/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/21/suvendu-2025-11-21-13-02-16.jpg)
Suvendu Adhikari: সাংবাদিকদের মুখোমুখি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা প্রস্তুতিকে ঘিরে আবারও 'বিস্ফোরক' অভিযোগ তুললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার শিলিগুড়িতে এক অনুষ্ঠানে তিনি দাবি করেন, ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়াকে রাজ্য প্রশাসনের ভিতর থেকেই প্রভাবিত করা হচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, “নির্বাচন কমিশন রাজ্য প্রশাসনের উপর নির্ভরশীল। কিন্তু এই প্রশাসনই ভুয়ো কারবারে লিপ্ত। ভোটার তালিকার ভিত্তিটাই নষ্ট করে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।”
“মেনে নেবেন না” থেকে “মেনে নিলেন”, মমতার ওয়াকফ আইনে দ্বিমত নিয়ে কটাক্ষ অধীরের
তিনি অভিযোগ করে, এটি কোনও একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত অনিয়ম। তাঁর দাবি, রাজ্য প্রশাসনের তরফে সংগঠিত ভাবে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের’ নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, রাজ্যের শীর্ষ কর্তারাই বিভিন্ন জেলা ও মহকুমার নির্বাচন আধিকারিকদের ফোন করে মৃত ভোটার, ডবল এন্ট্রি, ভুয়ো ভোটারসহ সন্দেহভাজন নামগুলি তালিকায় রাখতে নির্দেশ দিচ্ছেন"।
তিনি প্রশ্ন তোলেন, এত গুরুতর অভিযোগের পরও নির্বাচন কমিশন দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন। যদিও কমিশন বিশেষ রোল অবজারভার হিসেবে অবসরপ্রাপ্ত আইএএস সুব্রত গুপ্তকে নিয়োগ করেছে এবং রাজ্যজুড়ে ১২ জন আইএএস আধিকারিককে ইলেক্টোরাল রোল অবজারভার হিসেবে মোতায়েন করেছে। শুভেন্দুর দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় কোনও রকম কারচুপি আটকাতে বিজেপি সর্বাধিক বুথ-স্তরের এজেন্ট মোতায়েন করেছে।
বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের! রাজভবনের নাম পাল্টে দিলেন এক ঝটকায়
এর আগে শিলিগুড়িতেই শুভেন্দু অধিকারী বিশ্বজয়ী ক্রিকেটার রিচা ঘোষের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানান। তিনি রিচাকে “বাংলার প্রকৃত কন্যা” বলে উল্লেখ করেন এবং বিশ্বকাপে তাঁর অসাধারণ পারফরম্যান্সের প্রশংসা করেন।
এদিন কোচবিহারের চ্যাংড়াবান্ধায় শুভেন্দু অধিকারীর জনসভা ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, মহাসড়কের ওপর মঞ্চ তৈরির কাজে বাধা দেয় পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশিকা অনুযায়ী রাস্তায় কোন রকম মঞ্চ তৈরি করে বাধা সৃষ্টি করা যাবে না। বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’র অংশ হিসেবে এই সভার আয়োজন হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি কর্মীরা অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক চাপেই প্রশাসন প্রতিহিংসামূলক আচরণ করছে। জেলা নেতৃত্বের দাবি, “হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই অনুমতি দিয়েছে। তবুও নানা বাধার মুখে পড়ছি... আমরা আদালতে আবার যাব।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us