/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/19/vbg-ramg-bill-2025-12-19-10-15-13.jpg)
VBG RAMG Bill passed: বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সংসদের দুই কক্ষেই পাশ হয়ে গেল বিতর্কিত Viksit Bharat Guarantee for Rozgar and Ajeevika Mission (Gramin) বা ‘VBG-RAMG’ বিল।
বৃহস্পতিবার গভীর রাতে সংসদের দুই কক্ষেই পাশ হয়ে গেল বিতর্কিত Viksit Bharat Guarantee for Rozgar and Ajeevika Mission (Gramin) বা ‘VBG-RAMG’ বিল। তীব্র বিরোধিতা, হট্টগোল ও ওয়াকআউট সত্ত্বেও শুধুমাত্র সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরেই লোকসভা ও রাজ্যসভায় এই বিল পাশ করিয়ে নিল কেন্দ্রীয় সরকার।
এই বিলের বিরোধিতায় বৃহস্পতিবার রাতভর সংসদ ভবনের বাইরে ধর্নায় বসেন তৃণমূলের সাংসদরা। শীতের রাতে মাঙ্কি টুপি ও শাল গায়ে জড়িয়ে ধরনায় অংশ নিতে দেখা যায় দোলা সেন, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সুস্মিতা দেব, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ একাধিক সাংসদকে।
‘মহাত্মা গান্ধীর দ্বিতীয় হত্যা’, বিস্ফোরক মন্তব্য ডেরেকের
MNREGA প্রকল্প বাতিল করে মহাত্মা গান্ধী ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতি অসম্মান দেখানো হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন ডেরেক ও’ব্রায়েন। তিনি বলেন, “১৯৪৮ সালে মহাত্মা গান্ধীর বুকে তিনটি গুলি লেগেছিল। আর ২০২৫ সালে সংসদে এই বিল পাশ করাতে তিনটি রাত লেগেছে। তিনটি গুলি, তিনটি রাত, এটি আসলে মহাত্মা করমচাঁদ গান্ধীর দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড।”
‘১০০ দিনের কাজের গ্যারান্টি তুলে নেওয়া হচ্ছে’
তৃণমূল সাংসদ সুস্মিতা দেব বলেন, “১০০ দিনের কাজের গ্যারান্টি তুলে নেওয়ার উদ্দেশ্যেই MNREGA প্রকল্পের নাম বদলে এই নতুন বিল আনা হয়েছে। যেভাবে মহাত্মা গান্ধীর নাম সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, তাতে বিজেপির মুখোশ খুলে গিয়েছে।”
কী বদল আনছে নতুন বিল?
বিরোধীদের অভিযোগ, এই নতুন বিলে মহাত্মা গান্ধীর নাম সরিয়ে দেওয়াই শুধু নয়, প্রকল্পের কাঠামোতেও বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে MNREGA প্রকল্পটি পুরোপুরি কেন্দ্রের টাকায় চলত। নতুন ব্যবস্থায় মোট ব্যয়ের প্রায় ৪০ শতাংশ অর্থ রাজ্য সরকারগুলিকে বহন করতে হবে।
আরও পড়ুন-Suvendu Adhikari: “ঘুগনি বানিয়ে বিক্রি করুন!”, মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দু অধিকারীর
তবে কেন্দ্রের দাবি, কাজের দিনের সংখ্যা বছরে ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। যদিও বিরোধীদের মতে, কাজের গ্যারান্টির আইনি ভিত্তি দুর্বল করা হয়েছে।
সংসদে তুমুল হট্টগোল, ওয়াকআউট বিরোধীদের
বৃহস্পতিবার প্রথমে তীব্র বাকবিতণ্ডার মধ্যেই লোকসভায় বিলটি পাশ হয়। এরপর বিরোধী সাংসদরা সংসদের ভিতরেই বিলের কপি ছিড়ে বিক্ষোভ দেখান। পরে রাত পেরিয়ে শুক্রবার ভোরে রাজ্যসভাতেও বিলটি পাশ হয়।
রাজ্যসভায় ভোটের আগে ব্যাপক হট্টগোল, স্লোগান ও ওয়াকআউট করেন বিরোধী সাংসদরা। তবে শেষ পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে লোকসভার পর রাজ্যসভাতেও পাশ হয়ে যায় এই বিল। এই বিল ঘিরে সংসদের অন্দরে-বাইরে রাজনৈতিক সংঘাত যে আরও তীব্র হবে, তা বলাই বাহুল্য।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us