বড় খবর

দুর্গাপুরে জল সংরক্ষণে মুখ্যমন্ত্রীর জল প্রকল্পের ছায়া

দুর্গাপুরে ৪ নং বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর ব্যুরো অফিসের কাউন্সিলরদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জল সংরক্ষণ’ এবং ‘সবুজের অভিযান’ প্রকল্পের আদলে একটি জল সংরক্ষণ প্রকল্প উদ্বোধন করেন

দুর্গাপুরে ৪ নং বোরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বোরো অফিসের কাউন্সিলরদের নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর ‘জল সংরক্ষণ’ এবং ‘সবুজের অভিযান’ প্রকল্পের আদলে একটি জল সংরক্ষণ প্রকল্প উদ্বোধন করেন। এই প্রকল্পে তাঁদের হাতে একটি করে গাছ এবং জলের কলের ট্যাপ তুলে দেওয়া হয়। এলাকায় অবাধে জল পড়ে যাওয়ায় যে অপচয় হচ্ছে তা আটকাতে কলের ট্যাপ বিলির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানানো হয়। দুর্গাপুরের মূলত ২৮, ২৯, ৪২, ৪৩ নং ওয়ার্ডে বিপুল পরিমাণেই জল অপচয় হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। সেখানে জল সংরক্ষণ করার জন্য নয়া উদ্যোগ নেওয়া হল চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফে।

তবে কাউন্সিলরদের শুধু দায়িত্ব দিয়েই ক্ষান্ত হননি দুর্গাপুরের ৪ নং বোরো চেয়ারম্যান। এলাকা পরিদর্শন করে তবেই কল লাগানোর নির্দেশ দেন চন্দ্রশেখরবাবু। প্রসঙ্গত, ১২ জুলাই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী জল বাঁচানোর আর্জি জানিয়ে মহানগরের পথে হেঁটে জল সংরক্ষণ করার নির্দেশ দেন রাজ্যবাসীকে। সেই ভাবনা থেকেই এই পদক্ষেপ নিতে চলেছেন দুর্গাপুরের ৪ নং বোরো চেয়ারম্যান।

অবাধে পড়ে যাচ্ছে জল। ছবি- অনির্বাণ কর্মকার

তবে এলাকাবাসীদের অভিযোগ, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশের পরও এখনও দুর্গাপুর এলাকার অনেক জায়গায় ট্যাপবিহীন কল থাকায় অপচয় হচ্ছে জল। সেই প্রসঙ্গে চেয়রাম্যানের বক্তব্য, “একটা গাফিলতি রয়েছে। সেটা আমাদেরও যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে নাগরিকদের মধ্যেও। জনসংযোগ ঠিক মতো হচ্ছে না। দুর্গাপুর পুরসভার সঙ্গে ঠিক মতো কথাবার্তা না হওয়ায় একটা খামতি থেকে যাচ্ছে। আমরা চেষ্টা করছি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এই অপচয় বন্ধ করার”। তবে গরমকালে যেখানে রীতিমতো জলের আকাল পড়ে যায় সেই জায়গায় এহেন জলের অপচয়ে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

Get the latest Bengali news and Westbengal news here. You can also read all the Westbengal news by following us on Twitter, Facebook and Telegram.

Web Title: Water saving problem in durgapur municipality

Next Story
তিন মাসেই ভগ্নপ্রায় তিস্তার বাঁধ, আতঙ্কে উত্তরবঙ্গের লক্ষাধিক মানুষteesta dam
The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com