scorecardresearch

বড় খবর

চিন আর একতরফা ভাবে স্থিতাবস্থা নষ্ট করবে না, আশাবাদী বিদেশমন্ত্রক

বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব আরও বলেছেন, ভারত আশা রাখে যে, চিন একতরফাভাবে আর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় স্থিতাবস্থা বদলের পদক্ষেপ করবে না।

চিন আর একতরফা ভাবে স্থিতাবস্থা নষ্ট করবে না, আশাবাদী বিদেশমন্ত্রক
ছবি: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় সেনা দ্রুত সেনা সরানোর কাজ সম্পূর্ণ করার ব্য়াপারে ভারত-চিন মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে ঐক্য়মত্য়ে পৌঁছেছে দু’দেশ। সীমান্ত জট কাটাতে আরেক ধাপে ইন্দো-চিন কোর কমান্ডার পর্যায়ের বৈঠকের মুখে বৃহস্পতিবার একথা জানাল ভারতীয় বিদেশমন্ত্রক। এদিন এ প্রসঙ্গে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র অনুরাগ শ্রীবাস্তব আরও বলেছেন, ভারত আশা রাখে যে, চিন একতরফাভাবে আর প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় স্থিতাবস্থা বদলের পদক্ষেপ করবে না।

এদিন সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে শ্রীবাস্তব আরও জানান, ” বৈঠকে দু’দেশের মন্ত্রীরা ঐক্য়মত হয়েছেন যে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সমস্ত এলাকা থেকে বাহিনী সম্পূর্ণ সরানো হোক। প্য়াংগং হ্রদ-সহ সমস্ত এলাকায় দ্রুত সেনা সরানোর বিষয়ে ভারতের সঙ্গে গুরুত্ব সহকারে কাজ করুক চিন”।

আরও পড়ুন: চিনের কথায় আর কাজে মিল নেই, সতর্ক করলেন রাজনাথ

উল্লেখ্য়, মে মাসের শুরু থেকে তেতে রয়েছে ভারত-চিন সীমান্ত। একাধিক বৈঠকের পরও রফা মেলেনি। কূটনৈতিক স্তরে আলোচনার মধ্য়েই গত ১৫ জুন গালওয়ানে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মৃত্য়ু হয়েছে ২০ জন ভারতীয় জওয়ানের। চিনের পক্ষেও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে মোদী সরকার। যদিও সে বিষয়ে সরাসরি কোনও তথ্য় দেয়নি বেজিং। এরপর গত ২৯ অগাস্টের পর আবারও নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায়। ৪৫ বছর পর সীমান্তে গুলি চালানোর খবর আসে।

গত সপ্তাহে সীমান্ত সমস্য়া মেটাতে ৫টি রফাসূত্রে উপনীত হন ভারতীয় বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর ও চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। বৈঠকে স্থির হয় যে, বাহিনীরা আলাপ-আলোচনা চালিয়ে যাবে, দ্রুত সেনা সরানো হবে, দূরত্ব বজায় রাখা হবে এবং উত্তেজনা প্রশমন করা হবে।

Read the full story in English

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Stay updated with the latest news headlines and all the latest General news download Indian Express Bengali App.

Web Title: Lac row hope china wont make further attempts to unilaterally change status quo says mea