/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/20/breaking-2025-11-20-20-43-38.jpg)
top 5 breaking news : দিনের সেরা ৫ খবরের আপডেট জানুন।
ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সমীক্ষা বা SIR প্রক্রিয়া স্থগিতের দাবি জানিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গে চলতে থাকা SIR কাজ নিয়ে তিনি একাধিক গুরুতর অভিযোগ তোলেন। বিএলওদের ওপর অতিরিক্ত কাজের চাপ, শারীরিক অসুস্থতা, মৃত্যুর ঘটনা এবং গোটা প্রক্রিয়া পরিচালনায় ত্রুটির কথা উল্লেখ করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী চিঠিতে দাবি করেছেন, “নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে এত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করা সম্ভব নয়। এতে সাধারণ মানুষেরই অসুবিধা বাড়বে।”
দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাথরপ্রতিমা বিধানসভা এলাকার দুর্গা গোবিন্দপুরে একদল দুষ্কৃতীর বেনজির তাণ্ডবে চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। গতকাল গভীর রাতে হঠাৎই এলাকায় ঢুকে পড়ে দুষ্কৃতীদের একটি বড় দল। তারপরই শুরু হয় লাগামছাড়া তাণ্ডব।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুষ্কৃতীরা বিনা প্ররোচনায় একাধিক বাড়ি ও দোকানে ভাঙচুর চালায় এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। বেশ কয়েকটি গোয়াল ঘরেও আগুন লাগানো হয়, যার ফলে অগ্নিদগ্ধ হয়ে কয়েকটি গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি, এলাকায় রাখা বহু মোটরবাইক ও স্থানীয় বিডিও-র গাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা।
আরও পড়ুন- Adhir Ranjan Chowdhury:“দিদিই প্রথম বুঝেছিলেন অনুপ্রবেশের বিপদ”, অধীরের মন্তব্যে তোলপাড়!
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমালোচনায় অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, “ওপার থেকে লোক আসছে, এটা রাজ্য সরকার জানে। ভোটার বানাতে গিয়ে তৃণমূলের লোকেরাই টাকা নিয়ে ভোটার কার্ড, আধার করে দিচ্ছে।” তিনি দাবি করেন, অনুপ্রবেশ নিয়ে সবচেয়ে আগে সংসদে সরব হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই। “২০০৫ সালে অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়ে সংসদে শাল ছুঁড়ে মেরেছিলেন দিদি। বিজেপি আজ সেই তত্ত্বই ব্যবহার করছে,” মন্তব্য অধীরের।
আরও পড়ুন-SIR-এর ভয়ে কাঁটা! সীমান্তে উদ্বেগ, কান্না আর অপেক্ষা, বাংলাদেশে ফিরতে হুড়োহুড়ি!
বীরভূমের সিউড়িতে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে। বৃহস্পতিবার সিউড়ির ২ নম্বর ব্লকে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে মারপিটে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। ঠিক সেই সময় এলাকায় উপস্থিত ছিলেন বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়। সূত্রের খবর, এদিন সাংসদ শতাব্দী রায় দলের SIR ক্যাম্প পরিদর্শনে গেলে অনুব্রত মণ্ডল গোষ্ঠী এবং কাজল শেখ অনুগামীদের মধ্যে হঠাৎই বচসা থেকে হাতাহাতি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। দু'পক্ষ রাস্তায় একে অপরকে ফেলে কিল–চড়–লাথি–ঘুষিতে লুটিয়ে পড়ে। আচমকা এই বিশৃঙ্খল ঘটনায় বিব্রত ও অস্বস্তিতে পড়েন সাংসদ শতাব্দী রায়। অশান্তি আরও বাড়ার আগেই তিনি দ্রুত গাড়িতে উঠে ঘটনাস্থল ছেড়ে বেড়িয়ে যান।
আরও পড়ুন-Adhir Ranjan Chowdhury:“দিদিই প্রথম বুঝেছিলেন অনুপ্রবেশের বিপদ”, অধীরের মন্তব্যে তোলপাড়!
বারাসাতে ছেলে ধরার গুজব ঘিরে অশান্তির আবহ তৈরি হয়েছিল কয়েক মাস আগেই। এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে শিশু চুরি নিয়ে। সেই গুজবে উত্তেজিত জনতা নিরীহ মানুষকে মারধর পর্যন্ত করেছিল। কিন্তু তদন্তের শেষে উঠে আসে এক রোমহর্ষক সত্য—এই গুজবের উৎসই ছিল প্রকৃত খুনি এনজার নবী।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us