/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/29/suvendu-2026-01-29-16-20-34.jpg)
Nazirabad Fire News: নাজিরাবাদে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
Anandapur Fire Update: আনন্দপুরের নাজিরাবাদে মোমো কারখানায় বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তা নিয়ে তুঙ্গে উঠল রাজনৈতিক তরজা। বৃহস্পতিবার বিকেলে এলাকায় ১৬৩ ধারা জারি থাকা সত্ত্বেও ২০ জন বিজেপি বিধায়ককে নিয়ে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে পুলিশের কড়া ব্যারিকেডের কারণে ঘটনাস্থলের ১০০ মিটারের মধ্যে ঢুকতে পারেননি তাঁরা। ব্যারিকেডের বাইরে থেকেই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রাজ্য সরকার ও পুলিশ প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ শানান শুভেন্দু।
"মুখ্যমন্ত্রী রাজধর্ম পালন করেননি"
ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, "মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির মাত্র ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নাজিরাবাদ। ঘটনার তিন দিন পার হয়ে গেলেও তিনি এলেন না। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর রাজধর্ম পালন করেননি। ওনার আগেই এখানে আসা উচিত ছিল।"
বিরোধী দলনেতার আরও অভিযোগ, "ফিরহাদ হাকিম, অরূপ বিশ্বাস বা সুজিত বোসেরা এলে কোনো বাধা নেই, যত বাধা শুধু আমার বেলায়। বিরোধী দলনেতাকে আটকাতেই এখানে ১৬৩ ধারা জারি করা হয়েছে।"
আরও পড়ুন- ২৪ ঘন্টাতেই ঘুরল খেলা, সোনার বাজারে নজিরবিহীন ঊর্ধ্বগতি, রূপার দাম ৪ লক্ষ পার
এদিন অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা এবং প্রশাসনিক গাফিলতি নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, "আগুন লেগেছে মধ্যরাতে, অথচ দমকল এসেছে ৬ ঘণ্টা পর।" এখনও ২৭ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে তাঁর দাবি। মৃত ও নিখোঁজদের পরিবারের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি তুলেছেন তিনি। "টাকা নিয়ে সোনারপুরকে বেচে দিয়েছে তৃণমূলের চোরেরা। গোডাউন ভাড়া দিয়ে মাসে দেড় লক্ষ টাকা নেওয়া হয়, যা পৌঁছায় বিধায়কের পিএ-র হাতে," অভিযোগ করেন শুভেন্দু।
আরও পড়ুন- 'রাজ্যে নো গভর্নমেন্ট পরিস্থিতি' আনন্দপুরে অগ্নিকান্ডের ঘটনাকে 'ম্যান মেড' বলে কটাক্ষ শুভেন্দুর
এদিনের কর্মসূচি নিয়ে পুলিশি বাধা আসায় কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা। আদালত শেষ পর্যন্ত তাঁকে নাজিরাবাদে যাওয়ার ও মিছিল করার অনুমতি দেয়। তবে ৫ জনের বেশি জমায়েত নিষিদ্ধ থাকায় পুলিশি ব্যারিকেডে আটকে যায় বিজেপি বিধায়কদের দল।
আরও পড়ুন-কমিশনকে না জানিয়েই তিন IAS কে বদলি! সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়ে রাজ্যকে কড়া ধমক
শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, "নরেন্দ্রপুর থানা, খেয়াদহ গ্রাম পঞ্চায়েত ও স্থানীয় বিধায়ক মিলে এই এলাকায় লুট চালাচ্ছে। আইসি-কে অবিলম্বে সাসপেন্ড করতে হবে। কেবল ডেকোরেটর মালিককে ধরলে হবে না, নেপথ্যে থাকা প্রভাবশালীদেরও গ্রেপ্তার করতে হবে। নিখোঁজদের দেহ হস্তান্তর করা না হলে আমরা আইনি পথে যাব।" শুক্রবারও হাইকোর্টের অনুমতি নিয়ে এলাকায় ফের মিছিল করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us