West Bengal SIR: SIR চলাকালীন সামনে এল ভয়ঙ্কর তথ্য, বাদ যেতে পারে ৩৫ লক্ষ নাম, বিস্ফোরক তথ্যে তুমুল চাঞ্চল্য

West Bengal SIR: রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-এর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ভোটার তালিকায় থাকা মোট ৭.৬৬ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬.৭৩ কোটি ভোটারের তথ্য অর্থাৎ প্রায় ৮৮ শতাংশ ডিজিটাইজ করা হয়েছে।

West Bengal SIR: রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-এর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ভোটার তালিকায় থাকা মোট ৭.৬৬ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬.৭৩ কোটি ভোটারের তথ্য অর্থাৎ প্রায় ৮৮ শতাংশ ডিজিটাইজ করা হয়েছে।

author-image
IE Bangla Web Desk
New Update
SIR form extension,  Election Commission West Bengal  ,Sex workers enumeration issue  ,Sonagachi special camp,  Voter list revision  ,Enumeration form problems  ,CEO West Bengal  ,Sex worker rights  ,SIR process assistance  ,Enumeration camp Kolkata,এসআইআর ফর্ম জমার সময় বাড়ল  ,নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গ,  যৌনকর্মীদের এনুমারেশন সমস্যা  ,সোনাগাছি বিশেষ শিবির,  ভোটার তালিকা সংশোধন  ,এনুমারেশন ফর্ম সহায়তা,  যৌনপল্লীর বাসিন্দাদের সমস্যা  ,সিইও পশ্চিমবঙ্গ  ,নির্বাচন শিবির কলকাতা , যৌনকর্মীদের অধিকার

বাংলার ভোটার তালিকায় ৩৫ লক্ষ জাল ভোটার!

West Bengal SIR:  পশ্চিমবঙ্গে চলমান স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়ায় ইতিমধ্যে প্রায় ১৫ লক্ষ ৫৩ হাজার মৃত ভোটারের নাম শনাক্ত হয়েছে। এদিকে, নির্বাচন কমিশন পশ্চিমবঙ্গের ডিরেক্টর জেনারেল অফ পুলিশকে (DGP) নির্দেশ দিয়েছে যে, চলমান SIR প্রক্রিয়ায় যুক্ত বুথ লেভেল অফিসার (BLO) এবং অন্যান্য কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। কলকাতার CEO দপ্তরের সামনে গত সপ্তাহে BLO-দের বিক্ষোভের ঘটনার পর কমিশন কলকাতা পুলিশ কমিশনারের কাছ থেকে এবিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে।

Advertisment

বিরাট বিপাকে কংগ্রেস, রাহুল সোনিয়ার বিরুদ্ধেই দায়ের FIR

রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (CEO)-এর দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত ভোটার তালিকায় থাকা মোট ৭.৬৬ কোটি ভোটারের মধ্যে প্রায় ৬.৭৩ কোটি ভোটারের তথ্য অর্থাৎ প্রায় ৮৮ শতাংশ ডিজিটাইজ করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের মতে, ডিজিটাইজেশন পুরোপুরি শেষ হলে বাদ পড়ার সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। “৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই পুরো চিত্র পরিষ্কার হবে,” বলে জানান CEO দফতরের এক আধিকারিক। রাজ্যে SIR প্রক্রিয়া চলাকালীন সংগ্রহ করা এনিউমারেশন ফর্মের ডিজিটাইজেশনের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ৩৫ লক্ষের বেশি নাম মুছে ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন।

পুলিশ-তৃণমূলের যোগসাজশের পর্দা ফাঁস! বিরাট অভিযোগে তোলপাড় বাংলা

SIR প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা খতিয়ে দেখার সময় ৩৫ লক্ষেরও বেশি সম্ভাব্য 'অযোগ্য এন্ট্রি' চিহ্নিত হয়েছে বলে  জানিয়েছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর। দফতর সূত্রে জানা গেছে, এন্ট্রিগুলির মধ্যে রয়েছে মৃত ভোটারদের নাম, স্থানান্তরিত ভোটার, এবং সম্ভাব্য ডুপ্লিকেট নাম। সর্বশেষ পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, ১৮.৭ লক্ষ মৃত ভোটার, ১১.৮২ লক্ষ স্থানান্তরিত নাম, ৭৭,৫৬০ সম্ভাব্য ডুপ্লিকেট এন্ট্রি, এবং ৩.৮ লক্ষ অনুপস্থিত ভোটার তালিকায় এখনও রয়েছে। কমিশনের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “এই তথ্যগুলি প্রাথমিক পর্যায়ের। কোনও নামই পুরোপুরি হাতে-কলমে যাচাই ছাড়া মুছে ফেলা হবে না"। 

Advertisment

রাতের কলকাতায় বাড়ি ফেরার সময় গাড়িতে তুলে যুবতীর শ্লীলতাহানি, ভয়ঙ্কর অভিযোগে তোলপাড় বাংলা

SIR প্রক্রিয়ার প্রথম ধাপ শেষের পথে। কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২৯ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ১৮.৭০ লক্ষ মৃত ভোটারের নাম এখনও বর্তমান ভোটার তালিকায় রয়েছে। CEO দপ্তর সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়তে পারে এমন ভোটারের নতুন অনুমানিত সংখ্যা বেড়ে হয়েছে প্রায় ৩৫ লক্ষ। এই সংখ্যার মধ্যে মৃত ভোটারদের পাশাপাশি ডুপ্লিকেট ভোটার, অনুপস্থিত ভোটার, এবং রাজ্যের বাইরে স্থায়ীভাবে বসবাসকারীরা অন্তর্ভুক্ত।

‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের’ নাম বাদ না দেওয়ার চক্রান্ত, রাজ্য প্রশাসনকে একহাত নিলেন শুভেন্দু

CEO দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, “এখন পর্যন্ত সংগ্রহ করা এনুমারেশন ফর্মের ৮৮.৫০% ডিজিটাইজড হয়েছে। ডিজিটাইজেশন সম্পূর্ণ হলে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। ৯ ডিসেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর পুরো চিত্র স্পষ্ট হবে।” ২০২৫ সালের ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত রাজ্যে মোট ভোটারের সংখ্যা ৭,৬৬,৩৭,৫২৯। তিন ধাপের SIR প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল ৪ নভেম্বর এবং আগামী বছরের মার্চ মাসের মধ্যে সম্পূর্ণ হওয়ার কথা। এর আগে শেষবার SIR হয়েছিল ২০০২ সালে।

ভয়ঙ্কর অগ্নিকাণ্ড, ঝলসে গেল চারতলা ভবন, মৃত্যু কমপক্ষে চারজনের, শোকে ভাসল গোটা এলাকা

নিয়ম অনুযায়ী, ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় যার নাম বা তার বাবা-মায়ের নাম রয়েছে, তাদের স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৈধ ভোটার হিসেবে গণ্য করা হবে। যাদের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই, তাদের ভোটার হিসেবে থাকতে হলে নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত ১১টি পরিচয়পত্রের যে কোনও একটি জমা দিতে হবে। যদিও আধার কার্ডকে ১২তম নথি হিসেবে রাখা হয়েছে, তবে ECI স্পষ্ট করেছে শুধু আধার কার্ড যথেষ্ট নয়, এর সঙ্গে আরও একটি পরিচয়পত্র জমা দিতে হবে।

West Bengal SIR 2025