/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/24/swastik-2025-11-24-18-26-10.jpg)
Malda News: স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় দারুণ উদ্বেগে রয়েছেন এই ব্যক্তি।
সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল মালদার হবিবপুরের ভৌমিক পরিবারে। সরকারি কর্মচারীর পরিবারে কিছুরই যেন খামতি ছিল না। কিন্তু বাড়িতে যখন SIR-এর ফর্ম দিয়ে গেলেন বিএলও, তারপর থেকে যেন মাথার ওপর পাহাড় ভেঙে পড়েছে ওই ভৌমিক পরিবারের সদস্যদের। কারণ, পরিবারের এক মৃত ছেলেকে জীবিত বলে এসআইআর-এর ফর্ম দেওয়া হয়েছে। আর যিনি জীবিত, তিনি আবার সরকারি কর্মচারী।
তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে মৃত হিসেবে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ । এমন পরিস্থিতির বিষয়টি জানাজানি হতেই রীতিমতো যেন ঘন অন্ধকার নেমে এসেছে ভৌমিক পরিবারে সদস্যদের মধ্যে। হবিবপুর ব্লকের বুলবুলচন্ডী গ্রাম পঞ্চায়েতের কচুপুকুর এলাকার বাসিন্দা সৌমিক ভৌমিক (৪০)। তিনি পেশায় কেন্দ্রীয় একটি বীমা সংস্থার সরকারি কর্মী।
আরও পড়ুন- Baruipur News: ৮ মাসের দাম্পত্যের ইতি! রাস্তার ধারে নবদম্পতির নিথর দেহ, মৃত্যু ঘিরে গাঢ় হচ্ছে রহস্য
কচুপুকুর এলাকার ২২৮ নম্বর বুথের ভোটার রয়েছেন ভৌমিক পরিবারের সদস্যরা। পরিবারের সৌমিকের বৃদ্ধ বাবা, মা, স্ত্রী এবং নাবালক সন্তানও রয়েছে। কিন্তু এখন সৌমিকের মৃত ভাই স্বস্তিক ভৌমিকের এসআইআর-এর ফর্ম চলে এসেছে। আর সৌমিক মৃত বলে তার এসআইআর-এর ফর্ম আসেনি।
সৌমিকবাবু বলেন, "২০২০ সালে একটি পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ভাই স্বস্তিকের। এরপর বাড়ি থেকে বিভিন্ন দপ্তরে জানিয়ে দেওয়া হয়। এমনকী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, রেশন কার্ড সব বাতিল হয়ে যায় যথারীতি। কিন্তু বারবার জানানো সত্ত্বেও ভোটার লিস্ট থেকে নাম বাদ যায় নি স্বস্তীকের। উল্টে দেখা যায় ২০২৫ সালের ৬ জনুয়ারি প্রকাশিত ভোটার লিস্টে জীবিত দাদা সৌমিককে মৃত দেখানো হয়েছে। আর মৃত ভাই স্বস্তীককে জীবিত দেখানো হয়েছে। কিন্তু ২০২৪ সালের ১২ নভেম্বর প্রকাশিত ভোটার লিস্টে দেখা যাচ্ছে আমরা দুই ভাই জীবিত।"
সৌমিক আরও বলেন, "যখন আমার বাড়িতে এসআইআর-এর ফর্ম আসে, তখন দেখা যায় মৃত ভাইয়ের নাম এসেছে। কিন্ত আমি জীবিত থেকে কোনও এসআইআর-এর ফর্ম পাইনি। যে সময় আমি চাকরিতে জয়েন করেছিলাম, তখন আধার কার্ড ছিল না। ফলে আমার সমস্ত সরকারি নথি, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ডিটেলস সবের সঙ্গেই ভোটার কার্ডের লিংক রয়েছে। এই অবস্থায় যদি ভোটার কার্ড থেকে নাম বাদ যায়, তাহলে হয়রানি ছাড়া আর কিছুই হচ্ছে না । বারবার জেলা প্রশাসনকে জানিয়েও জীবিতের খাতায় নাম তুলতে পারিনি।"
সংশ্লিষ্ট এলাকার বিএলও বীরেন ওঁরাও বলেন, "এই পরিস্থিতিতে আমার কিছু করার নেই। বিগত নির্বাচনের সময়গুলিতে এই এলাকার বিএলওকে ছিল তাও বলতে পারব না।" যদিও এই প্রসঙ্গে মালদার জেলাশাসক প্রীতি গোয়েল অবশ্য কোনও মন্তব্য করতে চাননি।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us