/indian-express-bangla/media/media_files/2026/02/04/tarapith-hotel-police-officer-video-controversy-2026-02-04-21-29-08.jpg)
প্রতীকী ছবি
তারাপীঠের একটি হোটেলের বাথরুমে মহিলার স্নানের ভিডিও মোবাইলবন্দি করার অভিযোগ উঠল এক পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূম জেলার তারাপীঠ থানার পিছনে অবস্থিত একটি হোটেলে। যদিও অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। ঘটনার জেরে আতঙ্কিত হয়ে ওই পরিবারগুলি শেষ পর্যন্ত পুজো না দিয়েই বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য হন।
আরও পড়ুন-৩০ হাজার ৩০০ টাকা দাম কমার পর আজ কলকাতায় সোনার দর জানলে চমকে যাবেন! রূপা সস্তা নাকি দামি?
জানা গিয়েছে, বুধবার কলকাতার দমদম ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে তিনটি পরিবার পুজো দিতে তারাপীঠে আসেন। তাঁরা তারাপীঠ থানা সংলগ্ন একটি হোটেলে ওঠেন এবং দুপুরের দিকে তিনটি ঘর ভাড়া নেন। ওই তিনটি ঘরের মাঝের অন্য একটি ঘরে এক পুলিশ অফিসার থাকছিলেন। অভিযোগ, তিনি পাশের ঘরের বাথরুমের ভেন্টিলেটরের ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করে লাল কভার দেওয়া একটি মোবাইল ফোন থেকে এক মহিলার স্নানের ভিডিও তুলছিলেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, বাথরুমে থাকা মহিলা বিষয়টি বুঝতে পেরে চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে সঙ্গে থাকা অন্যান্য সদস্যরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন এবং হোটেলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, তাঁরা অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারের ঘরে ঢোকার আগেই তিনি মোবাইল থেকে ভিডিওটি মুছে ফেলার চেষ্টা করেন। তবে মোবাইলের একটি অংশে ভিডিওটি রয়ে গিয়েছিল বলে তাঁদের দাবি।
আরও পড়ুন-" মুখ্যমন্ত্রী কৃত্রিম সংকট তৈরি করে SIR -এর নামে নাটক করছেন"
পুন্যার্থীদের সঙ্গে থাকা গৃহবধূ মাধবী মাহাত জানান, ঘটনার পর তাঁরা বিষয়টি পুলিশ ও হোটেল কর্তৃপক্ষকে জানালেও উল্টে তাঁদেরই দোষারোপ করা হয়। অভিযোগ, তাঁদের জোর করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে চাপ সৃষ্টি করে বিষয়টি মীমাংসা করার চেষ্টা করা হয়। তাঁর দাবি, অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার সেখানে ভুল স্বীকার করেছিলেন। তবে নিরাপত্তাহীনতার কারণে তাঁরা পুজো না দিয়েই বাড়ি ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন এবং বিষয়টি তাঁদের এলাকার চেয়ারম্যানকে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত পুলিশ অফিসার অশোক মহাপাত্র সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং তিনি কোনও ছবি বা ভিডিও তোলেননি।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের ভূমিকা ও তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us