/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2022/03/Akhilesh-Yadav.jpg)
এদিন লোকসভায় গিয়ে স্পিকার ওম বিড়লাকে নিজেদের ইস্তফাপত্র দেন অখিলেশ যাদব।
উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনে প্রবল গেরুয়া ঝড়ের মধ্যেও সমাজবাদী পার্টির শক্ত ঘাঁটি মৈনপুরি জেলার কারহাল আসন অক্ষত রেখেছেন অখিলেশ যাদব। সেইসঙ্গে জেলবন্দি আজম খানও রামপুর থেকে জিতেছেন। দুজনেই সাংসদ পদ থেকে মঙ্গলবার ইস্তফা দিলেন। এদিন লোকসভায় গিয়ে স্পিকার ওম বিড়লাকে নিজেদের ইস্তফাপত্র দেন অখিলেশ যাদব। স্পিকারকে আজম খানের ইস্তফাপত্রও দিয়ে দেন তিনি।
সমাজবাদী পার্টির এক শীর্ষ নেতা দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে জানিয়েছেন, অখিলেশ এবং আজম দুজনেই নিজেদের সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। কারহালের বিধায়ক হিসাবে কাজ করার অঙ্গীকার নিয়েছেন অখিলেশ। একইভাবে আজম খানও রামপুর থেকে বিধায়ক হিসাবে কাজ করবেন।
সম্প্রতি বিধানসভা নির্বাচনে অখিলেশ কারহাল আসন থেকে প্রায় ৬৮ হাজার ভোটে জেতেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এস পি সিং বাঘেলকে তিনি হারিয়েছেন। এটাই প্রথমবার অখিলেশ বিধান পরিষদের বদলে বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নিলেন। এর আগে ২০১২ সালে বিধান পরিষদের মাধ্যমে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হন।
আরও পড়ুন ফিরছে তিন বিতর্কিত কৃষি আইন? জল্পনা বাড়াল সুপ্রিম কোর্টের প্যানেল
অন্যদিকে, রামপুরের সাংসদ আজম খান জেলবন্দি হলেও বিজেপির আকাশ সাক্সেনাকে ৫৫ হাজারের সামান্য বেশি ভোটে হারিয়ে বিধানসভায় জেতেন। অখিলেশ মঙ্গলবার লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে দেখা করে তাঁর ইস্তফাপত্র দেন। এতেই জোরালো ইঙ্গিত যে, তিনি বিধানসভায় বিরোধী দলনেতার ভূমিকা পালন করতে পারেন।
২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে ভোজপুরী সুপারস্টার দীনেশ লাল যাদব নিরাহুয়াকে ৩.৬১ লক্ষ ভোটে হারিয়ে আজমগড় থেকে জেতেন অখিলেশ। এর আগে ২০১৪ সালে তাঁর বাবা মুলায়ম সিং যাদব ওই আসন থেকে জেতেন।