/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/19/taslima-on-hadi-2025-12-19-12-40-00.jpg)
বাংলাদেশ তো অতীত, ওটা এখন ‘জিহাদিস্তান’, তসলিমা নাসরিনের আগুনে মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের ঝড়
Taslima Nasrin statement: ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই অশান্ত বাংলাদেশ। বাংলাদেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া হিংসা নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন। এক বিবৃতিতে তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করে বাংলাদেশকে ‘জিহাদিস্তান’-এর দিকে এগিয়ে যাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টে নাসরিন হাদিকে ‘জিহাদি’ হিসেবে অভিহিত করেন এবং তাঁর মৃত্যুর পর বিভিন্ন স্থানে ‘আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি ওঠার ঘটনাও তীব্র ভাষায় সমালোচনা করেন।
তসলিমা নাসরিন তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লেখেন, “একজন জিহাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাজার হাজার জিহাদি বাংলাদেশজুড়ে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে। তারা যা পাচ্ছে ধ্বংস করছে, আগুন ধরাচ্ছে, সবকিছু ছাই করে দিচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশে যা ঘটছে তা স্বাভাবিক নয় এবং চরমপন্থীরা গোটা দেশকে অস্থির করে তুলতে চাইছে। নাসরিন আরও উল্লেখ করেন, এক জিহাদির কারণে হিন্দু যুবক দীপু চন্দ্র দাসকে গাছে ঝুলিয়ে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটলেও কেউ অনুশোচনা প্রকাশ করেনি; বরং আল্লাহু আকবর’ ধ্বনি তোলা হয়েছে, যা তাঁর মতে চরমপন্থার প্রকৃত চেহারাকেই তুলে ধরে।
প্রসঙ্গত, ওসমান হাদি ইকবাল ফোরামের একজন মুখপাত্র ছিলেন। ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে সংঘটিত বিদ্রোহে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন বলে জানা যায়, যার পর শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। হাদি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। প্রায় সাত দিন আগে নির্বাচনী প্রচারের সময় তাঁকে গুলি করা হয়। পরে ঢাকা ও সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা চললেও শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যু হয়।
হাদির হত্যার পর বৃহস্পতিবার ঢাকা ও চট্টগ্রাম-সহ দেশের একাধিক স্থানে হিংসার ঘটনা ঘটে। বিক্ষুব্ধ জনতা ঢাকার দুটি মিডিয়া হাউসের অফিসে অগ্নিসংযোগ চালায় এবং চট্টগ্রামে ভারতের কনস্যুলেটেও হামলার খবর মেলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী ঢাকা ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকার দায়িত্ব নেয়।
এদিকে হিংসা থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। হাদি যে সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাঙ্গাবাজদের পরিচয় তারা জানে না। বিএনপি-সহ একাধিক দলও এই হিংসা কাণ্ড থেকে নিজেদের সরিয়ে রেখেছে। পরিস্থিতি এখনও উত্তেজনাপূর্ণ থাকায় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী চূড়ান্ত সতর্কতায় রয়েছে।
আরও পড়ুন-আওয়ামী লীগের অফিসে আগুন, ধুন্ধুমার বাংলাদেশ,হিন্দু যুবককে পুড়িয়ে মারার বিরাট অভিযোগে উত্তাল
আরও পড়ুন- Sourav Ganguly: ‘চিটিংবাজ’ মন্তব্যে রেগে আগুন দাদা! মেসি ভক্তের বিরুদ্ধে এফআইআর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের
আরও পড়ুন- Deucha Pachami: শিল্প সম্মেলনের আগে বরাত বাতিল, দেওচা–পাঁচামি নিয়ে ভাঁওতাবাজির অভিযোগ
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us