/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/09/tmc-democracy-attack-bjp-protest-abar-jitbe-bangla-2026-01-09-10-54-40.jpg)
"দেশের বাকি অংশ আত্মসমর্পণ করলেও বাংলা প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে"
"দেশের বাকি অংশকে যতই আত্মসমর্পণে বাধ্য করা হোক না কেন,বাংলা প্রতিরোধ চালিয়ে যাবে", দিল্লিতে যখন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদদের অমিত শাহ'র দফতরের বাইরে ধর্নাস্থল থেকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায় দিল্লি পুলিশ ঠিক তখনই এভাবেই দলীয় সাংসদদের পাশে দাঁড়ালেন খোদ তৃণমূলের সেনাপতি। এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে অভিষেক লিখেছেন, ‘গণতন্ত্রকে সাজা দেওয়া হচ্ছে। অপরাধীদের পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। সংস্থাগুলিকে হাতিয়ার করা হচ্ছে। নির্বাচনকে ম্যানিপুলেট করা হচ্ছে।’ এরপরই তিনি লেখেন, ‘প্রতিবাদীদের জেলে ভরা হচ্ছে। ধর্ষকরা জামিন পাচ্ছে। বিজেপির কাছে এটাই নতুন ভারত।’ তিনি আরও লেখেন, 'ভারতের বাকি অংশকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা হলেও বাংলা প্রতিরোধ করবে। আমরা শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত লড়াই করব যত শক্তিই প্রয়োগ করা হোক না কেন,তাদের পরাজিত করব'।
আরও পড়ুন- IPAC raid Kolkata: আইপ্যাক তল্লাশিতে 'বাধা', ফাইল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ, আদালতের দ্বারস্থ ED
Democracy is punished.
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) January 9, 2026
Criminals are rewarded.
Agencies are weaponised.
Elections are manipulated.
JAIL the PROTESTERS.
BAIL the RAPISTS.
This is BJP’s version of New India.
Even if the rest of the country is forced to surrender,
Bengal will resist.
We will fight you tooth… https://t.co/YH8oAxuUnn
কলকাতায় ইডির তল্লাশির আঁচ গিয়ে পড়ল রাজধানী দিল্লিতে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অফিসের বাইরে তৃণমূলের ধর্না অভিযানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার। টেনে হিঁচড়ে দিল্লি পুলিশ সেখান থেকে প্রতিনিধিদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। এই পরিস্থিতিতে হুঙ্কার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের। বিজেপিকে আমরা হারিয়েই ছাড়ব, মন্তব্য কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদের।
কয়লা পাচার মামলায় গতকাল আইপ্যাকের অফিস ও কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি অভিযানের পালটা আজ 'অ্যাকশনে' তৃণমূল। দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দফতরের সামনে ধর্নায় বসেন তৃণমূল কংগ্রেসের ৮ সাংসদ। ছিলেন সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন, শতাব্দী রায়, মহুয়া মৈত্র, বাপি হালদার, সাকেত গোখলে, প্রতিমা মণ্ডল, কীর্তি আজাদ এবং ডা. শর্মিলা সরকার। তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন ইস্যুতে কেন্দ্রের ভূমিকার প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্ণা কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। কিছু সময়ের মধ্যেই দিল্লি পুলিশের বিরাট দল এসে তৃণমূলের প্রতিনিধিদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।
আরও পড়ুন- শুরুতেই অঘটন, গঙ্গাসাগর মেলায় ভয়ঙ্কর অগ্নিকান্ড, পুড়ে ছাই একাধিক অস্থায়ী তাঁবু
এদিন দিল্লি থেকে বিজেপিকে হারানোর হুঙ্কার ছুঁড়ে কৃষ্ণনগরের সাংসদ মহুয়া মৈত্র বলেন, "সারা দেশ দেখল ডাকাত দলের সর্দার অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনে কীভাবে ইডি ১০ বছরের পুরনো একটি মামলায় ইডি আইপ্যাকের অফিসে তল্লাশি চালিয়েছে। ১০ বছরের পুরনো নথি এখন কি আপনারা আইপ্যাকের অফিস বা প্রতীক জৈনের বাড়িতে পাবেন? নাকি আগামী নির্বাচনে তৃণমূলের রণকৌশল আপনারা পাবেন সেখান থেকে? মানুষ কিছু বোঝে না? বাংলার মানুষ কি বোকা? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাঘের বাচ্চা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া দেশের কোন নেতার ক্ষমতা নেই ইডির কাছ থেকে নথি বার করে আনার। যেটা বার করে আনার দরকার সেটা বার করে এনেছেন। ইডির কোন অধিকার নেই বিজেপির দালাল হয়ে আমাদের নথি হাতিয়ে নেওয়া"।
এদিনের ঘটনার প্রেক্ষিপ্তে তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে এক পোস্টে লেখা হয়েছে, 'আপনি কি এখন দিল্লি পুলিশকে ব্যবহার করে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের উপর হামলা চালাচ্ছেন শুধু গণতন্ত্র দমন করার জন্য? স্বীকার করুন, আপনি আতঙ্কিত! প্রথমে, ইডির অপব্যবহার। এবার আমাদের আটজন সাংসদের শান্তিপূর্ণ ধর্নার উপর হামলা। এই হতাশা আপনার ভয়কেই উন্মোচিত করছে। আপনি চাইবেন গণতন্ত্রকে দমাতে, কিন্তু বাংলা কখনও ভয় পাবে না। আপনাদের এবং আপনার পুলিশের লজ্জা হওয়া উচিত! যতোই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা!"
আরও পড়ুন- পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা! হেল্পলাইন চালু করলেন অভিষেক
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us