/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/20/supreme-court-judicial-intervention-west-bengal-sir-blame-game-2026-02-20-15-32-19.jpg)
SIR নিয়ে অবশেষে বিরাট নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, নথি নিয়ে কাটল বিভ্রান্তি
পশ্চিমবঙ্গের চলমান ভোটার তালিকায় বিশেষ সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সর্বোচ্চ আদালত। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, মাধ্যমিক (দশম শ্রেণি) পরীক্ষার প্রবেশপত্র এককভাবে পরিচয়পত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, তবে পাসের শংসাপত্রসহ অ্যাডমিট কার্ড সহায়ক নথি হিসেবে জমা দেওয়া যেতে পারে।
বুধবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে এই বিষয়ে শুনানি হয়। বেঞ্চে ছিলেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী ও বিচারপতি বিপুল এম পঞ্চোলি। সিনিয়র আইনজীবী ডি এস নাইডু বিষয়টি উত্থাপন করে জানতে চান, অ্যাডমিট কার্ড কি একক পরিচয়পত্র হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে? তার জবাবে আদালত জানায়, আগের নির্দেশেই বলা হয়েছে অ্যাডমিট কার্ড কেবল সহায়ক নথি হিসেবে বিবেচিত হবে।
আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছে, গত ২৪ ফেব্রুয়ারির আদেশের অনুচ্ছেদ ৩(৩)-এ উল্লিখিত যে সমস্ত নথি এখনও আপলোড করা হয়নি এবং ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে জমা পড়েছে, সেগুলি আগামীকাল বিকেল পাঁচটার মধ্যে নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক ও সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের মাধ্যমে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের কাছে পেশ করতে হবে। পাশাপাশি স্পষ্ট করা হয়েছে, জন্মতারিখ ও পিতামাতার পরিচয় সংক্রান্ত প্রমাণ হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিড কার্ড পাসের শংসাপত্রসহ জমা দেওয়া যাবে।
এর আগেই সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দিয়েছিল, চলমান বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ায় প্রায় আশি লক্ষ দাবি ও আপত্তি নিষ্পত্তির জন্য পশ্চিমবঙ্গের ২৫০ জন জেলা বিচারকের পাশাপাশি দেওয়ানি বিচারকদেরও নিয়োগ করা যেতে পারে। প্রয়োজনে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা থেকেও সমপদমর্যাদার বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের আনা যেতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত পর্যবেক্ষণে বলেন, প্রত্যেক বিচার বিভাগীয় আধিকারিক যদি প্রতিদিন ২৫০টি করে দাবি ও আপত্তির নিষ্পত্তি করেন, তাহলেও পুরো প্রক্রিয়া শেষ করতে প্রায় ৮০ দিন সময় লাগবে। যদিও বিশেষ নিবিড় পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়ার শেষ সময়সীমা নির্ধারিত হয়েছে ২৮ ফেব্রুয়ারি।
এই পরিস্থিতিতে কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ন্যূনতম তিন বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বিচার বিভাগীয় আধিকারিকদের এই কাজে লাগানো যেতে পারে। পাশাপাশি প্রয়োজনে ঝাড়খণ্ড ও ওড়িশা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিদের কাছে সমপদমর্যাদার বিচার বিভাগীয় আধিকারিক চেয়ে নেওয়ার আবেদন জানাতেও বলা হয়েছে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us