/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/02/modi-759-5.jpg)
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ছবি: টুইটার
West Bengal Lok Sabha Election 2019 LIVE Updates: পশ্চিমবঙ্গে এবার মূলত তৃণমূল বনাম বিজেপির লড়াই হলেও আজ সকলের নজর মালদার ওপর। তার কারণ, আজ জেলার চাঁচলে দুপুর তিনটের সময় সভা করবেন কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী। কলমবাগানের মাঠে এই সভা হবে মালদা উত্তরের কংগ্রেস প্রার্থী ঈশা খান চৌধুরির সমর্থনে। মালদায় এবারের নির্বাচনী সমীকরণ আমূল পাল্টে গেছে কংগ্রেস সাংসদ মৌসম বেনজির নূরের দলবদলের পর। একদা রাহুল গান্ধীর বিশ্বস্ত এই নেত্রী তাঁর পরিবারের চিরকালীন কংগ্রেসী প্রথা ভেঙ্গে আজ তৃণমূলে। বলা বাহুল্য, মালদায় কংগ্রেসের ভোট ভাগ্য নিয়ে কৌতূহল থাকবেই। গণি খান পরিবারের আধিপত্য কি বজায় থাকবে তাঁদের দুর্গে?
লোকসভা ভোটের আরও খবর পড়ুন, এখানে
বঙ্গ রাজনীতিতে আপাতত আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হলো, বিধাননগরের মেয়র সব্যসাচী দত্তর রাজনৈতিক ভবিষ্যত। গেরুয়া শিবিরের প্রতি তাঁর আপাত সমর্থন নিয়ে তাঁর কাছে জবাব চাইবে তৃণমূল। শুক্রবার এ কথা জানিয়ে দেন উত্তর ২৪ পরগণা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তথা রাজ্যের খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক।
অন্যদিকে, প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই বঙ্গ বিজেপি-র অন্দরে অসন্তোষ বেড়ে চলেছে। 'ঘরের ছেলে' বনাম 'বহিরাগত' বিতর্ক দানা বাধছে বেশ কয়েকটি কেন্দ্র ঘিরে। বসিরহাটে পোস্টার পড়েছে দলীয় প্রার্থী সায়ন্তন বসুর বিরুদ্ধে। স্থানীয় কর্মীদের ক্ষোভ বাড়ছে ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর বা বনগাঁ কেন্দ্র ঘিরেও। বনগাঁয় পোস্টার পড়েছে, 'ঘরের ছেলে না হলে/ ভোট পড়বে অন্য ফুলে'। ইঙ্গিত স্পষ্ট, বিক্ষুব্ধ কর্মীরা প্রয়োজনে পদ্মফুলের বদলে ঘাসফুলও বেছে নিতে পারেন প্রার্থী অপছন্দ হলে। এই প্রেক্ষিতেই আজ কলকাতায় ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের বিজেপি জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন কেন্দ্র এবং রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতারা।
আজ সারাদিনের নির্বাচন সংক্রান্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের লাইভ ব্লগে।
7.30 pm: প্রত্যাশামতই টিকিট পেলেন না বিহারী বাবু তথা পাটনা সাহিব কেন্দ্রের বিক্ষুব্ধ বিজেপি সদস্য এবং প্রাক্তন অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা। তাঁর পরিবর্তে দাঁড়াবেন বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থী, কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ। এছাড়াও বিহারে সামগ্রিকভাবে বিজেপি এবং জনতা দল ১৭ টি করে কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে, এবং বাকি ছ'টি কেন্দ্রে প্রার্থী দেবে লোক জনশক্তি পার্টি।
6.25 pm: তামিল নাড়ুর কৃষকরা এবার সরাসরি হানা দিলেন খোদ সিংহের ডেরায়, অর্থাৎ নরেন্দ্র মোদীর খাস তালুক বারানসীতে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানাচ্ছে, মোদীর লোকসভা কেন্দ্র থেকে এবার মনোনয়নপত্র জমা দেবেন ১১১ জন তামিল কৃষক। তাঁদের নেতা পি আয়াকান্নু, যিনি ২০১৭ সালে দিল্লিতে ১০০ দিনের কৃষক বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, শনিবার পিটিআই-কে জানান, "নির্বাচনী ইশতেহারে ওরা আমাদের দাবি মেনে নিলেই আমরা মনোনয়ন তুলে নিতে রাজি।" বিস্তারিত পড়ুন এখানে
