/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/02/modi-slams-trump-dead-economy-comment-bengali-2025-08-02-14-00-19.jpg)
Narendra Modi & Donald Trump: নরেন্দ্র মোদী ও ডোনাল্ড ট্রাম্প।
India US trade tension: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন শুল্ক ঘোষণায় চাপে পড়তে চলেছে ভারতের একাধিক রপ্তানি খাত, বিশেষ করে কম মুনাফার পণ্য যেমন চা ও চাল। মঙ্গলবার ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যে কোনও দেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে করা সমস্ত বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করা হবে। ইরানে চলমান প্রাণঘাতী সরকারবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। এরই মধ্যে ভারত ৫০ শতাংশ মার্কিন শুল্কের মুখে রয়েছে, যার প্রভাব বিনিয়োগ এবং শ্রমনির্ভর রপ্তানিতে পড়েছে।
ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যাল-এ এক পোস্টে লেখেন, “তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে এই সিদ্ধান্ত। ইসলামিক রিপাবলিক অব ইরানের সঙ্গে ব্যবসা করা যে কোনও দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমস্ত বাণিজ্যে ২৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। এই নির্দেশ চূড়ান্ত ও অপরিবর্তনীয়।”
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ভারত-ইরান দ্বিপাক্ষিক পণ্য বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। কোভিড-পূর্ব সময়ে এই অঙ্ক ছিল প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডলার, যার বড় অংশই ছিল ইরান থেকে অপরিশোধিত তেল আমদানি। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষে ভারতে ইরানি অপরিশোধিত তেল আমদানির পরিমাণ ছিল প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার, অন্যদিকে ভারত থেকে ইরানে রপ্তানি হয়েছিল প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের পণ্য।
উল্লেখযোগ্যভাবে, ২০১১ সালে ইরানকে SWIFT ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থার বাইরে রাখা হলেও, ভোস্ত্রো অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য চলত। তবে ২০১৯ সালে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের অধীন OFAC পণ্যভিত্তিক নিষেধাজ্ঞা জারি করলে এই বাণিজ্য আরও সংকুচিত হয়।
চা রপ্তানিকারকদের মতে, ইরান ঐতিহ্যগতভাবে ভারতীয় অর্থডক্স চায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। নতুন শুল্কের ফলে এই বাজারে রপ্তানি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে। বিশেষ করে পাকিস্তান ও রাশিয়ার মতো বাজারে আগেই নানা বিধিনিষেধের মুখে পড়েছে ভারতীয় চা শিল্প।
আরও পড়ুন-East Burdwan News: গৃহস্থ বাড়িতে চুরি! শীতের কম্বল থেকে সোনা-টাকা সব সাফ, গ্রেফতার তৃণমূল নেতা
এদিকে ইরানে চলমান বিক্ষোভে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস ইন ইরানের সংবাদ সংস্থা HRANA-র তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ দিনে চলা বিক্ষোভে অন্তত ৫৪৪ জনের মৃত্যু হয়েছে, যার মধ্যে আটটি শিশুও রয়েছে। গত ২৮ ডিসেম্বর ইরানি মুদ্রা রিয়ালের ব্যাপক পতন ও দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির জেরে এই আন্দোলনের সূচনা হয়, যা দ্রুতই দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং সরাসরি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জে রূপ নেয়। ট্রাম্প আগেই সতর্ক করেছিলেন, বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে হিংসা চললে যুক্তরাষ্ট্র কড়া প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us