/indian-express-bangla/media/media_files/2025/07/19/trump-claims-5-jets-down-india-pakistan-conflict-trf-declared-terror-outfit-2025-07-19-14-02-30.jpg)
Donald Trump: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
ভারত-পাকিস্তান সংঘাত ঠেকিয়ে “কোটি কোটি প্রাণ বাঁচিয়েছেন” তিনি এই দাবির ফের একবার পুনরাবৃত্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের। শুক্রবার হোয়াইট হাউসে তেল ও গ্যাস খাতের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকের ফাঁকে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, সাম্প্রতিক ওয়াশিংটন সফরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে এর জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। ট্রাম্পের দাবি, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্ভাব্য যুদ্ধ এড়াতে তাঁর হস্তক্ষেপই মুখ্য ভূমিকা নিয়েছে।
ট্রাম্প জানান, শাহবাজ শরিফ প্রকাশ্যে স্বীকার করেছেন যে তাঁর উদ্যোগে অন্তত এক কোটি মানুষের প্রাণ রক্ষা পেয়েছে। “পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী এখানে এসে খুব প্রকাশ্যভাবেই বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধ থামিয়ে ন্যূনতম এক কোটি প্রাণ বাঁচিয়েছেন,” বলেন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, সেই সময় পরিস্থিতি অত্যন্ত উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এবং যুদ্ধ অনিবার্য ছিল।
এই প্রসঙ্গেই ফের নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার দাবিও তোলেন ট্রাম্প। যদিও তিনি বলেন, তিনি প্রচার চান না, তবুও তাঁর বক্তব্য বিশ্ব ইতিহাসে আর কোনও নেতা এতগুলো বড় সংঘাতের নিষ্পত্তি করতে পারেননি। ট্রাম্পের কথায়, “আমাকে কেউ পছন্দ করুক বা না করুক, আমি আটটি বড় যুদ্ধ থামিয়েছি। কিছু সংঘাত তো কয়েক দশক ধরে চলছিল।” ভারত-পাকিস্তান প্রসঙ্গ তুলে তিনি আরও দাবি করেন, দুই দেশের মধ্যে তখন আকাশযুদ্ধ শুরু হয়ে গিয়েছিল এবং একাধিক যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হয়েছিল, কিন্তু তিনি দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন, তা-ও পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার ছাড়াই।
আরও পড়ুন- বিএসএফের খপ্পর থেকে পগার পার! নদী পেরিয়ে সেফ জোনে বাংলাদেশি, তোলপাড়
ট্রাম্প বলেন, “ইতিহাসে আমার চেয়ে নোবেল শান্তি পুরস্কারের যোগ্য আর কাউকে আমি দেখি না। তবে পুরস্কার নয়, আমার কাছে মানুষের জীবন বাঁচানোই আসল। আমি কোটি কোটি প্রাণ বাঁচিয়েছি।” গত বছরের মে মাস থেকে একাধিকবার তিনি একই ধরনের দাবি করে আসছেন এবং বলছেন, তাঁর নেতৃত্বে মার্কিন চাপের ফলেই ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধের কিনারা থেকে সরে আসে।
তবে ট্রাম্পের এই দাবিকে স্পষ্টভাবে খারিজ করেছে ভারত। নয়াদিল্লির অবস্থান, ভারত–পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে সম্পূর্ণভাবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে, কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতায় নয়। ভারত সরকার জানিয়েছে, পাকিস্তানের মাটিতে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিন্দুর’ চালানোর পরই দুই দেশের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
Uttarpara rape case : হিন্দমোটর কারখানায় নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগ, পুলিশের জালে তৃণমূলের যুব নেতা
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় ২৬ জন নিহত হন। এর পরই পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদী ঘাঁটির বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান চালায় ভারত। ভারতীয় আধিকারিকদের মতে, ১০ মে পাকিস্তানের ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস (DGMO) ভারতের DGMO-র সঙ্গে যোগাযোগ করে সংঘর্ষ বন্ধের অনুরোধ জানান। এরপরই উভয় দেশ সামরিক কার্যকলাপ বন্ধে সম্মত হয়।
West Bengal Weather: হাড় কাঁপানো ঠান্ডা বাংলাজুড়ে, শীতের ঝোড়ো ইনিংস আর কতদিন চলবে?
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us