/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/07/vhp-slams-babri-mosque-foundation-in-murshidabad-warns-tmc-mla-humayun-kabir-2025-12-07-11-05-38.jpg)
মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
মুর্শিদাবাদের রেজিনগরে বাবরি মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনকে কেন্দ্র করে তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। শনিবার কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই বাবরি মসজিদের নামে সেই মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন স্থগিত তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। ঘটনার পরই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএইচপি। সংগঠনের জাতীয় মুখপাত্র বিনোদ বনসাল সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, এই ঘটনার জেরে কোথাও হিন্দুদের উপর আক্রমণ হলে তার দায় সরাসরি হুমায়ুন কবীর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং রাজ্য প্রশাসনের উপর পড়বে।
ভিএইচপি নেতা বিনোদ বনসাল দাবি করেছেন, হুমায়ুন কবীরের আচরণ "বিদেশি আক্রমণকারীদের মানসিকতার প্রতিফলন"। তাঁর কথায়, “হুমায়ুন কবীরের শরীরে হয়তো বাবরের রক্ত নেই, কিন্তু মনে হচ্ছে সেই বিদেশি আক্রমণকারীর আত্মাই তার মধ্যে প্রবেশ করেছে। সেই আত্মাই তাকে বাবরি মসজিদের নামে মসজিদ বানাতে উৎসাহ দিচ্ছে এবং জিহাদি ভোটব্যাঙ্ককে তুষ্ট করার চেষ্টা করছে।” তিনি আরও বলেন, এই পদক্ষেপ সরাসরি ২০১৯ সালে শ্রীরাম জন্মভূমি মামলায় সুপ্রিম কোর্টের সর্বসম্মত রায়কে অমান্য করার শামিল।
তাঁর অভিযোগ, "হুমায়ুন কবীর শুধু আইনকে অসম্মান করছেন না বরং জিহাদি মানসিকতাকে উস্কে দিয়ে বাংলা সহ সারা দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা বাড়ানোর সস্তা রাজনীতি করছেন।” তিনি দাবি করেন, যে বাবরি মসজিদ ৩৩ বছর আগে ভেঙে গেছে এবং বাবরের সমাধি রয়েছে আফগানিস্তানে, তাই বাবরি পুনর্নির্মাণ করতে হলে বাংলা নয়, আফগানিস্তানেই গিয়ে নির্মাণ করা উচিত ছিল।
আরও পড়ুন- পাঁচ লক্ষ কন্ঠে গীতাপাঠ, থাকছেন শুভেন্দু-সুকান্তরা, আসছেন মমতাও?
ভিএইচপি-র অভিযোগ, বাবরি মসজিদের নামে বাংলার হিন্দুদের বিরুদ্ধে "বিষ ছড়ানো" হচ্ছে, যা ইতিমধ্যেই বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী ও মৌলবাদী জিহাদিদের চাপে থাকা রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিকে আরও বিপর্যস্ত করতে পারে। তাই রাজ্য সরকারের প্রতি তাদের দাবি আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে এই "মুঘলপ্রেমী বিধায়কের অপকর্ম" অবিলম্বে বন্ধ করা হোক।
বিনোদ বনসাল সতর্ক করেন, এই ঘটনার জেরে বাংলায় বা দেশের অন্য কোথাও হিন্দুদের বিরুদ্ধে কোনও অশান্তি, হিংসার ঘটনা ঘটলে তার সম্পূর্ণ দায়ভার থাকবে হুমায়ুন কবীর, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্য সরকারের উপর। প্রয়োজনে কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং রাজ্যপালের হস্তক্ষেপেরও দাবি জানিয়েছে ভিএইচপি।
আরও পড়ুন-অফিস যাত্রীদের জন্য খুশির খবর! শিয়ালদার পর এবার হাওড়া শাখায় ছুটবে নতুন এসি লোকাল
আরও পড়ুন-হুমায়ুন কবীরের বাবরি শিলান্যাসের মাঝেই রাম মন্দিরের কর্মযজ্ঞ, বিরোধীদের তোপে মুখ্যমন্ত্রী


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us