/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2022/10/cats-77.jpg)
ফের ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠলো ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ! সোমবার সকালে শহরের কেন্দ্রস্থলে পরপর তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। কেঁপে ওঠে রাজধানী শহর। প্রাণভয়ে পালাতে থাকেন সাধারণ মানুষজন। সূত্রের খবর ইউক্রেনের অন্যান্য শহরেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে কিয়েভে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
বিস্ফোরণের এক ঘণ্টা আগে ইউক্রেনের রাজধানীতে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। কিয়েভের মেয়র ভিটালি ক্লিটসকো সোশ্যাল মিডিয়ায় বলেছেন, "রাজধানীর কেন্দ্রস্থলে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।" সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ভিডিওতে শহরের অনেক এলাকা থেকে কালো ধোঁয়া উঠতে দেখা গিয়েছে । এর আগে শনিবার ইউক্রেনের ঝাঁপোরিঝিয়ায় রকেট হামলায় ১৭ জন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়। ইউক্রেন প্রশাসন সূত্রে খবর, হামলায় পাঁচটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে এবং একটি অ্যাপার্টমেন্ট ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
#WATCH | Multiple rocket strikes in #Ukrainian capital #Kyiv... Reportedly targeted by #Russians this morning. Earlier #Putin said that #Ukraine's secret services behind #CrimeanBridge blast.#Russia#Ukraine#Kyiv#CrimeaBridge#RussiaUkraine#UkraineRussiapic.twitter.com/1SipY5IXrN
— Vikas Lohchab (@TheVikasLohchab) October 10, 2022
এর আগে, ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি শনিবার বলেন যে পূর্ব ডোনেৎস্ক অঞ্চলে ভয়াবহ যুদ্ধ চলছে। সংবাদ সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, একদিন আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্রিমিয়ার সংযোগকারী কের্চ সেতুতে বিস্ফোরণের জন্য ইউক্রেনকে দায়ী করেন। আর এরপরেই আজ পরপর বিষ্ফোরণে কেঁপে উঠে ইউক্রেনের একাধিক শহর।
আরও পড়ুন: < মর্মান্তিক! শিক্ষকের মারে মৃত্যু পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রের, অভিযোগ ঘিরে হুলস্থূল >
Kyiv area Ukrainian air defenses were active. pic.twitter.com/o4PVVlBUNf
— OSINTtechnical (@Osinttechnical) October 10, 2022
গত শনিবার ইউরোপের দীর্ঘতম সেতুতে বিস্ফোরণের ঘটনায় ইতিমধ্যেই ইউক্রেনকে দায়ি করেন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন। এই সেতুটি রাশিয়াকে ক্রিমিয়ার দখলকৃত অঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত করে রেখেছিল। ক্রেমলিন থেকে কের্চ ব্রিজের মাধ্যমেই দক্ষিণ ইউক্রেনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত রাশিয়া। রিপোর্ট অনুসারে, জানা গিয়েছে একটি বড় বিস্ফোরণের পরে কের্চ ব্রিজের রাস্তার দুটি অংশ ধসে পড়ে। একই সময় জ্বালানি ট্যাঙ্কে আগুন ধরে যায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা কের্চ ব্রিজের ছবি এবং ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। যেখানে ব্রিজ থেকে আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলতে দেখা গিয়েছে। তীব্র বিষ্ফোরণের কারণে সেতুটির ব্যপক ক্ষতি হয়। যদিও সেতুটি চালু হওয়ার পর, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এর নির্মাণকে বেআইনি বলে ঘোষণা করে। শনিবার সকালে ক্রিমিয়ার সঙ্গে রাশিয়ার সংযোগকারী কের্চ সেতুতে ঘটে এই ভয়াবহ বিষ্ফোরণ। ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝে ক্রিমিয়ায় রুশ সেনাদের জন্য সেতুটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেতুর ওপর দিয়ে যাওয়া একটি পণ্যবাহী ট্রেনে আগুন লেগে যায় বলে প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে।