/indian-express-bangla/media/media_files/2025/03/10/bAUVtdY1KymB9fRnQel1.jpg)
প্রতীকী ছবি।
kolkata crime: স্বপন কামিল্যা খুনের ঘটনায় নয়া মোড়। পশ্চিম মেদিনীপুরের স্বর্ণ ব্যবসায়ী অপহরণ ও খুনের ঘটনায় গ্রেফতার কোচবিহারের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সজল সরকার। তাকে শিলিগুড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল বিডিও-র, এমনটাই দাবি পুলিশ সূত্রে।
এর আগে এই খুনের ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত রাজু ঢালী ও তুফান থাপাকে ১২ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রাজু ঢালী রাজগঞ্জের বিডিও প্রশান্ত বর্মনের গাড়ির চালক এবং তুফান থাপা বিডিও ঘনিষ্ঠ বলে জানা গেছে। রাজু ঢালীকে রাজারহাট এলাকা থেকে এবং তুফান থাপাকে উত্তরবঙ্গ থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এবার দত্তাবাদের স্বর্ণ ব্যবসায়ী খুনে নাম জড়াল দাপুটে তৃণমূল নেতার। এই নিয়ে নিউটাউনের স্বর্ণ ব্যাবসায়ী খুনে মোট গ্রেফতারির সংখ্যা ৩-এ দাঁড়ালো।
আরও পড়ুন- West Bengal News Live Updates: মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজ, বিরাট নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
ঘটনাটি ঘটেছিল ২৮ অক্টোবর রাতে। অভিযোগ, ওই দিন রাত সাড়ে আটটার সময় নীল বাতি লাগানো একটি সাদা গাড়িতে করে নিউটাউনের বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয় স্বপন কামিল্যাকে। এরপর গাড়িটি নতুন ব্রিজ হয়ে যাত্রাগাছি দিয়ে বাগজোলা খালের পাড়ে পৌঁছোয়। সেখানে স্বপনকে ফেলে দিয়ে গাড়িটি ফিরে যায় বলে দাবি পুলিশের। পরের দিন সকালে যাত্রাগাছির খাল থেকে উদ্ধার হয় স্বর্ণ ব্যবসায়ীর রক্তাক্ত দেহ। শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
স্বপন কামিল্যার বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুরের মোহনপুর থানার অন্তর্গত দিলমাটিয়া গ্রামে। তাঁর সোনার দোকান ছিল কলকাতার দত্তাবাদ এলাকায়। জানা গিয়েছে, গত আগস্টে রাজগঞ্জ বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বাড়ি থেকে সোনা চুরির অভিযোগ ওঠে। সেই সময় বাড়ির কেয়ারটেকার দাবি করেন, তিনি চুরি করা সোনা বিক্রি করেছেন স্বপন কামিল্যার কাছে। এরপর বিডিও নিজে স্বপনের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে হুমকি দেন বলে অভিযোগ। স্বপনের পরিবার পুলিশের কাছে সেই ঘটনার একটি ভিডিওও জমা দিয়েছে।
স্বপনের দেহ উদ্ধারের পর ৫ নভেম্বর তাঁর পরিবারের সদস্য দেবাশিস কামিল্যা বিধাননগর দক্ষিণ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে রাজগঞ্জ বিডিও প্রশান্ত বর্মনের বিরুদ্ধে অপহরণ, খুন এবং প্রমাণ নষ্টের অভিযোগ আনা হয়।
আরও পড়ুন-Bengal SIR 2025: রাজ্যে কত মৃত ভোটারের নাম আধার থেকে বাদ? কমিশনকে তথ্য দিল UIDAI
এদিকে কোচবিহারের তৃণমূলের ব্লক সভাপতি সজল সরকার গ্রেফতার হতেই সুর চড়িয়েছেন বিরোদী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, "ও একটা তোলাবাজ। মমতা বন্দোপাধ্যায়ের শাসনকালে রাজ্য আইন শৃঙ্খলা সম্পূর্ণ রূপে ভেঙে পড়েছে"। যদিও বিডিও প্রশান্ত বর্মন সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, “এই ঘটনার সঙ্গে আমার কোনও সম্পর্ক নেই। আমার কলকাতায় কোনও বাড়ি নেই, আর কোনও সোনা চুরি যায়নি।”
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us