/indian-express-bangla/media/media_files/2025/11/04/sir-start-2025-11-04-12-51-45.jpg)
West Bengal SIR 2025: এক কোটির বেশি ভোটারকে ডাকা হতে পারে যাচাই পর্বে
West Bengal SIR: পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এর প্রথম ধাপ শেষ হয়েছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৬ ডিসেম্বর রাজ্যের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ওই খসড়া তালিকা প্রকাশের পর যাঁরা ২০০২ সালের ভোটার তালিকার সঙ্গে নিজেদের নামের যোগসূত্র প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন, তাঁদের যাচাইয়ের জন্য ডাকা হবে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, খসড়া ভোটার তালিকায় কারও নাম না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ভারতীয় নাগরিকত্ব এবং ভোটার হওয়ার যোগ্যতা প্রমাণ করতে নির্দিষ্ট নথি জমা দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মোট ১১ ধরনের নথি গ্রহণযোগ্য হবে। এর মধ্যে রয়েছে, রাজ্য বা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মী বা পেনশনভোগীদের পরিচয়পত্র, ১৯৮৭ সালের আগে ডাকঘর, ব্যাঙ্ক, LIC বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ প্রদত্ত নথি, জন্ম শংসাপত্র, পাসপোর্ট, মাধ্যমিক বা অন্য যে কোনও শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র, রাজ্য সরকারের অধীন কোনও সংস্থার দেওয়া আবাসিক শংসাপত্র, বনাধিকার শংসাপত্র, জাতিগত শংসাপত্র, ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস (শুধুমাত্র অসমের ক্ষেত্রে), স্থানীয় প্রশাসনের পারিবারিক নথি এবং সরকারের দেওয়া জমি বা বাড়ি বরাদ্দের শংসাপত্র। তবে আধার কার্ড একমাত্র পরিচয়পত্র হিসেবে গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
যদি খসড়া ভোটার তালিকায় কারও নাম না থাকে এবং তাঁকে যাচাইয়ের জন্যও ডাকা না হয়, সে ক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিকে ফর্ম ৬-এর সঙ্গে সংযুক্ত অ্যানেক্সার-৪ পূরণ করে নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত করতে হবে। এদিকে, কারও নাম যদি ২০০২ সালের SIR ভোটার তালিকায় থাকে, তবুও যাচাইয়ের জন্য ডাকা হতে পারে কি না, এই প্রশ্নে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, বিষয়টি সংশ্লিষ্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসারের বিবেচনাধীন।
ভুয়ো নথি জমা দিলে কী শাস্তি হতে পারে, সে বিষয়েও সতর্ক করেছে কমিশন। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৩৭ ধারায় নথি জাল করলে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানার বিধান রয়েছে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, জমা পড়া প্রতিটি ফর্ম বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে খতিয়ে দেখা হবে। ভোটারের দেওয়া সমস্ত তথ্য বিশ্লেষণ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে যাচাইয়ের জন্য ডাকা হবে কি না। আগে প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে দিনে সর্বোচ্চ ৫০টি শুনানির সীমা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রয়োজনে সেই সংখ্যা ১০০-রও বেশি বাড়ানো হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের এক শীর্ষ আধিকারিক।
আরও পড়ুন-পারল না কলকাতা, করে দেখালো হায়দ্রাবাদ, একান্ত সাক্ষাতে মেসিকে কি বার্তা দিলেন রাহুল গান্ধী?
আরও পড়ুন-বিশৃঙ্খলার ঘটনায় মুখ খুললেন ক্রিড়ামন্ত্রী, কড়া বিবৃতি AIFF-এর
আরও পড়ুন-'বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হবে', SIR আতঙ্কে আত্মঘাতী, খসড়া তালিকা প্রকাশের আগে বাংলায় তোলপাড়
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us