২০০৮ সালে আসাম ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলায় এনডিএফবি প্রতিষ্ঠাতা রঞ্জন দইমারিকে যাবজ্জীবন সাজা শোনাল আদালত। দইমারির পাশাপাশি এ মামলায় আরও ৯ দোষীকে যাবজ্জীবন সাজার নির্দেশ দিয়েছে বিশেষ সিবিআই আদালত। দু’দিন আগেই এ ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত করা হয় দইমারিকে।
এ ঘটনার মূল অভিযুক্ত দইমারিকে বাংলাদেশ থেকে গ্রেফতার করা হয়। ২০১০ সালে তাকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ২০১৩ সালে জামিনে মুক্ত হয় দইমারি। এই মামলায় মোট ১৫ জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। পৃথক বোড়োল্যান্ডের দাবিতে সশস্ত্র আন্দোলনকারী সংগঠন এনডিএফবি-কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সন্ত্রাসবাদী সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে।
আরও পড়ুন, আসাম ধারাবাহিক বিস্ফোরণ কাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত দইমারি
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর টি ডি গোস্বামী জানিয়েছিলেন, “মোট দুটি চার্জশিট ছিল। একটি চার্জশিটে ১৯ জনের নাম ছিল, অন্যটিতে ছিল তিনজনের নাম। সাতজন অভিযুক্ত পলাতক, এদের মধ্যে দু’জন সরকারিভাবে মৃত। এই মামলায় আমরা ৬৫০ জন সাক্ষীকে হাজির করেছি এবং ৬৮৭ টি তথ্যপ্রমাণ দিয়েছি।” সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার এন এস যাদব ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছিলেন, “১৫জনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আমরা এদের মৃত্যুদণ্ড দাবি করছি।”
২০০৮ সালের ৩০ অক্টোবর আসামে ১১টি ধারাবাহিক বিস্ফোরণ ঘটে। যে বিস্ফোরণে নিহত হয়েছেন ৮৭ জন। পরে এ ঘটনার তদন্তভার নেয় সিবিআই। দুপুরের আগেই সবকটি বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ফেলা হয়েছিল। প্রথম বিস্ফোরণটি ঘটেছিল আসামের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী তরুণ গগৈয়ের দফতরের ৩০০ মিটার দূরে। একই সময়ে বোমা বিস্ফোরণ হয়েছিল নমনি আসামের কোকরাঝাড়, বঙ্গাইগাঁও ও বরপেটা জেলায়।
Read the full story in English