5.15 pm: কথাবার্তা চলছিলই, শেষমেশ আজ আলিপুরে ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে আয়োজিত দলীয় সভায় বিজেপিতে যোগ দিলেন ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পাল। বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরে প্রার্থী করতে মরিয়া হয়ে উঠেছিল বিজেপি। ওই তারকাদের রাজি করাতে, বা তাঁদের পছন্দমত আসন দিতে কালঘাম ছুটেছে নেতৃত্বের। আশা করা যাচ্ছে, আগামী দু-একদিনের মধ্যে ছবিটা আরেকটু পরিষ্কার হবে। অগ্নিমিত্রার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি হাসতে হাসতেই বলেন, "আগে কোন কেন্দ্রে দাঁড়াব সেটা ঠিক হোক, তারপর প্রতিক্রিয়া দেব।"
4.15 pm: কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর মালদায় ঘোষণা, "আমরা ক্ষমতায় এলে তুলে দেব জিএসটি।" ব্যঙ্গের সুরে বিতর্কিত এই ট্যাক্সকে 'গব্বর সিং ট্যাক্স' বলে অভিহিত করেন রাহুল।
4.10 pm: কংগ্রেস সাংসদ মৌসম বেনজির নূরের তৃনমূলে যোগদান প্রসঙ্গে নাম না করে রাহুল বললেন, "এই কেন্দ্র কংগ্রেসের গড়। এই কেন্দ্রে কংগ্রেসের প্রতীকে নির্বাচিত একজন আপনাদের ধোঁকা দিয়ে দলবদল করেছেন। এই ধোঁকা দেওয়াটা মনে রাখুন, ভোটে বুঝিয়ে দিন, প্রতারককে বাংলার মানুষ মেনে নেয় না।"
4.05 pm: পশ্চিমবঙ্গ সরকারকেও একহাত নিয়ে রাহুল বললেন, "বাংলায় কী উন্নয়ন হয়েছে, আপনারা আমার থেকে ভাল জানেন। কৃষকদের জন্য কী করেছে সরকার? যুবসমাজের জন্য কী করেছে? আমরা যে ক'টি রাজ্যে ক্ষমতায় এসেছি, কৃষক ঋণ মকুব করে দিয়েছি।"
LIVE: Congress President Rahul Gandhi addresses public meeting in Malda, West Bengal. #HridMajhareRahulhttps://t.co/UMNvQwclwo
— West Bengal Congress (@INCWestBengal) March 23, 2019
3.45 pm: "এই নির্বাচন আদর্শের লড়াই, একদিকে বিজেপি-আরএসএস, অন্যদিকে কংগ্রেস। নরেন্দ্র মোদী সরকারে থাকাকালীন শুধু অনিল আম্বানি, মেহুল চোকসি আর নীরব মোদীদের চৌকিদারি করে গিয়েছেন। মিথ্যে, দিনরাত শুধু মিথ্যে কথা বলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী।" এমনটাই চাঁচলের জনসভায় বললেন রাহুল গান্ধী। তাঁর আরও বক্তব্য, "আমরা সর্বধর্মের মিলন ঘটানোর চেষ্টা করি, ভ্রাতৃত্বের কথা বলি, ওদিকে বিজেপি ধর্ম এবং ভাষার অজুহাত দিয়ে বিদ্বেষ ছড়ায়।" এছাড়াও কংগ্রেস সভাপতি 'চৌকিদার চোর হ্যায়' স্লোগান তুললেন ফের, এবং ফের রাফাল প্রসঙ্গে অনিল আম্বানিকে তিরিশ হাজার কোটি টাকা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ আনলেন মোদীর বিরুদ্ধে।
3.05 pm: গায়ক তথা বিজেপির আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়র টুইটার পেজের ওপর নজরদারি চালু করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। তাঁর কাছে এই মর্মে শো কজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন এখানে
Massive Crowd At Rally Place of @RahulGandhi
#HridMajhareRahulpic.twitter.com/CvCZ6rsveV— West Bengal Congress (@INCWestBengal) March 23, 2019
2.40 pm: মালদায় রাহুলের সভা শুরুর আগেই চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা, ব্যারিকেড ভাঙল জনতা। হিমশিম পুলিশ। চলছে চেয়ার ছোড়াছুড়ি। কংগ্রেস সভাপতির পূর্ণিয়া থেকে মালদার চাঁচলে সভায় আসার কথা তিনটেয়।
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/03/bjp-pc-e1553332826520.jpg)
