/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/01/election-commission-2025-08-01-14-25-26.jpg)
Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের সদর কার্যালয়।
ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন বা এসআইআর (SIR) পর্বের খসড়া তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার সেই এসআইআর প্রক্রিয়াকে আরও গতিশীল ও স্বচ্ছ করতে ভোটারদের বিভিন্ন তথ্য ও নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে কড়া সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দিল নির্বাচন কমিশন।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এসআইআর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ভোটারদের পরিচয়, ঠিকানা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি যাচাই করা হবে। এই কাজে বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলও-দের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। ভোটারদের জমা দেওয়া যাবতীয় নথি নির্দিষ্ট একটি অ্যাপের মাধ্যমে আপলোড করতে হবে বিএলও-দের। এরপর সেই নথি জেলা নির্বাচন আধিকারিক বা ডিইও তথা জেলা শাসকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে যাচাইয়ের জন্য।
আরও পড়ুন- ভিন রাজ্যে কাজে গিয়ে বাংলাদেশি সন্দেহে পিটিয়ে খুন বাংলার শ্রমিককে, তোলপাড় ফেলা ঘটনায় হুলস্থূল
নথি যাচাইয়ের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে, কোনও দপ্তরই সময় নষ্ট করতে পারবে না। নথি আপলোড হওয়ার পর সর্বোচ্চ পাঁচ দিনের মধ্যেই যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন করতে হবে। অর্থাৎ ভোটার সংক্রান্ত নথি হাতে পাওয়ার পাঁচ দিনের মধ্যেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে যাচাই করে রিপোর্ট জমা দিতে হবে নির্বাচন দপ্তরের কাছে।
সূত্রের খবর, যদি কোনও ভোটারের নথি ভিনরাজ্যের সঙ্গে যুক্ত হয়, সে ক্ষেত্রে ওই রাজ্যের সংশ্লিষ্ট কর্তব্যরত আধিকারিকদের কাছে সেই নথি পাঠিয়ে দেওয়া হবে। সেখান থেকেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই যাচাইয়ের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। এর ফলে ভুয়ো ভোটার, দ্বৈত ভোটার বা ভুল তথ্যের অভিযোগ দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হবে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন।
SIR পর্বে ভোটারদের নথি যাচাইয়ের এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয়েছে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই তৃণমূলের একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন দপ্তরে গিয়ে নির্বাচনী আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করেছে। ওই প্রতিনিধি দল ভোটারদের নথি যাচাই প্রক্রিয়া নিয়ে দলের অবস্থান এবং সম্ভাব্য আশঙ্কার বিষয়গুলি নির্বাচন দপ্তরের সামনে তুলে ধরেছে।
তৃণমূলের তরফে দাবি করা হয়েছে, নথি যাচাইয়ের নামে যাতে সাধারণ ভোটাররা হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়টি নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়াটি যেন স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে পরিচালিত হয়, সেই দাবিও জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, তারা কোনওভাবেই এই প্রক্রিয়াকে দীর্ঘসূত্রিতায় ফেলতে চাইছে না। তাই স্পষ্টভাবে পাঁচ দিনের মধ্যেই নথি যাচাইয়ের কাজ শেষ করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। কমিশনের মতে, দ্রুত যাচাই সম্পন্ন হলে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পথও আরও মসৃণ হবে।
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us