/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2019/03/nasa-first-woman-spacewalk-mcclain-koch-759.jpg)
অ্যান ম্যাকক্লেইন (বাঁদিকে) এবং ক্রিস্টিনা কখ। ছবি সৌজন্যে: নাসা
নিছকই কাকতালীয়। কিন্তু খবরটা প্রকাশ্যে এল আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আশেপাশেই। মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার পরবর্তী মহাকাশ অভিযান এক্সপেডিশন ৫৯। ইতিহাসে এই প্রথম আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে স্পেস ওয়াক করবেন শুধুমাত্র মহিলা মহাকাশচারীদের একটি দল। নাসার মহাকাশচারী অ্যান ম্যাকক্লেইন এবং ক্রিস্টিনা কখ আগামী ২৯ মার্চ আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে হাঁটবেন। অভিযানে নাসার পাশে থাকছে কানাডীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থার ফ্লাইট কন্ট্রোলার ক্রিস্টেন ফ্যাকিয়ল।
I just found out that I’ll be on console providing support for the FIRST ALL FEMALE SPACEWALK with @AstroAnnimal and @Astro_Christina and I can not contain my excitement!!!! #WomenInSTEM#WomenInEngineering#WomenInSpace
— Kristen Facciol (@kfacciol) March 1, 2019
নাসার তরফে মুখপাত্র স্টিফানি স্কিয়ারহলজ সিএনএনকে জানিয়েছেন, "পরিকল্পিত তিনটি স্পেস ওয়াকের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। প্রথম স্পেস ওয়াকটি হবে ২২ মার্চ। মহাকাশচারী নিক হেগের সঙ্গে প্রথম স্পেস ওয়াকেও থাকছেন অ্যানে ম্যাকক্লেইন।
নাসার ওয়েবসাইট বলছে স্পেস ওয়াকটি হবে ৭ ঘণ্টার।
আরও পড়ুন, আকাশে ইতিহাস; দেশের প্রথম মহিলা ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়র হলেন হিনা জয়সওয়াল
Yes buddy, that’s your Mother Earth. Isn’t she beautiful? pic.twitter.com/qY6KDbAIwb
— Anne McClain (@AstroAnnimal) March 4, 2019
মহাকাশচারী অ্যান ম্যাকক্লেইন এবং ক্রিস্টিনা কোচ দুজনেই নাসার ২০১৩ -এর অ্যাস্ট্রোনট ক্লাসে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন। সে বছর ৬১০০-র বেশি আবেদন জমা পড়েছিল সব মিলিয়ে। প্রশিক্ষিতদের মধ্যে ৫০ শতাংশই ছিলেন মহিলা।
এক্সপেডিশন ৫৮-এর অংশ হিসেবে ম্যাকক্লেইন এই মুহূর্তেও রয়েছেন আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনেই রয়েছেন। এক্সপেডিশন ৫৯ হবে ম্যাকক্লেইনের প্রথম মহাকশ অভিযান। ক্রিস্টিনার আবার এটাই প্রথম স্পেস ফ্লাইট।
নানা কারণে স্পেস ওয়াকের আয়োজন করে থাকে নাসা। কোনোও নতুন বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা নিরীক্ষা, নতুন যন্ত্রপাতির কাজ পরীক্ষা করা, মহাকাশে থাকা কোনোও মহাকাশযান খারাপ হয়ে গেলে সেটিকে ঠিক করার জন্যেও স্পেস ওয়াকের আয়োজন করা হয়।