/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/24/tripura-2026-01-24-09-56-38.jpg)
Kailashahar Violence: চূড়ান্ত উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল ত্রিপুরার কৈলাশহরে।
পিডব্লুডি দপ্তরের টেন্ডার জমা করা নিয়ে ত্রিপুরার উনকোটি জেলার কৈলাশহরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের মাঝে পাথর ছোড়া ভাংচুর ও অগ্নি সংযোগসহ বেশ কিছু লোকের আহত হওয়ারর ঘটনা ঘটেছে।
ঘটনাটি শুক্রবার বিকেল নাগাদ শুরু হয় এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই টেন্ডার জমা করা দুই বিরোধী গোষ্ঠীর মধ্যে কথা কাটাকাটি, হাতাহাতি থেকে গড়িয়ে সন্ধ্যা নাগাদ মারামারি, আশেপাশের দোকান ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, পাথর ছোড়াছুড়ি ইত্যাদিতে পৌঁছয়।
ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে ভারতীয় জনতা পার্টির কৈলাশহর মন্ডল এলাকার সভাপতি প্রীতম ঘোষকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। স্থানীয় বিজেপি যুব মোর্চা নেতা অরুপ ধরের বাড়িতে ভাঙচুর এবং অগ্নিসংযোগ হয়েছে বলেও খবর রয়েছে এবং কিছু অস্থায়ী যুব মোর্চা কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাবার অবস্থা হলে পুলিশ লাঠি চার্জ করে হিংস্র জনতাকে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সঙ্গে কয়েক রাউন্ড গুলিও ছুঁড়েছে পুলিশ।
আরও পড়ুন- Suvendu Adhikari: শাসকদলের হুকুমেই কি চুপ পুলিশ? বিডিও অফিসের ‘আসল ছবি’ দেখালেন বিরোধী দলনেতা!
কৈলাসহর মহকুমা পুলিশ আধিকারিক রাহুল এ জানিয়েছেন পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণভাবে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে পুলিশ স্থানীয় থানা থেকে পুলিশ ও ত্রিপুরা স্টেট রাইফেলসের জওয়ানদের মোতায়েন করা ছাড়াই অতিরিক্ত নিরাপত্তা রক্ষীদের এলাকায় নিয়ে আসা হয়েছে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, উগ্র জনতাকে নিয়ন্ত্রণ করার জন্যে আইনি ব্যবস্থা নেবার মাঝে ক্ষিপ্ত মানুষের দিক থেকে উড়ে আসা পাথর ও অন্যান্য আক্রমণের মুখে ৪-৫ জন পুলিশ আধিকারিক ও কর্মী নিজেরাই আহত হয়েছেন। তবে তাদের কারও পরিস্থিতি গম্ভীর নয় বলে জানা গেছে।
২৪ ঘন্টা কড়া নিরাপত্তা বেষ্টনীর মধ্যে রয়েছে গোড়া এলাকা, এবং ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করে দেয়া হয়েছে। তবে সর্বশেষ প্রাপ্ত সংবাদ অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত এই ঘটনার সাথে জড়িত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
বিরোধী কংগ্রেস দলের বরিষ্ঠ নেতা তথা বিধায়ক বিরজিৎ সিনহা আজ রাতে গোটা ঘটনার সমালোচনা করে বলেছেন, এই ঘটনার জন্যে একমাত্র দায়ী শাসকদল। তিনি জানিয়েছেন, এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীর খালি কোয়ার্টার দখল করে কিছু বিজেপি কর্মী বেশ কিছুদিন ধরে এলাকায় সমস্যা সৃষ্টি করে আসছিল। প্রশাসনকে জানানো হলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
কংগ্রেস বিধায়ক বীরজিৎ সিনহা আরও দাবি করেছেন, এই বিজেপি কর্মীরা আজকে নিজেদের দলেরই ওপর একটি গোষ্ঠীর সমর্থকদের সাথে সংঘর্ষে জড়িয়ে সরস্বতী পুজোর দিনকে ম্লান করে দিয়েছে, এলাকায় উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
অপরদিকে বিজেপি মন্ডল সভাপতি প্রীতম ঘোষ অভিযোগ করেছেন একদল যুবক সশস্ত্র অবস্থায় স্থানীয় একটি সরস্বতী পূজা মন্ডপের সামনে এসে হামলা হুজ্জতি করার চেষ্টা করছিল। তাদের থামাতে ঘটনাস্থলে যাওয়া মাত্রই হিংস্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণ করা হয়েছে বলে তিনি অভিযোগ করেছেন।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us