2.25 pm: বিদেশ কংগ্রেসের প্রধান স্যাম পিত্রোদা শুক্রবার বালাকোট বিমান হামলা নিয়ে যে প্রশ্ন তুলেছেন, তার প্রেক্ষিতে আজ দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তাঁকে এবং কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। তাঁর কথায়, "কংগ্রেস সভাপতির (রাহুল গান্ধী) দেশকে জানানো উচিত, পুলওয়ামার ওই জঘন্য হামলার মতো ঘটনা কি রোজ রোজ ঘটে? তিনি কাকে সমর্থন করেন? ভারতীয় বায়ুসেনাকে সন্দেহ করাটা কোনও রাজনৈতিক দলের সভাপতির পক্ষে অশোভন।" শাহ আরও দাবি জানান, রাহুল গান্ধীর উচিত, পুলওয়ামার ঘটনায় নিহত জওয়ানদের পরিবারবর্গের কাছে ক্ষমা চাওয়া।
1.30 pm: শেষ মুহূর্তে কোন পরিবর্তন না ঘটলে আগামি ৩ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে লোকসভা ভোটের প্রচার শুরু করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এবং সেই প্রচার শুরু হতে চলেছে ব্রিগেড প্যারেড ময়দান থেকে। বিজেপি-র দলীয় সূত্রে আজ এই খবর জানা গিয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন এখানে
1.00 pm: কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে দুই তৃণমূল নেতার মন্তব্যের বিষয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসারের কাছে রিপোর্ট তলব করল নির্বাচন কমিশন।
রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আবির্ভাব এবং রুট মার্চ শুরু হওয়ার পর থেকেই কিছু তৃণমূল নেতা তোপ দাগতে শুরু করেছেন বাহিনীর বিরুদ্ধে। কোচবিহারের দাপুটে বিধায়ক এবং রাজ্য সরকারের মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য সম্প্রতি প্রচারে গিয়ে স্থানীয় মানুষকে বলেছিলেন, "ক'দিন থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী? মাত্র দুই মাস। তারপর আমরাই থাকব। বাহিনীকে ভয় পাওয়ার কিছু নেই।"
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/03/route_march-partha-paul.jpg)
বাহিনীর বিরুদ্ধে আরও কড়া মন্তব্য করেছেন মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতি। ঘাটালে তৃণমূল প্রার্থী দেব-এর সমর্থনে আয়োজিত এক কর্মীসভায় তিনি প্রকাশ্যে বলেন, "কেন্দ্রীয় বাহিনী বেশি বাড়াবাড়ি করলে ওদের হাত মুচড়ে ভেঙে দিতে হবে।"
দুই নেতার মন্তব্যের ভিডিও ক্লিপিং সম্বলিত অভিযোগ জমা পড়েছিল দিল্লির নির্বাচন কমিশনে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী অফিসার আরিজ আফতাবের কাছে এ ব্যাপারে রিপোর্ট তলব করেছে কমিশন।
12.50 pm: ওড়িশার পুরী লোকসভা কেন্দ্র থেকে বিজেপি-র হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন দলের জাতীয় মুখপাত্র সম্বিৎ পাত্র। বিতর্কিত নানান মন্তব্যের জন্য সাম্প্রতিক অতীতে বহুবার শিরোনামে এসেছেন সম্বিৎ। আগামি ২৩ এপ্রিল পুরী লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন। এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে সম্বিতের মনোনয়ন চমক হিসেবেই ধরা হচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/03/sambit-patra.jpg)
12.40 pm: প্রচারে বেরিয়ে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগে টালিগঞ্জ থানা ঘেরাও করল বিজেপি। বিক্ষোভে হাজির দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী চন্দ্র বসু, হাজির রূপা গঙ্গোপাধ্যায়ও। পাল্টা বিক্ষোভ দেখায় তৃণমূলও। ওদিকে আবার গতকাল থেকে রূপা নিজের অভিনয় জীবনের সম্ভবত সেরা কীর্তির কথা টুইটারে মনে করিয়ে চলেছেন জনসাধারণকে।
Roopa Ganguly : Hard work and dedication for Draupadi's role https://t.co/0lP6HODiwA via @YouTube
— Chowkidar Roopa Ganguly (@RoopaSpeaks) March 22, 2019
