/indian-express-bangla/media/media_files/2025/02/08/gmvE9u985bN2oRQlLBGS.jpg)
Sheikh Hasina: বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
Bangladesh International Crimes Tribunal: বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায়কে “শিকারিদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত” বলে উল্লেখ করল রাষ্ট্রসংঘ। তবে একইসঙ্গে, মৃত্যুদণ্ড ঘোষণায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সোমবার রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র স্টিফেন দুজারিক নিউ ইয়র্কে ব্রিফিংয়ে জানান, গুতেরেস সম্পূর্ণভাবে একমত রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার ভলকার ট্যুর্কের অবস্থানের সঙ্গে—“আমরা যেকোনও পরিস্থিতিতেই মৃত্যুদণ্ডের বিরোধিতা করি।”
দুজারিককে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতে ঘোষিত মৃত্যুদণ্ড সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে তিনি বলেন, মানবাধিকার কার্যালয়ের বিবৃতি স্পষ্টভাবে তাদের অবস্থান তুলে ধরেছে।
৭৮ বছর বয়সি শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে রয়েছেন, গত বছরের ৫ আগস্ট তার সরকার পতনের পর। গত বছর জুলাইয়ে তার সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রদের নেতৃত্বে দেশজুড়ে গণবিক্ষোভ দমনে নৃশংসতার অভিযোগে তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে ট্রাইব্যুনাল। একই মামলায় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন- ED Raid: লাল কেল্লা বিস্ফোরণকাণ্ড: আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে ED-র মেগা অভিযান, ২৫ জায়গায় তল্লাশি
রাষ্ট্রংসঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি এক বিবৃতিতে জানান, এই রায় “গত বছরের দমনমূলক অভিযানে সংঘটিত নৃশংসতার শিকারদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।” তবে তিনি স্পষ্ট বলেন, “মৃত্যুদণ্ডের প্রতি আমাদের বিরোধিতা সর্বাবস্থায়।”
রাষ্ট্রসংঘের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ১৫ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট—এই এক মাসে ছাত্র আন্দোলন দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর অভিযানে প্রায় ১,৪০০ মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
আরও পড়ুন- Sundarbans: জীবিকার টানে নদীতে, আর ঘরে ফিরল না শম্ভু, সুন্দরবনে ভয়াবহ কাণ্ডে বীভৎস মৃত্যু!
শামদাসানি আরও জানান, তারা বিচার প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন না, তবে জাতিসংঘ বরাবরই জোর দিয়ে এসেছে যে আন্তর্জাতিক অপরাধের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলিতে সুষ্ঠু বিচার, যথাযথ প্রক্রিয়া ও আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে হবে—বিশেষত যখন অনুপস্থিতিতে বিচার হয় এবং তার ফলাফল হিসেবে মৃত্যুদণ্ডের মতো কঠোর শাস্তি আসে।
আরও পড়ুন- Sundarbans: জীবিকার টানে নদীতে, আর ঘরে ফিরল না শম্ভু, সুন্দরবনে ভয়াবহ কাণ্ডে বীভৎস মৃত্যু!
রাষ্ট্রসংঘের হাইকমিশনার ট্যুর্ক বাংলাদেশের সব পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সত্যউদ্ঘাটন, ক্ষতিপূরণ, ন্যায়বিচার ও সাংবিধানিক পুনর্মিলনের ব্যাপক প্রক্রিয়া গ্রহণ করাই এখন দেশের জন্য সবচেয়ে জরুরি পথ।
জাতিসংঘ জানায়, বাংলাদেশের নিরাপত্তা খাতে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সংস্কার, দায়ীদের জবাবদিহি এবং পুনরাবৃত্তি রোধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপে তারা সাহায্য করতে প্রস্তুত।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us