/indian-express-bangla/media/media_files/2025/12/17/abhishek-banerjee-yuvabharati-incident-messi-row-tmc-statement-2025-12-17-17-34-27.jpg)
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
West Bengal SIR: ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার মধ্যেই পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকায় চিহ্নিত তথাকথিত ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বা তথ্যগত অসঙ্গতির সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগে যেখানে এই অসঙ্গতির সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ৩৬ লক্ষ, সেখানে তা কমে দাঁড়িয়েছে ৯৪ লক্ষ ৪৯ হাজারে। অর্থাৎ, প্রায় ৪১ লক্ষ ৫১ হাজার ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে এই অসঙ্গতির তালিকা থেকে। খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরই এই বিপুল সংখ্যক অসঙ্গতির তথ্য সামনে আসে।
ফের রাজ্যে SIR-এর জেরে মৃত্যু BLO-র! শুনানির নোটিশ পেয়ে মানসিক চাপে রিষড়ায় প্রবীণের মৃত্যতে তোলপাড়
নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যায়, ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’ বলতে ভোটারদের নামের বানানগত ভুল, বয়স সংক্রান্ত অসামঞ্জস্য কিংবা পারিবারিক তথ্যের অমিলের মতো বিষয়গুলিকে বোঝানো হয়। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, এক জন ব্যক্তির সঙ্গে ছয় জন ভোটার যুক্ত থাকার ঘটনা রয়েছে প্রায় ২৩ লক্ষ ক্ষেত্রে। নামের বানানগত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে প্রায় ৫১ লক্ষ ভোটারের ক্ষেত্রে। এছাড়াও, ভোটার ও তাঁদের বাবার বয়সের ফারাক ১৫ বছরের কম এমন ঘটনা রয়েছে প্রায় ৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ক্ষেত্রে, আবার ৫০ বছরের বেশি ফারাক রয়েছে প্রায় ৮ লক্ষ ৪১ হাজার ক্ষেত্রে। ভোটার ও দাদার বয়সের ফারাক সংক্রান্ত অসঙ্গতি ধরা পড়েছে প্রায় ৩ লক্ষ ক্ষেত্রে।
নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের ধারণা, শুনানি প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে এই অসঙ্গতির সংখ্যা আরও কমতে পারে। ইতিমধ্যেই ‘নন-ম্যাপড’ ভোটারদের শুনানি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি, ‘প্রোজেনি ম্যাপিং’ বা বংশানুক্রমিক তথ্য যাচাই সংক্রান্ত ক্ষেত্রেও প্রস্তুতি শুরু করেছে কমিশন। এই শ্রেণিতে পড়ছেন সেই ভোটাররা, যাঁদের ২০২৫ সালের ভোটার তালিকায় পারিবারিক তথ্য রয়েছে, কিন্তু ২০০২ সালের তালিকায় তাঁদের নাম বা তথ্য অনুপস্থিত। সূত্রের দাবি, প্রায় ২৪ লক্ষ ভোটার এই প্রোজেনি ম্যাপিংয়ের আওতায় পড়তে পারেন, যেখানে এমন ঘটনাও রয়েছে যে প্রায় ১০০ জন ভোটারের বাবার নাম এক।
ভোটার তালিকার এই অসঙ্গতির বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি রাজনৈতিক বিতর্কও তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বলেন, কীভাবে একই দিনে খসড়া ভোটার তালিকা ও ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপ্যান্সি’র তালিকা প্রকাশ করা হল। তাঁর অভিযোগ, এই তালিকার কোনও সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি, বরং হোয়াটসঅ্যাপে তা ছড়ানো হয়। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সম্পূর্ণ অসঙ্গতির তালিকা প্রকাশের দাবিতে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে দেখা করা হয় এবং পরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল নয়াদিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গেও একই দাবি তোলে।
সোম থেকেই বঙ্গে পারদ পতন, বইবে প্রবল ঠান্ডার শীতল স্রোত, ফের হাড় কাঁপবে কলকাতার
/indian-express-bangla/media/agency_attachments/2024-07-23t122310686z-short.webp)
Follow Us