বাংলার পাঁচ জেলার এই ৯ শহরে সোনার খনির সন্ধান! উচ্ছ্বাসে ফুটছে বঙ্গবাসী

কেন্দ্রের দেওয়া তথ্যে জানানো হয়েছে, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দার্জিলিং, কালিম্পং ও পশ্চিম মেদিনীপুর,এই জেলাগুলিতে সবচেয়ে বেশি খনিজ অনুসন্ধান চালানো হয়েছে।

কেন্দ্রের দেওয়া তথ্যে জানানো হয়েছে, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দার্জিলিং, কালিম্পং ও পশ্চিম মেদিনীপুর,এই জেলাগুলিতে সবচেয়ে বেশি খনিজ অনুসন্ধান চালানো হয়েছে।

author-image
IE Bangla Web Desk
আপডেট করা হয়েছে
New Update
cats

সোনার বাংলায় এবার 'আসল সোনার' সন্ধান!

রাজ্যসভায় পশ্চিমবঙ্গে খনিজ সমীক্ষা ও মূল্যায়ন সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পেশ করল কেন্দ্রীয় সরকার। বিজেপি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে কেন্দ্রীয় কয়লা ও খনি মন্ত্রী জি কিষান রেড্ডি জানান, গত পাঁচ বছরে পশ্চিমবঙ্গে মোট ৩৮টি খনিজ অনুসন্ধান প্রকল্প পরিচালনা করেছে জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI)।

Advertisment

মন্ত্রী আরও জানান, এই ৩৮টি প্রকল্পের মধ্যে ৭টি সাধারণ অনুসন্ধান বা G3 পর্যায়ের এবং ৩১টি প্রাথমিক অনুসন্ধান বা G4 পর্যায়ের। পাশাপাশি, খনি মন্ত্রকের অধীন ন্যাশনাল মিনারেল এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ট্রাস্ট (NMEDT)-এর অর্থায়নে গত পাঁচ বছরে রাজ্যে আরও চারটি খনিজ অনুসন্ধান প্রকল্প অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি G3 পর্যায়ের এবং তিনটি G4 পর্যায়ের প্রকল্প।কেন্দ্রের দেওয়া তথ্যে জানানো হয়েছে, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, দার্জিলিং, কালিম্পং ও পশ্চিম মেদিনীপুর,এই জেলাগুলিতে সবচেয়ে বেশি খনিজ অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। অনুসন্ধানে যে খনিজগুলির সন্ধান মিলেছে, তার মধ্যে রয়েছে সোনা, তামা, সিসা, দস্তা, টাংস্টেন, টিন, ম্যাঙ্গানিজ, গ্রাফাইট, ক্রোমিয়াম, নিকেল, ভ্যানাডিয়াম, টাইটানিয়াম, কয়লা এবং রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস (REE)। পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া জেলায় বিশেষভাবে সোনা, REE ও গ্রাফাইটের সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, খনিজ ব্লকগুলির আর্থিক ও প্রযুক্তিগত সম্ভাব্যতা মূল্যায়নের বিষয়টি সাধারণত নিলামের পর শুরু হয়। নিলামের আগে কোনও নির্দিষ্ট feasibility বা economic viability রিপোর্ট কেন্দ্রীয়ভাবে তৈরি করা হয় না। নিলামের পরে নির্বাচিত সংস্থাগুলিই F1, F2, F3 এবং E1, E2, E3 ক্যাটেগরিতে সমীক্ষা চালায়।তবে পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে এখনও পর্যন্ত কোনও বড় খনিজ ব্লকের নিলাম সম্পন্ন হয়নি বলে সংসদে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে। ফলে রাজ্যে খনিজ সম্পদের feasibility বা অর্থনৈতিক কার্যকারিতা সংক্রান্ত চূড়ান্ত মূল্যায়ন এখনও শুরু হয়নি।কেন্দ্রের এই তথ্য প্রকাশের পর রাজ্যে খনিজ সম্পদ, ভবিষ্যৎ শিল্পায়ন ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ও শিল্পমহলের একাংশ।

এদিকে এবিষয়ে একটি ফেসবুক পোস্টে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ লিখেছেন, "আমার জন্মভূমি বাঁকুড়া জেলার গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের ছোট্ট গ্রাম দুর্লভপুর। শুধু বড় নেতা হলেও হয় না নিজের ব্লকে, নিজের গ্রামে কি আছে সেটাও সার্ভে করে জেনে নিতে হয়। আমি অনেকদিন আগে এটা সার্ভে করার জন্য দিয়েছিলাম আজ তার সাধ পেলাম। আজ সত্যিই গর্বে বুকটা ভরে যাচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকারের সাম্প্রতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে আমাদের এই দুর্লভপুর গ্রামে সোনা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে"। 

publive-image

তিনি আরও লিখেছেন,"ভাবতেই অবাক লাগে !! যে গ্রামে আমার শৈশব, স্মৃতি আর শিকড় - সেই গ্রাম আজ দেশের মানচিত্রে সম্ভাবনার নতুন আলো হয়ে উঠছে।ছোট্ট, শান্ত, মাটির গন্ধমাখা এই দুর্লভপুর আজ প্রমাণ করে দিল - গ্রামের পরিচয় শুধু সাধারণতায় সীমাবদ্ধ নয়, এখানেও লুকিয়ে থাকে অমূল্য সম্পদ, অপার সম্ভাবনা ও গৌরবের ইতিহাস। আমি গভীরভাবে বিশ্বাস করি - এ সবই মা সারদা ও বাবা ষাঁড়েশ্বরের আশীর্বাদ। তাঁদের কৃপায় আমার জন্মভূমি আজ সম্মানের আসনে, জাতীয় স্তরে স্বীকৃতির পথে। দুর্লভপুর শুধু আমার গ্রাম নয়,এ আমার অহংকার, আমার শিকড়, আমার আত্মপরিচয়। গর্ব হয় দুর্লভপুরের সন্তান হয়ে।গর্ব হয় গঙ্গাজলঘাটি ব্লকের মানুষ হয়ে। গর্ব হয় বাঁকুড়া জেলার সন্তান হয়ে"।

আরও পড়ুন- খসড়া তালিকায় ৫৮কোটি নাম বাদ, আসরে অভিষেক, বিজেপিকে এবার সরাসরি চ্যালেঞ্জ

 মা ক্যান্টিনে মমতার অপ্রত্যাশিত উপস্থিতি, ক্ষুধার্তদের হাতে তুলে দিলেন খাবার

SIR আবহে তোলপাড়! ভারতেও ভোট, বাংলাদেশের তালিকাতেও নাম! মেমারিতে অভিযোগের ঝড়

publive-image

Gold West Bengal Soumitra Khan