/indian-express-bangla/media/media_files/2026/01/24/west-bengal-dgp-appointment-rajiv-kumar-upsc-deadlock-2026-01-24-18-03-58.jpg)
রাজ্যে ডিজিপি নিয়োগ নিয়ে ফের নতুন বিতর্ক
Rajiv kumar: আগামী ৩১শে জানুয়ারি রাজ্য পুলিশের ভারপ্রাপ্ত ডিজি রাজীব কুমারের কর্মজীবনের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। তাঁর চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির কোনো সরকারি ঘোষণা এখনো হয়নি। এই ধোঁয়াশার মধ্যেই রাজ্যের পরবর্তী স্থায়ী ডিজি পদের জন্য নবান্ন যে তালিকা পাঠিয়েছে, তাতে রাজীব কুমারের নাম থাকা নিয়ে প্রশাসনিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
রাতারাতি ভোলবদল! মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের ‘পথসাথী মোটেল’ এবার থানায় রূপান্তর, তুঙ্গে রাজনৈতিক বিতর্ক
রাজ্য পুলিশের ডিজিপি নিয়োগ নিয়ে ফের তৈরি হয়েছে নতুন করে জটিলতা। রাজ্য সরকার আবারও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি রাজীব কুমারের নাম প্রস্তাবিত তালিকায় রেখেছে। যাকে কেন্দ্র করেই শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ইউপিএসসি-র আপত্তি ও প্রক্রিয়াগত জটিলতা সত্ত্বেও এই পদক্ষেপ ঘিরে প্রশাসনিক মহলে নতুন করে বিতর্ক দানা বেধেছে।
‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’-তে কত নাম বাদ? সুপ্রিম নির্দেশের পর আজই তালিকা প্রকাশ কমিশনের?
গত দু’বছর ধরে রাজ্যে ভারপ্রাপ্ত ডিজিপি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রাজীব কুমার। তবে তাঁর চাকুরির মেয়াদ আগামী ৩১ জানুয়ারি। সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক প্রকাশ সিং মামলার রায় অনুযায়ী, কোনও রাজ্যে ডিজিপি পদে শূন্যতা তৈরি হওয়ার অন্তত তিন মাস আগে রাজ্য সরকারকে ইউপিএসসি-র কাছে উপযুক্ত প্রার্থীদের একটি প্যানেল পাঠাতে হয়।
সূত্রের খবর, গত ২১ জানুয়ারি নবান্ন থেকে আটজন আইপিএস আধিকারিকের নামের একটি তালিকা ইউপিএসসি-র কাছে পাঠিয়েছে। এই তালিকায় রাজীব কুমারের নাম থাকায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। কারণ, এখনও পর্যন্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে তাঁর চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর কোনও আনুষ্ঠানিক অনুমোদন মেলেনি।
ফের SIR নিয়ে কমিশনকে নিশানা, আরও বেপরোয়া তৃণমূল বিধায়ক মনিরুল ইসলাম
এই নিয়ে গত অক্টোবরে অনুষ্ঠিত ইউপিএসসি-র ‘এমপ্যানেলমেন্ট কমিটি’-র বৈঠকেও মতবিরোধ দেখা যায়। রাজ্য সরকারের বিলম্বিত প্রস্তাব পাঠানো নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরিস্থিতি স্পষ্ট করতে ইউপিএসসি অ্যাটর্নি জেনারেলের মতামত চায়। অ্যাটর্নি জেনারেল স্পষ্টভাবে জানান, রাজ্য সরকারের এই 'বিলম্ব' একটি গুরুতর বিষয় এবং ইউপিএসসি-র নিয়মে এমন দীর্ঘ সময়সীমা লঙ্ঘন উপেক্ষা করার কোনও সুযোগ নেই।
এই মতামতের পর ইউপিএসসি রাজ্য সরকারকে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার পরামর্শ দিলেও, রাজ্য সেই পথে না গিয়ে দশ জনের বদলে আট জনের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা ফের জমা দেয়। সেই তালিকাতেও রাজীব কুমারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের দাবি।
প্রশাসনিক বিশেষজ্ঞদের মতে, অবসরের মুখে কোনও আধিকারিককে, মেয়াদ বাড়ানোর পূর্বানুমোদন ছাড়া ডিজিপি পদে নিয়োগ করা প্রচলিত নিয়মের পরিপন্থী। ২০২৩ সালে মনোজ মালব্যের অবসরের পর তিন মাসের নিয়ম এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনাও বর্তমান সংঘাতকে আরও প্রকট করেছে বলে মত প্রশাসনিক মহলের।
৩১ জানুয়ারির সময়সীমা দ্রুত এগিয়ে আসায় এখন নজর রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তের দিকে। শেষ মুহূর্তে রাজীব কুমারের মেয়াদ বাড়ানো হবে, নাকি তালিকাভুক্ত বাকি সাতজনের মধ্য থেকে নতুন ডিজিপি নিয়োগ করতে বাধ্য হবে রাজ্য তা নিয়েই প্রশাসনের অন্দরে জোর জল্পনা চলছে।
লেপ-কম্বল কি এবার সত্যিই আলমারিতে? রবিবার থেকেই আবহাওয়ায় বড় চমক!


/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us