/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/22/lottery-2025-12-22-09-22-03.jpg)
Tea seller wife wins lottery: কোটি টাকার লটারি জিতে উচ্ছ্বসিত দম্পতি।
বছর শেষের লগ্নে ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাওয়ায় দরিদ্র অবস্থা থেকে কোটিপতি বনে গেলেন এক চা দোকানি বধূ। পূর্ব বর্ধমানের রায়নার উচালন গ্রামের বাসিন্দা ওই বধূর নাম জলি বিষয়ী। তিনি ৯০ টাকা খরচ করে কেটেছিলেন লটারির টিকিট। তাতেই লেগে গিয়েছে প্রথম পুরস্কার এক কোটি টাকা। লটারি টিকিটের দৌলতে দারিদ্র্যতা ঘোচায় খুশি জলি বিষয়ী ও তাঁর স্বামী টুলু বিষয়ী। এভাবে ভাগ্যের চাকা ঘুরে যাওয়ার জন্য ঈশ্বরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন দম্পতি।
বধূ জলি বিষয়ী উচালনের এক ছোট্ট চায়ের দোকান চালান। গত শুক্রবার তিনি ৯০ টাকা খরচ একটি লটারির টিকিট কেটেছিলেন। ডিলারের কাছ থেকে টিকিট নিয়ে রিটেলার তা বিক্রি করেন। রবিবার লটারি টিকিটের রেজাল্ট দেখে জলি বিষয়ী নিশ্চিত হন তাঁর কেনা টিকিটের নম্বরে পড়েছে প্রথম পুরস্কার এক কোটি টাকা। তিনি আনন্দে আত্মহারা হয়ে পড়েন।
এলাকাবাসীর কথায় জানা গিয়েছে ,জলি বিষয়ী ও তাঁর স্বামী টুলু বিষয়ী কয়েক বছর আগে ওড়িশা থেকে উচালনে আসেন। তারা রাইসমিলে কাজ করতেন। সেই রাইসমিল বন্ধ হয়ে গেলে টুলু অন্য রাইসমিলে কাজে যোগ দেন।আর জলি উচালন গ্রামে একটি চায়ের দোকান খোলেন। তাঁদের দুই ছেলে, একজন দশম শ্রেণিতে পড়ে, অন্যজন প্রথম শ্রেণির ছাত্র। দারিদ্র্যতাই ছিল তাঁদের নিত্যদিনের সঙ্গী। তবুও ভাগ্যের চাকা ঘোরার প্রত্যাশ্যা নিয়ে ঈশ্বরকে স্মরণ করে জলিদেবী মাঝে মধ্যে লটারি টিকিট কাটতেন। শেষ অব্দি লটারির টিকিটের দৌলতেই তিনি কোটিপতি বনে গেলেন।
ভাগ্যের জোরে বিপুল অঙ্কের টাকা পেয়ে এখন আনন্দের জোয়ারে ভাসছেন বিষয়ী দম্পতি। এদিন তাঁরা জানান, এতদিন টাকার অভাবে তাঁদের জীবন অনেক কষ্টে কেটেছে। এবার নিজেদের জন্য একটি বাড়ি করার ইচ্ছে রয়েছে তাঁদের।
সেই ব্যাপারে খোঁজ-খবর নেওয়াও শুরু করেছেন তাঁরা।
জলি বিষয়ী বলেন, “আমার স্বামী প্রায়ই লটারির টিকিট কাটেন। সেদিন কী মনে করে আমি নিজে ৯০ টাকা দিয়ে একটি টিকিট কিনে ফেলি সেই টিকিট’ই আমাদের জীবনের ছবি বদলে দিল। ঈশ্বরের কৃপাতেই এটা সম্ভব হয়েছে।"
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us