/indian-express-bangla/media/media_files/GlsYUdOJS15F3A0hOhhq.jpg)
বন্দে ভারত স্লিপারের মেনু নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক
দিন কয়েক আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কলকাতা ও কামাখ্যার মধ্যে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের সূচনা করেন। শনিবার ট্রেনটি নিয়মিত পরিষেবা শুরু করতেই বিতর্কের সূত্রপাত। অভিযোগ উঠেছে, কলকাতা–কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে যাত্রীদের জন্য আমিষ খাবারের কোনও ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এই সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস এই বিষয়টিতে ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি করেছে, এটি বাঙালি সংস্কৃতির উপর সরাসরি আঘাত। দলের বক্তব্য, বাংলা থেকে অসমগামী একটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে চলাচলকারী বন্দে ভারত ট্রেন থেকে ইচ্ছাকৃতভাবে মাছ ও মাংস বাদ দেওয়া হয়েছে, যদিও এই অঞ্চলের মানুষ সাধারণত আমিষ খাবার পছন্দ করেন। তৃণমূলের নেতৃত্বের মতে, আজ খাবারের উপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হচ্ছে, আগামী দিনে পোশাক, প্রেম বা জীবনযাত্রার উপরও বিধিনিষেধ চাপানো হতে পারে।
এই ইস্যু রাজনৈতিক রূপ নেওয়ার পর রেলের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। রেলের তরফে জানানো হয়, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি দুটি গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থানকে সংযুক্ত করছে। অসমের মা কামাখ্যা মন্দির এবং পশ্চিমবঙ্গের মা কালী মন্দির এই দুই তীর্থস্থানের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপনের জন্যই ট্রেনটির মেনু সম্পূর্ণ নিরামিষ রাখা হয়েছে। রেলওয়ের দাবি, মেনুতে রাখা খাবারগুলি পরিষ্কার ও বিশুদ্ধ নিরামিষ এবং বাংলা ও আসামের ঐতিহ্যবাহী রান্নার ওপর ভিত্তি করেই তা তৈরি করা হয়েছে।
২৬ জানুয়ারি দেশকে 'আতঙ্কিত' করার বড়সড় ষড়যন্ত্র, সীমান্ত এলাকায় বাড়ানো হল নিরাপত্তা
তবে এই যুক্তি মানতে নারাজ বিরোধীরা। তাঁদের প্রশ্ন, কলকাতা–কামাখ্যা রুটে বন্দে ভারত ছাড়াও একাধিক ট্রেন চলাচল করে, সেই সব ট্রেনেই যাত্রীদের জন্য আমিষ খাবারের ব্যবস্থা রয়েছে। তাহলে শুধুমাত্র বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে কেন আমিষ খাবার পরিবেশন করা হবে না, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।
নিরামিষ মেনু হলেও বন্দে ভারতের খাবার নিয়েই এখন রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে। বিরোধীদের অভিযোগ, নিরামিষের আড়ালে সাংস্কৃতিক চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। যদিও রেলওয়ে সূত্রে জানানো হয়েছে, বন্দে ভারত স্লিপারের মেনুতে রয়েছে বাসন্তী পোলাও, ছোলার ডাল, মুগ ডাল, ছানার সবজি, ভাত, মসুর ডাল, সবজি, সন্দেশ ও রসগোল্লা। এই মেনু নিরামিষভোজীদের কাছে আকর্ষণীয় হলেও, আমিষভোজী যাত্রীরা রেলের এই সিদ্ধান্তকে কীভাবে নেবেন, তা নিয়ে বিতর্ক এখনও অব্যাহত।
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ আদৌ অংশ নেবে ভারত? কোন কোন বিষয়ে অস্বস্তি নয়াদিল্লির?


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us