/indian-express-bangla/media/media_files/2025/04/14/ZkxOY1cqRLJyXHwdwaZW.jpg)
Suvendu Adhikari: বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবায় দলীয় জনসভায় গিয়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে সরব হলেন বিজেপি নেতা ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। SIR ইস্যুতে আবারও তিনি তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনায় সোচ্চার হয়েছেন।
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর বেশিদিন ক্ষমতায় নেই। এই সময় আন্দোলন তীব্র করতে হবে। তৃণমূলকে আগামী নির্বাচনে হারানোর জন্য আমাদের আওয়াজ সর্বোচ্চ স্তরে তুলতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস, সিপিএম ও তৃণমূলের রাজত্ব মানুষ দেখেছেন। কিন্তু বিজেপির রাজত্ব তারা দেখেনি। হরিয়ানা, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, মহারাষ্ট্র, গুজরাট ও বিহারের উন্নয়নের কাজ বাংলার মানুষকে আমরা দেব। মানুষকে অত্যাচারের হাত থেকে রক্ষা করতে বিজেপিকে আনুন।”
তিনি মুসলিম ভোট ও ধর্মীয় প্রভাব সম্পর্কেও মন্তব্য করেন। শুভেন্দু বলেন, “আমরা উন্নয়নের কথা বলি, তারা ধর্মীয় লাইন দিয়ে প্রচার করে। নন্দীগ্রামে হিন্দু ভোটে আমি এমএলএ হয়েছি। ৬৪ হাজার মুসলমানের মধ্যে মাত্র ৪০০ ভোট এসেছে বিজেপিতে, বাকি সব ভোট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছে। যদি তাদের (মুসলিম ভোটার) ঘুম ভাঙে এবং বিজেপিকে ভোট দেয়, কোনও সমস্যা নেই। মোদীজির কর্মসূচি হিন্দু-মুসলিমের নয়, সব ভারতবাসীর জন্য।”
এদিকে, সোমবার এসআইআর-এর বিরুদ্ধে কলকাতায় অনুষ্ঠিত বিএলওদের মিছিলের প্রসঙ্গ টেনে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “মিছিলে তৃণমূলের লোক দেওয়া হয়েছে, কিন্তু বিএলওদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে মিছিল হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচাতেই লড়াই করছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”
তবে এদিন কলকাতায় বিএলও-দের নামে যে মিছিল হয় তাতে দেখা গিয়েছে বিএলও না হয়েও অনেকেই এই মিছিলে হেঁটেছেন। তাঁদেরই একজন আলিপুদুয়ার থেকে আসা মৌমিতা অধিকারী নামে এক শিক্ষিকা বলেন, "আমি বিএলও নই। তবে আমার যে সহকর্মীরা বিএলও হয়েছেন তাদের উপর অমানুষিক চাপ পড়ছে। তা থেকে তারা যেন মুক্তি পান, সেই জন্যই আমাদের কর্মসূচি।"
আরও পড়ুন-Poolcar Accident: পুকুরে উল্টে গেল পুলকার! স্কুল থেকে ফেরার পথেই মর্মান্তিক মৃত্যু ৩ খুদে পড়ুয়ার
আর এক শিক্ষিকা সোমা সরকার বলেন, "আমিও বিএলও নই। আমার সহকর্মীরা অনেকেই বিএলও। ওদের সমব্যাথী হয়ে এসেছি। এক মাস ধরে এসআইআর-এর নাম করে অল্প সময়ে তাদের দিয়ে যে কাজ করানো হচ্ছে, এরই পাশাপাশি স্কুলও তাদের করতে হচ্ছে। সেটাও করতে হচ্ছে আবার বিএলও-কাজও করতে হচ্ছে। বাড়ি-বাড়ি ঘুরে সেই কাজ করতে হচ্ছে। তারপর ফর্ম আপলোডও করতে হচ্ছে। বহু শিক্ষক শিক্ষিকা তারা কম্পিউটারে সড়গড় নয়। ডেটা এন্ট্রির কাজ তারা করতে পারছে না। তাদের উপর ভীষণ চাপ পড়ছে।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us