথা ভেবে নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করুক।
আরও পড়ুন-লালকেল্লার বাইরে ভয়াবহ বিস্ফোরণে বাংলা যোগ! উত্তর দিনাজপুর থেকে গ্রেফতার ডাক্তারি পড়ুয়া
১৯৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হালাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ুয়া সংখ্যা ১১২। তিন শিক্ষক লক্ষীকান্ত মালিক, সুজিত বাগ, অভিজিৎ মিত্র এবং শিক্ষিকা সুজাতা মিশ্র মুখোপাধ্যায়। চারজনই এখন ‘এনুমারেশন ফর্ম’ বিলি ও সংশ্লিষ্ট কাজে এতটাই ব্যস্ত যে ৪ নভেম্বর থেকে তাঁরা নিয়মিত স্কুলে পাঠদান করতে পারছেন না। প্রধান শিক্ষক সুজিত বাগ জানান, SIR প্রক্রিয়া নিখুঁতভাবে সম্পন্ন করার নির্দেশ থাকায় চারজন শিক্ষকেরই স্কুলে উপস্থিত হওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। তবু স্কুলে তালা পড়া আটকাতে তাঁরা পালা করে দিনে একজন করে স্কুল সামলানোর চেষ্টা করছেন। মিড-ডে মিল ব্যবস্থাও চালু রয়েছে।
আরও পড়ুন- “বিহার কা এক হি স্টার,নিতীশ কুমার”, কোন অঙ্কে বাজিমাত “সুশাসন বাবু”র?
স্কুলে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখতে ব্লক প্রশাসন ইটলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মহম্মদ আসিফ ফিরদৌসিকে অস্থায়ীভাবে হালাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছে। তিনি বর্তমানে একাই একাধিক শ্রেণির পড়াশোনা, মিড-ডে মিল সহ সব দায়িত্ব পালন করছেন। আসিফ বলেন, “একাই গোটা স্কুল চালানো অত্যন্ত কঠিন। তবুও বাচ্চাদের কথা ভেবেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।”
আরও পড়ুন- Srinagar blast: আবারও রক্তাক্ত ভূস্বর্গ! শ্রীনগরের নওগাম থানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ৯, আহত ২৯
সমস্যায় ক্ষুব্ধ অভিভাবকরা। পড়ুয়ার মা দেবিকা পোড়েল বলেন, “ডিসেম্বরে পরীক্ষা। অথচ চার শিক্ষকই ভোটার তালিকার কাজে ব্যস্ত। একজন শিক্ষক কীভাবে শতাধিক ছাত্রের স্কুল চালাবেন?” শিশুদের মধ্যেও অনীহা ও মনোবেদনার সৃষ্টি হয়েছে, তারা দ্রুত তাদের প্রিয় শিক্ষকদের ফিরে পেতে চাইছে। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান মধুসূদন ভট্টাচার্য বলেন, “নির্বাচন কমিশন যদি রাজ্য সরকার ও শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিত, তবে এমন সংকট তৈরি হত না। এতে স্কুলও অচল হচ্ছে, আবার SIR-এর কাজও জটিল হয়ে পড়ছে।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us