/indian-express-bangla/media/media_files/2025/01/09/CBF7JvTT9ozUtGIcku8h.jpg)
ভোটের আগে বিরাট ফাঁপরে শাসকশিবির
SSC Scam: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড়সড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। বুধবার তৃণমূল কংগ্রেসের এক বিধায়ক ও এক প্রভাবশালী মিডলম্যানের প্রায় ৫৭.৭৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
ইডি সূত্রে খবর, কলকাতার উপকণ্ঠে রাজারহাট ও নিউ টাউন থেকে শুরু করে উত্তর ২৪ পরগনা, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব বর্ধমান জেলাজুড়ে এই বিপুল সম্পত্তির হদিশ মিলেছে।
আরও পড়ুন- শীতের ছন্দপতন! সরস্বতী পুজোর সকালে কপালে ঘাম জমবে? জানুন লেটেস্ট ওয়েদার আপডেট
বাজেয়াপ্ত হওয়া সম্পত্তিগুলি মুর্শিদাবাদের বড়ঞা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহা, মিডলম্যান প্রসন্ন কুমার রায় এবং তাঁর সহযোগীদের নামে রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি।
এই সাম্প্রতিক পদক্ষেপের ফলে স্কুল নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এখনও পর্যন্ত ইডির বাজেয়াপ্ত করা মোট সম্পত্তির মূল্য বেড়ে দাঁড়াল প্রায় ৬৯৮ কোটি টাকা।
ইডির তরফে জানানো হয়েছে, বাজেয়াপ্ত সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে একাধিক ফ্ল্যাট, আবাসন প্রকল্প এবং জমি। এগুলি মূলত উত্তর ২৪ পরগনার রাজারহাট, নিউ টাউন ও সংলগ্ন এলাকায়, পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় অবস্থিত।
তদন্তকারী সংস্থার দাবি, রাজ্য সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে বেআইনি শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে অর্জিত অপরাধলব্ধ অর্থ দিয়েই এই সম্পত্তিগুলি কেনা হয়েছিল।
আরও পড়ুন- রাজনৈতিক বিতর্কের মধ্যে I-PAC নিয়ে প্রকাশ্যে 'চাঞ্চল্যকর' তথ্য, দেশজুড়ে তোলপাড়
কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই যে এফআইআর দায়ের করেছিল, তার ভিত্তিতেই এই মামলার তদন্ত শুরু করে ইডি। তদন্তে উঠে এসেছে, প্রসন্ন কুমার রায় এই দুর্নীতির মূল মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করতেন। তিনি ও তাঁর সহযোগীরা অযোগ্য প্রার্থীদের কাছ থেকে বেআইনি নিয়োগ পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ সংগ্রহ করতেন।
ED, Kolkata Zonal Office has provisionally attached immovable properties belongs to Jiban Krishna Saha, MLA; Prasanna Kumar Roy and others, having a total value of approximately Rs. 57.78 Crore in the form of residential apartments, villas and land parcels located at Rajarhat,… pic.twitter.com/HlmhBC38SS
— ED (@dir_ed) January 21, 2026
ইডির দাবি, কয়েকশো কোটি টাকার অপরাধলব্ধ অর্থ বিভিন্ন সংস্থা ও ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সাদা করা হয় এবং শেষ পর্যন্ত তা অস্থাবর সম্পত্তি কেনার কাজে ব্যবহার করা হয়।
পাশাপাশি, তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, গ্রেফতার হওয়া বিধায়ক জীবন কৃষ্ণ সাহা এই দুর্নীতির অন্যতম মাস্টারমাইন্ড। তিনি গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি এবং সহকারী শিক্ষক পদে বেআইনি নিয়োগের জন্য সংগৃহীত অর্থ সংগ্রহ ও ব্যবস্থাপনায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।
তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, এই অপরাধলব্ধ অর্থ বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে, মূলত মুর্শিদাবাদ ও পূর্ব বর্ধমান জেলায় একাধিক অস্থাবর সম্পত্তি কেনার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us