/indian-express-bangla/media/media_files/2025/07/27/nanur-girl-murder-mamata-visit-controversy-2025-07-27-14-46-45.jpg)
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরগরম রাজনীতি, এর মাঝেই সীমান্তবর্তী কোচবিহারে জনসভা মমতা, কী বার্তা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী?
West Bengal News Updates: সোমবার কোচবিহারে প্রশাসনিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সীমান্তবর্তী কোচবিহার শহরের রাসমেলা ময়দানে রাজনৈতিক জনসভা করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো। SIR আবহে মতুয়া অধ্যুষিত বনগাঁয় পদযাত্রা ও জনসভা করেন মমতা। এরপর সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মালদহ ও মুর্শিদাবাদেও জন সভা করেছেন তিনি। এবার আজ কোচবিহারের জন সভা থেকে কি বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।
আরও পড়ুন- ভোটের আগে বিজেপির 'বিরাট চালাকি', হাতে নাতে ধরলেন মহুয়া, পালটা নিশানায় তোলপাড়
মুখ্যমন্ত্রী সোমবার দুপুরে কোচবিহার জেলার দুই দিনের সফরের সূচনা করেন এবং রবীন্দ্র ভবনে প্রশাসনিক পর্যালোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন। সেখানে তিনি SIR-এর সময় ও উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “সবকিছু এত তাড়াহুড়ো করে কেন করতে হবে? শেষবার এই প্রক্রিয়ায় দুই বছর লেগেছিল। আমি বুঝতে পারছি না, একটি নিরপেক্ষ কমিশন কীভাবে পক্ষপাতিত্বপূর্ণ কাজ করতে পারে? নিরপেক্ষতা কোথায়? এ ধরনের কাজ গণতন্ত্রকে দুর্বল করে।”
মমতা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের কয়েক মাস আগে SIR পরিচালনার মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, “আমি জানি বিএলও এবং বিএলএরা চাপের মধ্যে কাজ করছেন। এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে উন্নয়নকে আটকে দেওয়ার জন্য। কিন্তু উন্নয়ন একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। এভাবে বাংলার উন্নয়নকে আটকে রাখা যাবে না।”
আরও পড়ুন- ৭.৬ মাত্রার শক্তিশালী কম্পনে কেঁপে উঠল জাপান, দেশ জুড়ে জারি সুনামি সতর্কতা
মমতা আরও বলেন, SIR প্রক্রিয়ায় যুক্ত সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে কেউ কেউ চাপ সহ্য করতে পারছেন না। অনেক বিএলও মারা গিয়েছেন, আবার কেউ কেউ অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন আছেন। “তারা মানুষ, তাদের দিকটাকেও গুরুত্ব দিতে হবে,”। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের আগে রাজ্যের সাধারণ মানুষকে প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টেশনের জন্য সাহায্য করতে রাজ্য সরকার ১২ ডিসেম্বর থেকে “মে আই হেল্প ইউ” ক্যাম্প চালু করবে বলে ঘোষণা করেন মমতা।
কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সরব হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “অসমের কোনো কর্তৃপক্ষ বাংলার বাসিন্দাদের নোটিস পাঠাতে পারবে না। আমি এই রাজ্যে কোনো ডিটেনশন ক্যাম্প কখনোই অনুমোদন করব না। আজকাল বাঙালি ভাষাভাষী মানুষদের বাংলাদেশি বলে টার্গেট করা হচ্ছে এবং নির্যাতন করা হচ্ছে। এটা চলতে পারে না।” ওয়াকফ সংশোধনী কেন্দ্রীয় আইন কার্যকর হলেও তাঁর সরকার ধর্মীয় জমি বাজেয়াপ্ত করার বিরোধী। তিনি বলেন, “কবরস্থান ও মসজিদ উন্নয়নের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা মাসিক ভাতা পান। আমরা কাউকে জমি ছিনিয়ে নিতে দেব না।”
আরও পড়ুন-ইন্ডিগো বিভ্রাটের জের, সংকটে হাজার হাজার যাত্রী, কোন যুক্তিতে হস্তক্ষেপে অস্বীকার সুপ্রিম কোর্টের?
অনুপ্রবেশ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রী বিএসএফেরও সমালোচনা করেন এবং সম্প্রতি সোনালি বিবি ও তার সন্তানকে বাংলাদেশে পুশ ব্যাকের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, “বিএসএফ তাদের জোর করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে, যদিও তারা ভারতীয় নাগরিক। আমি রাজ্য পুলিশকে সতর্ক থাকার এবং এমন ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।”
আরও পড়ুন-মহম্মদ আলি জিন্নার সঙ্গে তুলনা টানলেন হুমায়ুনের, “মৌলবাদী উগ্রতার প্রকাশ”, বিস্ফোরক শুভেন্দু
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us