/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/16/list-2025-12-16-11-43-59.jpg)
SIR List: প্রতীকী ছবি।
West Bengal voter list: ভোটার হিসাবে ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম নথিভুক্ত ছিল।সদ্য প্রকাশিত খসড়া ভোটার তালিকাতেও নাম রয়েছে।তা সত্ত্বেও ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনীর শুনানীতে তলব করা হলো পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষের তৃণমূল বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের মা,ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রীকে।
নির্বাচন কমিশনের এই তলব ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। নবীনচন্দ্র বাগের দাবি , তিনি তৃণমূলের বিধায়ক বলেই তাঁর পরিবারকে অপদস্ত করতে নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে বিজেপি এই সব করাচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর (SIR) কাজ গত ৪ নভেম্বর থেকে শুরু হয়।বিএলও-রা বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি করেন। সেই ফর্ম পূরণ করে ভোটাররা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট বিএলও-র হাতে দেন। গত ১৬ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের তরফে খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।
যাঁরা এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছেন কিন্তু যাঁদের ম্যাপিং সম্পূর্ণ হয়নি, তাঁদের নোটিস দিয়ে শুনানিতে ডেকে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে কমিশন। আগামী শনিবার থেকে শুনানী পর্ব শুরু হবে।সেই শুনানিতে হাজির থাকার জন্য নির্বাচন কমিশণের তরফে তৃণমূল বিধায়ক নবীনচন্দ্র বাগের মা নন্দরানী বাগ, ভাই বিপিন বাগ এবং ভাইয়ের স্ত্রীকে ইতিমধ্যেই নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে নবীনচন্দ্র বাগ বলেন, "২০০২ সালের খণ্ডঘোষ বিধানসভার ২৯ নম্বর বুথের ভোটার তালিকায় আমার মা নন্দরানী বাগের নাম ৪০৫ ক্রমিক নম্বরে রয়েছে।আর আমার ভাই বিপিন বাগের নাম একই বুথের ৪০৬ ক্রমিক নম্বরে স্পষ্টভাবে রয়েছে। ২৩ বছর আগের ভোটার তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও শুনানিতে হাজির থাকার কথা জানিয়ে আমার মা ও ভাইকে কেন কমিশনের তরফে নোটিস পাঠানো হলো সেটাই বুঝে উঠতে পারছি না।" নবীনচন্দ্র বাগের আশঙ্কা, তিনি তৃণমূলের বিধায়ক বলেই হয়তো বিজেপি নির্বাচন কমিশনকে ব্যবহার করে তাঁর পরিবারকে এইভাবে মানসিক চাপের ফেলছে। নোটিস পাওয়ার পর থেকে তাঁর মা ভীষণ আতঙ্কে রয়েছেন বলে বিধায়ক জানিয়েছেন।
আরও পড়ুন-মোবাইল কেড়ে জোর করে দেহ ব্যবসায়, তারপর? বাংলাদেশি তরুণীর বিস্ফোরক জবানবন্দি ফাঁস
বিজেপির রাজ্য সম্পাদক জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় অবশ্য তৃণমূল বিধায়কের সব অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন। তিনি বলেন, "এটা নিয়ে এত হৈচৈ করার মতো কি আছে জানিনা। শুনানিতে যাঁদের ডাকা হয়েছে তাঁদের নাম হয়তো ভোটার তালিকায় আছে,কিন্তু বিএলও র এ্যাপে নাই।তাঁরা শুনানিতে গিতে তাঁদের সব তথ্য দেখিয়ে দেবেন।তাহলেই তো সব মিটে যাবে। ভারতের নির্বাচন কমিশনে এই রাজ্যের নির্বাচন কমিশনের মতো নয়।"
এই রাজ্যের নির্বাচন কমিশন চলে তৃণমূল কংগ্রেসের কথায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন চলে নিজস্ব নিয়মে। এটা থেকেই বোঝা উচিত, বিজেপির উস্কানিতে কেন্দ্রীর নির্বাচন কমিশন মনোনিত কোন বিএলও রাজ্যের শাসক দলের বিধায়কের পরিবারকে হেনস্তা করতে যাবে না। কোন বিএলও-র ধরে দুটো মাথা আছে যে এ সব করতৈ যাবে!
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us