/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2022/10/Rajnath_Singh.jpg)
রাজনাথ সিং
অধিকৃত কাশ্মীরে নৃশংসতা চালালে যোগ্য জবাব পাবে পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার প্রতিবেশী দেশটিকে খোলাখুলি একথা মনে করিয়ে দিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। পাকিস্তানের পাশাপাশি তাদের মদতপুষ্ট জঙ্গিদেরও একহাত নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, 'সামনে হিন্দু না-মুসলিম, সেটা জঙ্গিরা দেখে না। জঙ্গিরা শুধু ভারতকে নিশানা করে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার চেষ্টা করে।'
হামেশাই খবর আসছে, সীমান্তের ওপর অধিকৃত কাশ্মীরের বাসিন্দাদের ওপর নির্মম অত্যাচার চালাচ্ছে পাকিস্তান। দীর্ঘদিন এনিয়ে কথা হয়েছে। কিন্তু, এবার আর চুপ করে বসে থাকবে না ভারত। স্পষ্ট কথায় সেই কথাই বুঝিয়ি দেলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এই ধরনের অত্যাচার আরও চালালে পাকিস্তানকে তার পরিণতি ভোগ করতে হবে। কিন্তু, তার অর্থ কি ভারত এবার পাকিস্তানে আক্রমণ চালাবে?
Speaking on the occasion of ‘Shaurya Diwas’ in Srinagar
https://t.co/TPNryPblLv— Rajnath Singh (@rajnathsingh) October 27, 2022
কার্যত সেই প্রশ্নই বৃহস্পতিবার উসকে দিয়েছেন রাজনাথ। জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে পদাতিক সেনা দিবস উদযাপনে বক্তৃতা করতে গিয়ে রাজনাথ বলেন, 'আমি পাকিস্তানকে জিজ্ঞেস করতে চাই, আমাদের যে এলাকাগুলো তারা দখল করে রেখেছে, সেখানকার বাসিন্দাদের তারা কতটুকু অধিকার দিয়েছে? একের পর এক অমানবিক ঘটনার জন্য পাকিস্তানই সম্পূর্ণভাবে দায়ী। যে পাকিস্তান আজ অধিকৃত কাশ্মীরে নৃশংসতার বীজ বপন করছে, আগামী দিনে সেই বীজের জন্য তাদেরকে কাঁটার মুখে পড়তে হবে।'
আরও পড়ুন- জল তোলা থেকে নর্দমা পরিষ্কার সবই করছে রোবট, অবাক কাণ্ডে তোলপাড় নেটপাড়া!
বক্তব্যে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী 'তথাকথিত বুদ্ধিজীবীদের'ও একহাত নেন। রাজনাথ বলেন, 'তারা সর্বদা সেনা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর বিরুদ্ধে কথা বলেন। জঙ্গিদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কথা বলেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের দাবি করেন। কিন্তু, এই বুদ্ধিজীবীদেরই মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ কোথায় যায়, যখন আমাদের বাহিনী জঙ্গিদের দ্বারা আক্রান্ত হয়? অথবা জঙ্গিরা সাধারণ জনগণকে আক্রমণ করে? অথবা জঙ্গিরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে নির্মম আচরণ করে, তখন?'
রাজনাথ বলেন, 'সন্ত্রাসবাদের কোনও ধর্ম নেই। কাশ্মীরিয়তের নামে কাশ্মীর জঙ্গিদের যে তাণ্ডব দেখেছে, তা বর্ণনা করা যাবে না। অগণিত প্রাণ হারিয়েছে। অসংখ্য ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে। ধর্মের নামে কত যে রক্ত ঝরেছে, তার কোনও হিসেব নেই। অনেকে সন্ত্রাসবাদকে ধর্মের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু, সন্ত্রাসবাদীদের শিকার ব্যক্তিরা কি কোনও একটি ধর্মের মধ্যে সীমাবদ্ধ? সামনে হিন্দু না মুসলমান আছে, তা দেখে কি জঙ্গিরা কাজ করে? জঙ্গিরা শুধুমাত্র ভারতকে লক্ষ্য করে তাদের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায়।'
Read full story in English