/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/16/trump-accepts-nobel-peace-medal-from-maria-corina-machado-2026-01-16-12-31-42.jpg)
নোবেল পুরস্কার ঘিরে এক অস্বাভাবিক ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে
Machado Gifted Nobel Medal to Trump: নোবেল পুরস্কার ঘিরে এক অস্বাভাবিক ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী ও নোবেল শান্তি পুরস্কারজয়ী মারিয়া করিনা মাচাদো হোয়াইট হাউসে এক বৈঠকের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক তুলে দেন। এই ঘটনার পর আন্তর্জাতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে একজন নোবেল জয়ী কি তাঁর পুরস্কার অন্য কারুর হাতে তুলে দিতে পারেন? এই প্রেক্ষিতেই নোবেল ইনস্টিটিউট ও নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে।
আরও পড়ুন-মারকাটারি মেজাজে শীত! এবার কি ঝটপট বিদায়? জানুন হাওয়া অফিসের বড় আপডেট
নোবেল ইনস্টিটিউট জানিয়েছে, নোবেল পুরস্কার একবার প্রদান করা হলে তা কখনও প্রত্যাহার, বা অন্য কাউকে হস্তান্তর করা যায় না। কমিটির বক্তব্য অনুযায়ী, পদকের মালিকানা বদলাতে পারে, কিন্তু নোবেল শান্তি পুরস্কার জয়ীর পরিচয় কখনও পরিবর্তিত হয় না। অর্থাৎ, মাচাদো পদক কাউকে উপহার দিলেও নোবেল জয়ী হিসেবে তাঁর নামই বহাল থাকবে।
হোয়াইট হাউসে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে মাচাদোর এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ভেনেজুয়েলায় ক্ষমতার লড়াইয়ে ট্রাম্পের প্রকাশ্য সমর্থন না পাওয়ার পর এই পদক উপহারকে মাচাদোর একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
পদক গ্রহণের পর ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ লেখেন, “তিনি আমাকে তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক দিয়েছেন, এটি আমার জন্য এক মহান সম্মান।” ট্রাম্প মাচাদোর প্রশংসা করে তাঁকে “খুব বড় মনের মহিলা” বলে উল্লেখ করেন এবং বলেন, তিনি জীবনে বহু কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।
আরও পড়ুন-শীঘ্রই শুরু বিএমসি সহ ২৯ পুরসভার ভোট গণনা, ফলাফলে নজর গোটা দেশের
মাচাদোর হাত থেকে নোবেল পুরষ্কারের পদক পাবার পর নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথে এক বিবৃতিতে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, “আমি যে কাজ করেছি তার জন্য মারিয়া আমাকে তার নোবেল শান্তি পুরস্কারটি উপহার দিয়েছেন। পারস্পরিক শ্রদ্ধার কী এক চমৎকার নিদর্শন! ধন্যবাদ মারিয়া!”
হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর মাচাদো সাংবাদিকদের জানান, “আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক প্রদান করেছি। ভেনেজুয়েলার স্বাধীনতার প্রশ্নে তাঁর বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেওয়া হয়েছে।” এরপর তিনি মার্কিন সংসদ ভবন ক্যাপিটল হিলের উদ্দেশ্যে রওনা হন।
নোবেল ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে আবারও স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, এই পদক দেওয়া বা গ্রহণ পুরোপুরি প্রতীকী। মাচাদো তাঁর নোবেল পুরস্কার অন্য কাউকে দান করতে পারেন না। তবুও বিষয়টি আলোচনায় এসেছে, কারণ ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করে আসছেন। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা গেছে, ট্রাম্প চাইলে এই পদক নিজের কাছেই রাখতে পারেন, তবে নোবেল জয়ীর মর্যাদা কোনওভাবেই পরিবর্তিত হবে না।
The #NobelPeacePrize medal.
— Nobel Peace Center (@NobelPeaceOslo) January 15, 2026
It measures 6.6 cm in diameter, weighs 196 grams and is struck in gold. On its face, a portrait of Alfred Nobel and on its reverse, three naked men holding around each other’s shoulders as a sign of brotherhood. A design unchanged for 120 years.
Did… pic.twitter.com/Jdjgf3Ud2A
উল্লেখ্য, ওয়াশিংটনে আসার আগে দীর্ঘদিন ধরে মাচাদোকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি। গত মাসে তিনি নরওয়ে সফরে যান, যেখানে তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর মেয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কার গ্রহণ করেন। এর আগে প্রায় ১১ মাস ধরে মাচাদো ভেনেজুয়েলায় আত্মগোপনে ছিলেন।
আরও পড়ুন- 'আপনি তো দেবতাদেরও ছাড়ছেন না', মহাকাল মন্দিরের শিলান্যাসের আগে মমতাকে তুলোধোনা শঙ্কর ঘোষের


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us