/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2023/02/Finance-Minister-Nirmala-Sitharaman.jpg)
আদানি ইস্যুতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। মার্কিন সংস্থা হিন্ডেনবার্গ দুর্নীতির অভিযোগ জানানোর পর আদানি এন্টারপ্রাইজেস তার ২০ হাজার কোটি টাকার ফলো-অন পাবলিক অফার (এফপিও) বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে। এর প্রেক্ষিতেই শনিবার মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন। তিনি জানিয়েছেন, এফপিও আসে। এফপিও যায়। কিন্তু, এমন কোনও একটি ঘটনার দ্বারা ভারতের ভাবমূর্তি প্রভাবিত হয় না। তা আগের মত অক্ষতই থেকে যায়।
মুম্বইয়ে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সীতারামন বলেন, 'আমাদের সমষ্টিগত অর্থনৈতিক মৌলিক বিষয়গুলো, আমাদের অর্থনীতির চিত্র, এর কোনওটিই আদানি-কাণ্ডে প্রভাবিত হয়নি। গত দুই দিনে আমাদের ৮০০ কোটি মার্কিন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বৃদ্ধি দেখাচ্ছে যে ভারত এবং এর অন্তর্নিহিত শক্তি অক্ষুণ্ণ রয়েছে।' সীতারামনের প্রশ্ন, 'কতবার এই দেশ থেকে এফপিও প্রত্যাহার করা হয়নি? কতবার তার জন্য ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে? কতবার এফপিও ফিরে আসেনি?' এই প্রশ্ন করার পর মন্ত্রী বলেন, 'প্রতিটি বাজারেই অস্থিরতা আছে। তবে, গত কয়েক দিনে ভারতের বাজারে এই অস্থিরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। যা এই সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করে যে ভারত এবং এর অন্তর্নিহিত শক্তি উভয়ের উপলব্ধিই অক্ষত।'
অর্থমন্ত্রী জানিয়েছিলেন যে আদানি ইস্যুতে নিয়ন্ত্রকরা তাদের কাজ করবে এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ বোর্ড অফ ইন্ডিয়া (সেবি) এর কাছে বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার উপায় রয়েছে। সীতারামন স্পষ্টই জানিয়েছেন যে নিয়ন্ত্রকরা সরকারের থেকেও স্বাধীন। তিনি বলেন, 'তাদেরকে তাদের নিজেদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। যেটা ঠিক, যা করাটা উপযুক্ত। যা করলে বাজার ভালোভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে, তারা সেগুলো করবে।'
আরও পড়ুন- আমেরিকার আকাশে চিনের বেলুন! নজরদারি চালাচ্ছে জিনপিঙের দেশ? তুমুল শোরগোল
এর মধ্যে অর্থসচিব টিভি সোমানাথন শনিবার এই বিতর্কের বিষয়ে তাঁর নিজের মন্তব্যের পাশেই দাঁড়িয়েছেন। সোমানাথন বলেছেন, আদানি-কাণ্ডে এই বিতর্ক আসলে চায়ের কাপে ঝড় ছাড়া কিছুই নয়। সমষ্টিগত অর্থনৈতিক শর্তাবলি এবং ভারতের সরকারি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর স্থিতিশীলতা নিয়ে তিনি নিশ্চিন্ত। সেকথা বোঝাতে গিয়েই যে এমনটাই বলছেন, তা ফের স্পষ্ট করে দিয়েছেন অর্থসচিব।
Read full story in English