12.05 pm: প্রাথমিক প্রার্থী তালিকা ঘোষিত হওয়ার পর থেকেই বঙ্গ বিজেপি-র অন্দরে অসন্তোষ বেড়ে চলেছে। মাত্র তিন সপ্তাহ আগে দলে যোগ দেওয়া নিশীথ প্রামাণিকের নাম কোচবিহারে প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হওয়ার পর গত পরশু তুলকালাম বাঁধে জেলার রাজ্য দফতরে। জেলা সভানেত্রীকে ঘেরাও করা থেকে শুরু করে দলীয় দফতরে ভাঙচুর, কিছুই বাদ যায়নি। সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই প্রার্থী না হতে পারার ক্ষোভে শুক্রবার রাজ্য সহ-সভাপতির পদ ছেড়ে দেন দীর্ঘদিনের বিজেপি নেতা রাজকমল পাঠক।
'ঘরের ছেলে' বনাম 'বহিরাগত' বিতর্ক দানা বাধছে অন্য কয়েকটি কেন্দ্র ঘিরেও। বসিরহাটে পোস্টার পড়েছে দলীয় প্রার্থী সায়ন্তন বসুর বিরুদ্ধে। স্থানীয় কর্মীদের ক্ষোভ বাড়ছে ডায়মন্ড হারবার, যাদবপুর বা বনগাঁ কেন্দ্র ঘিরেও। বনগাঁয় পোস্টার পড়েছে, 'ঘরের ছেলে না হলে/ ভোট পড়বে অন্য ফুলে'। ইঙ্গিত স্পষ্ট, বিক্ষুব্ধ কর্মীরা প্রয়োজনে পদ্মফুলের বদলে ঘাসফুলও বেছে নিতে পারেন প্রার্থী অপছন্দ হলে।
অস্বস্তি এড়াতে 'ড্যামেজ কন্ট্রোল'-এর চেষ্টায় নেমেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বলেছেন, "আমাদের সংগঠিত দল, আলোচনা করে ক্ষোভ-বিক্ষোভের মীমাংসা করা হবে।" দিলীপ যা-ই বলুন, প্রার্থী নিয়ে কর্মীদের ক্ষোভ মেটানো যে বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে বঙ্গের গেরুয়া ব্রিগেডের কাছে, সেটা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট।
11.40 am: পূর্ব দিল্লির রিটার্নিং অফিসারের দপ্তর থেকে দুটি সংবাদপত্রের নামে 'পিএম নরেন্দ্র মোদী' ছবির বিজ্ঞাপন ছাপানোর দায়ে জারি হলো শোকজ নোটিশ। এই নোটিশে বলা হয়েছে, পাতাজোড়া এই বিজ্ঞাপনে রয়েছে রাজনীতির ছোঁয়া, যা কিনা ১০ মার্চ ঘোষিত হওয়া আদর্শ নির্বাচনী আচরণ বিধি (মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট) ভঙ্গ করছে। নোটিশে নাম রয়েছে 'দৈনিক ভাস্কর', 'দৈনিক জাগরণ', লিজেন্ড গ্লোবাল স্টুডিও, ব্লু লোটাস প্রোডাকশন এবং টি-সিরিজের।
/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/03/vivek-oberoi-759.jpeg)
10.35 am: আজ কলকাতায় ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের বিজেপি জেলা নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন কেন্দ্র এবং রাজ্য স্তরের শীর্ষ নেতারা। রাজ্যে নির্বাচনী প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর থেকেই দলের অন্তর্কলহ সামনে এসেছে। তার নিষ্পত্তিই এই বৈঠকের লক্ষ্য বলে জানা গিয়েছে।
10.10 am: মালদায় রাহুল গান্ধীর সভামঞ্চের পিছনে তৈরি হয়েছে অস্থায়ী হেলিপ্যাড, যেখানে বিহারের পূর্ণিয়া থেকে সরাসরি হেলিকপ্টারে এসে অবতরণ করবেন রাহুল। সভায় উপস্থিত থাকবেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র, রাজ্যে দলের ভারপ্রাপ্ত জাতীয় নেতা গৌরব গগৈ, এবং অন্যান্য নির্বাচনী প্রার্থীরা। নির্বাচন ঘোষণার পর এটিই পশ্চিমবঙ্গে রাহুল গান্ধীর প্রথম প্রচার সভা।
সঙ্গে থাকুন, ভরসা রাখুন #BengalWithCongress#HridMajhareRahulpic.twitter.com/0nB3b4yh29
— West Bengal Congress (@INCWestBengal) March 20, 2019
অন্যদিকে শুক্রবার মধ্যরাতের কিছু পরে জাতীয় স্তরে তাদের তৃতীয় প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে বিজেপি। তালিকায় রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, ওড়িশা, আসাম এবং মেঘালয়ের ৩৬ জন প্রার্থীর নাম। অন্ধ্রপ্রদেশে নির্বাচন ১১ এপ্রিল, সে রাজ্যের ২৩ জন প্রার্থী রয়েছেন তালিকায়। এছাড়া মহারাষ্ট্র থেকে ছজন, ওড়িশা থেকে পাঁচ, এবং আসাম ও মেঘালয় থেকে একজন করে প্রার্থী রয়েছেন।