/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/10/lgbt-2025-11-10-14-00-06.jpg)
LGBTQ rights: নববিবাহিত দুই তরুণীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বিশেষ অনুষ্ঠান।
LGBTQ rights: দক্ষিণ ২৪ পরগনার মন্দিরবাজার ও বকুলতলা— এই দুই প্রান্তের দুই তরুণী, রিয়া সরদার ও রাখি নস্কর, ভেঙে দিলেন সমাজের কুসংস্কার ও সংকীর্ণতার দেওয়াল। পরস্পরের প্রতি ভালোবাসাকে স্বীকৃতি দিয়ে তাঁরা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। সুন্দরবনের মাটিতে তাঁদের এই সাহসী পদক্ষেপ আজ সমগ্র বাংলার গর্বের প্রতীক হয়ে উঠেছে। দুই তরুণীর এমন সিদ্ধান্তকে সাধুবাদ জানিয়েছেন সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।
সামাজিক বেড়াজাল, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বাধাকে উপেক্ষা করে তাঁরা একে অপরের হাত ধরেছেন জীবনের নতুন পথে। তাঁদের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “স্বাধীন ভারতের স্বাধীন মানসিকতা, মানবিকতা, মুক্ত চিন্তা ও সাহসিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন রিয়া ও রাখি। বাংলাই আগামীকে পথ দেখায়।”
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয়েছে, “তাঁদের এই পবিত্র ভালোবাসা চিরঅক্ষয় থাকুক। সমাজের সংকীর্ণতা ভেঙে আমাদের রাজ্য যেন আরও মানবিক ও উদার হয়ে ওঠে। আমি এই নবদম্পতিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাই।”
সোমবার কুলতলী গ্রামে আয়োজিত এক সংবর্ধনা সভায় উপস্থিত ছিলেন কুলতলির বিধায়ক গণেশ চন্দ্র মণ্ডল এবং মথুরাপুরের সাংসদ বাপি হালদার। নবদম্পতিকে ফুল ও উপহার দিয়ে অভিনন্দিত করেন তাঁরা। এলাকাবাসীরও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায় এই সাহসী পদক্ষেপে।
আরও পড়ুন-SIR: এক ভোটের জন্য কত ঝক্কি! এসআইআর ঘিরে দেশজুড়ে উদ্বেগে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকরা
গ্রামবাংলার মানুষ এখন এই দু’জন তরুণীকে সমাজ পরিবর্তনের প্রতীক হিসেবে দেখছেন। তাঁদের গল্প প্রমাণ করে দিয়েছে, ভালোবাসা কোনও সীমা, ধর্ম, লিঙ্গ বা সামাজিক বিধি মানে না। সুন্দরবনের এই দুই নারী নতুন প্রজন্মের কাছে এক অনুপ্রেরণা— ভালোবাসা ও সাহসিকতার এক অবিনাশী প্রতীক।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us