scorecardresearch

বড় খবর

‘অসহায় লাগছে..’, একেনবাবু স্রষ্টার মৃত্যুতে ‘পিতৃহারার যন্ত্রণা’ অনির্বাণের

বুধবারই একেনবাবু স্রষ্টা সুজন দাশগুপ্তর মৃতদেহ উদ্ধার হয় ফ্ল্যাট থেকে।

‘অসহায় লাগছে..’, একেনবাবু স্রষ্টার মৃত্যুতে ‘পিতৃহারার যন্ত্রণা’ অনির্বাণের
'পর্দার একেন' অনির্বাণ চক্রবর্তীর শোকপ্রকাশ।

একেনবাবু স্রষ্টা সুজন দাশগুপ্ত আর নেই! — সংবাদমাধ্যমের কাছ থেকেই খবরটা প্রথম জানতে পারেন পর্দার ‘একেন’ অনির্বাণ চক্রবর্তী। শুনে প্রথমটায় বলেন, “সবকিছু কেমন যেন গুলিয়ে যাচ্ছে…।” যে চরিত্র তাঁকে দর্শকদের কাছে জনপ্রিয়তা এনে দিয়েছে, সেই চরিত্রের স্রষ্টারই কিনা এহেন হঠাৎ চলে যাওয়া! কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না অনির্বাণ।

একেনবাবু অভিনেতা জানালেন, ২-৩ দিন আগেই কথা হয়েছিল। এই তো সামনের ২৪ তারিখেই ওঁর বাড়িতে যাওয়ার কথা হল। কী থেকে কী হয়ে গেল, কিছুই বুঝতে পারছি না। সামনেরল বইমেলাতেই আসলে ওঁর লেখা একেনবাবুর আরেকটা খণ্ড প্রকাশিত হত, সেইজন্যই স্ত্রীকে নিয়ে কলকাতায় এসে থাকছিলেন সুজয়বাবু। মাঝেমধ্যেই কথা হত।

অনির্বাণ চক্রবর্তী এও জানান যে, আমেরিকা থেকেও তাঁকে ফোন করতেন সুজয় দাশগুপ্ত। কলকাতায় এসেও ওই একই নম্বর ব্যবহার করতেন। “মাঝখানে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ছিলেন। তারপর কথাও হয়েছে আমাদের। কেমন যেন একটা অসহায় লাগছে”, যোগ করলেন পর্দার একেন।

[আরও পড়ুন: শাহরুখকে ঘুষি মারতে গিয়ে হাত কেঁপে উঠেছিল জন আব্রাহামের! ফাঁস বিস্ফোরক তথ্য]

প্রসঙ্গত, হাসিখুশি, গোলগাল চেহারার মিষ্টি বাঙালিবাবুর গোয়েন্দাগিরিকে তিনিই পরিচয় করিয়েছিলেন পাঠকদের সঙ্গে। যে একেন এখন বইয়ের পাতা থেকে পর্দায় হাজির হয়েছেন দর্শকদের কাছে। সেই গোয়েন্দার স্রষ্টা সুজন দাশগুপ্তর মৃতদেহ-ই বুধবার সকালে লেখকের কলকাতার ফ্ল্যাট থেকে মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

উল্লেখ্য, ১৯৬৭ সালে কলকাতা থেকে আমেরিকায় পাড়ি দেন সুজন দাশগুপ্ত। তবে মাতৃভাষার টান উপেক্ষা করতে পারেননি। যার জোরে সৃষ্টি হয় ‘একেনবাবু’র মতো গোয়েন্দাচরিত্র। যা বছর দুয়েক ধরে বইয়ের পাতা থেকে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দাপিয়ে এবার বড়পর্দায়।

Stay updated with the latest news headlines and all the latest Entertainment news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Anirban chakraborty mourns on sujan dasguptas sudden demise