/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/28/blo-death-2025-11-28-12-25-05.jpg)
BLO death: মৃত বিএলও-র বাড়িতে প্রতিবেশীদের ভিড়।
এসআইআর ফর্ম আপলোডের অতিরিক্ত চাপ ফের কেড়ে নিল এক বিএলও-র প্রাণ। মৃতের নাম জাকির হোসেন। তিনি মুর্শিদাবাদের খড়গ্রামের ঝিল্লি গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪ নম্বর বুথের বিএলও ও পেশায় শিক্ষক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সন্ধ্যেবেলা বাড়িতে এসআইআর ফর্ম আপলোড করার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন জাকির হোসেন। দ্রুত তাঁকে রামপুরহাট হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান। ঘটনার জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ, এসআইআর–এর কাজে অতিরিক্ত চাপ ও মানসিক দুশ্চিন্তায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন জাকির। তাঁর ছেলে বলেন, “ফর্ম আপলোড সঠিকভাবে না হওয়ায় বাবা প্রবল মানসিক চাপে ছিলেন। সেই কারণেই অসুস্থ হয়ে পড়েন।”
এদিকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারের মগরাহাটে আরও এক বিএলও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। অসুস্থ বাসুদেব প্রামাণিক, মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার ২১১ নম্বর বুথের বিএলও।
সূত্রের খবর, তিনি ফর্ম জমা দিলেও ডিজিটাল সাইন আপলোড করতে গিয়ে প্রবল আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েন। বুক ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাঁকে ডায়মন্ড হারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তাঁর চিকিৎসা চলছে।
এদিকে, অসুস্থ বাসুদেবের স্ত্রী বলেন, “এক মাস ধরে বাড়ি-বাড়ি ঘুরে এসআইআর-এর কাজ করতে গিয়ে চরম টেনশনে ছিলেন উনি। সময়মতো কাজ শেষ করতে পারবেন না ভেবেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন।” এসআইআর-এর কাজের চাপে পরপর অসুস্থতা ও মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্যের প্রশাসনিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের অভিযোগ, “নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত কম সময়ে বিপুল কাজের চাপ দিচ্ছে। তাই একের পর এক বিএলও অসুস্থ হচ্ছেন, মৃত্যুও ঘটছে।” অন্যদিকে বিজেপির দাবি, বিএলওদের অসুস্থতা ও মৃত্যুর পেছনে অন্য কোনও কারণ আছে কিনা তা তদন্ত করা উচিত।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us