/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/27/sayani-ghosh-speech-2025-11-27-10-56-18.jpg)
বিএলও মৃত্যু-কাণ্ডে কৃষ্ণনগরে প্রতিবাদ সভা
বুধবার বিকেলে কৃষ্ণনগরে বিএলও রিঙ্কু তরফদারের মৃত্যুকে ঘিরে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের ডাকা প্রতিবাদ সভা থেকে বিজেপিকে কার্যত তুলোধোনা করলেন সাংসদ ও তৃণমূল নেত্রী সায়নি ঘোষ। তাঁর কথায়, “যাদের ভোটে জিতে এসেছেন, তাদের অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকলে আপনার প্রধানমন্ত্রীত্ব নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। যাদের ভোটে আপনারা ক্ষমতায়— তাদেরকেই যদি বাংলাদেশি বলেন, তবে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে আপনার মন্ত্রিসভার প্রতিটি পদই বাতিল হওয়া উচিত।”
দার্জিলিংয়ে তাপমাত্রা ছুঁল ৫ ডিগ্রিতে, বাংলা জুড়ে শীতের কামড়, আরও পারদ পতন? রইল শীতের ব্রেকিং আপডেট
সভায় উপস্থিত ছিলেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র, মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস, বিধায়ক রুকবানু রহমান, আলিফা আহমেদ, বিমলেন্দু সিংহ রায়সহ তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব।সায়নি বলেন, “আপনারা যদি ভোটারদের না মানেন, তাহলে আমরাও আপনাকে প্রধানমন্ত্রী মানি না। বাংলা ভাষাকে 'বাংলাদেশি' বলার রাজনীতি বাংলার মানুষ মানবে না। বাংলা বললে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব, এ ধরনের হুমকি বাংলার মানুষ নেবে না।”
বিজেপি নেতৃত্বের প্রতি কটাক্ষের সুর আরও চড়িয়ে সায়নি বলেন, “ অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গ বলে বড় বড় কথা বলছে। অঙ্গ দখল মানে বিহার , কলিঙ্গ মানে ওড়িশা এবার নাকি বাংলা দখল করবে! আগে দিল্লি সামলান, উত্তরপ্রদেশ সামলান, তারপর বাংলা ভাববেন।”
কালিয়াচকে ফের গুলি-বৃষ্টি, চরম আতঙ্ক, পুলিশি নজরদারিতে বিরাট প্রশ্ন
এসআইআর নিয়ে বিজেপির অভিযোগের জবাবে সায়নির বক্তব্য, “তৃণমূল এসআইআর আটকাতে চায় না। কিন্তু এত তাড়াহুড়ো কেন? এটা বিহার বা উত্তরপ্রদেশ নয়। এখানে ধর্ম নয়, মানুষই পরিচয়।”
নরেন্দ্র মোদীকে সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, “কে কী খাবে, পড়বে তা নরেন্দ্র মোদী ঠিক করে দেবেন না। বিহার জিতে ছোট নেতাদের এখন খুব উৎফুল্ল দেখাচ্ছে। বাংলার মানুষ এত সস্তা নয়।”
রাজ্যের বিজেপি নেতাদের লক্ষ্য করে সায়নির তীব্র কটাক্ষ, “শমিক ভট্টাচার্য, দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী সবাই ছোট প্লেয়ার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাদের স্কুলের হেড মিসট্রেস। শুভেন্দুকে বলছি অতি বাড় বেড়ো না, ঝড়ে পড়ে যাবে। মমতা গাছ তুমি ফল। ফল কখনও গাছের থেকে বড় হয় না।”
জয় হিন্দ’, ‘বন্দে মাতরম’ স্লোগানে নিষেধাজ্ঞা, আগুনে হুঁশিয়ারি মমতার
বিএলও রিঙ্কু তরফদারের মৃত্যু প্রসঙ্গে আবেগঘন সুরে সায়নি বলেন, “রিঙ্কুদির জন্য খুব খারাপ লাগছে। তাঁর কী দোষ ছিল? কী চাপ ছিল? একজন বৈধ ভোটার বাদ গেলেই বড় আন্দোলন হবে। প্রয়োজনে দিল্লি যাবো। এখান থেকেই ভোটের রণহুঙ্কার দিয়ে গেলাম।”সভা শেষে নতুন স্লোগানও দেন তিনি “মরতে যদি চাও, তবে বিজেপিতে যাও।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us