/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/08/tmc-leaders-hospital-maternity-ward-entry-violation-controversy-2025-12-08-21-22-25.jpg)
হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে সোনালী বিবিকে দেখতে 'অবাধ প্রবেশে'
সংবাদ মাধ্যমের কড়া বিধিনিষেধ থাকলেও বীরভূমের রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে শাসক দলের নেতা–নেত্রী, মন্ত্রী থেকে বিধায়কদের অবাধ যাতায়াত ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সুরক্ষাবিধিকে উপেক্ষা করে প্রসূতি বিভাগে ঢুকে তুলছেন ছবি ও ভিডিও,এমনই ছবি ধরা পড়েছে দিনভর। ফলে সরকারি মেডিকেল কলেজ কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে স্বাস্থ্যবিধি না মানার অভিযোগে সরব বিরোধীদের।
বাংলাদেশি সন্দেহে দিল্লি পুলিশ মাস ছয়েক আগে তিন নাবালক-সহ ৬জনকে বাংলাদেশে পুশব্যাক করেছিল। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে মানবিকতার খাতিরে বাংলাদেশের আদালত অন্তঃসত্ত্বা সোনালী খাতুন ও তাঁর নাবালক ছেলেকে ভারতে ফেরার অনুমতি দেয়। শুক্রবার মালদার মহদিপুর সীমান্ত দিয়ে দেশে ফেরার পর শনিবার দুপুরে বীরভূমের পাইকরে পরিবারের বাড়িতে পৌঁছান তাঁরা। সেদিনই সোনালীকে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে ভর্তি করা হয়।
স্বাস্থ্যবিধি অনুযায়ী প্রসূতি বিভাগ সাধারণের জন্য প্রবেশ নিষিদ্ধ। তবে হাসপাতালের ওই ওয়ার্ডে একের পর এক শাসক দলের নেতৃত্বের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। প্রথমে যান বিধানসভার ডেপুটি স্পিকার আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ছিলেন একাধিক তৃণমূল নেতা-কর্মী। অভিযোগ, তাঁরা সকলেই মোবাইল ক্যামেরা হাতে বিভাগে ঢুকে ছবি-ভিডিও তোলেন, উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের এমএসভিপি পলাশ দাসও। এরপর লাভপুরের বিধায়ক রানা সিং, জেলা কোর কমিটির আহ্বায়ক অনুব্রত মণ্ডল-সহ আরও কয়েকজন তৃণমূল নেতা ওই বিভাগে প্রবেশ করে ছবি তোলেন এবং সেগুলি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন। অন্যদিকে, সংবাদ মাধ্যমকে হাসপাতাল প্রশাসন ও পুলিশ স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে প্রসূতি বিভাগে প্রবেশ নিষিদ্ধ। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের ক্ষেত্রে সেই বিধিনিষেধ কার্যত শিথিল, এমন অভিযোগ তুলেছে বিরোধী শিবির।
বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, “সোনালী খাতুনকে নিয়ে যা ঘটেছে তা দুঃখজনক। সরকার তাঁকে দেশে ফিরিয়েছে, চিকিৎসাও চলছে। কিন্তু প্রসূতি বিভাগে এতটা অবাধ প্রবেশের অনুমতি শাসক দলীয় নেতাদের দেওয়া হচ্ছে এটা সম্পূর্ণ বেআইনি। এতে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ছে, মায়েদের সম্ভ্রমহানিও হচ্ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ অফিসারের গাফিলতিই এর জন্য দায়ী। অবিলম্বে এ প্রবণতা বন্ধ না হলে আমরা আন্দোলনে নামব।”
অনিয়মের অভিযোগ স্বীকার করেই হাসপাতালের এমএসভিপি পলাশ দাস বলেন, “অন্যায় হচ্ছে। এভাবে প্রসূতি বিভাগে প্রবেশ করা যায় না। মায়েদের সুরক্ষা ও সম্ভ্রম দুটোই রক্ষা করা জরুরি। আমরা আরও সতর্ক হব।”
আরও পড়ুন-Corona Remedies IPO শুরু হতেই হুড়োহুড়ি! লিস্টিংয়ে ‘বড় ধামাকা’ ইঙ্গিত GMP–র
আরও পড়ুন-ইন্ডিগো বিভ্রাটের জের, সংকটে হাজার হাজার যাত্রী, কোন যুক্তিতে হস্তক্ষেপে অস্বীকার সুপ্রিম কোর্টের?
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us