/indian-express-bangla/media/post_attachments/wp-content/uploads/2022/02/chandrima.jpg)
মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য।
গত শুক্রবার পুরভোটের প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিভ্রাট মাথাচাড়া দিতেই দায় গিয়ে পড়েছিল আইপ্যাকের কাঁধে। তারপর তৃণমূল ও আইপ্যাকের মধ্যে নানা কারণে চোরাগোপ্তা চলছিল বলেই গুঞ্জন। এ দিন আবার আইপ্যাককে সরাসরি নিশানা করেন মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। দাবি করেন, তাঁকে না জানিয়েই আইপ্যাকের সদস্যরা তাঁর নামাঙ্কিত টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে দলীয় নীতি সংক্রান্ত পোস্ট করেছেন। যা নিয়ে পাল্টা তৃণমূলকে ট্যাগ করে টুইটে জবাব দিয়েছে ওই সংস্থা।
আইপ্যাকের টুইটার হান্ডলার থেকে শুক্রবার সন্ধ্যার পোস্টে দাবি করা হয়েছে, 'আইপ্যাক সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস বা তার কোনও নেতা-নেত্রীর ডিজিটাল সাইট পরিচালনা করে না। যাঁরা এসব দাবি করছেন তাঁরা হয় অজ্ঞাতাবশত করছেন বা নির্লজ্জভাবে মিথ্যা বলছেন।' টুইটের পরের অংশে লেখা, ' দল ও তার নেতৃত্বের ডিজিটাল সম্পত্তির অপব্যবহার হচ্ছে তা তৃণণূল খতিয়ে দেখুক।'
I-PAC doesn't handle any digital properties of @AITCofficial or any of its leaders. Anyone making such claim is either uninformed or is blatantly lying.
AITC should look into if and how their digital properties and/or that of their leaders are being “allegedly (mis)used”.— I-PAC (@IndianPAC) February 11, 2022
‘এক ব্যক্তি এক পদ’ নিয়ে তৃণমূলের অভ্যন্তরে তুঙ্গে কাজিয়া। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ যুব নেতৃত্ব এই নীতির পক্ষে সোচ্চার। পাল্টা ফিরহাদ হাকিম আবার দলের সিদ্ধান্ত জনসমক্ষে আনার বিরোধিতা করেছেন। সবাইকে দলীয় শৃঙ্খলা মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ দাবির সমর্থনে শুক্রবার পোস্ট হয় মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের টুইটার অ্যাকাউন্টে। ফলে বিতর্ক আরও বাড়ে। এরপরই মন্ত্রীর দাবি, ওই পোস্ট তিনি করেননি। আইপ্যাক করে দিয়েছে।
আরও পড়ুন-শনিবার কালীঘাটে তৃণমূলের বৈঠক ডাকলেন মমতা, শীর্ষ নেতাদের থাকতে নির্দেশ
মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য বলেন, 'ওই টুইটার অ্যাকাউন্টটি আইপ্যাকই তৈরি করেছিল। ওদের লোকই আমার অনুমতি নিয়ে ওই অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করত। কিন্তু এ দিন দলীয় নীতির সমর্থনে যে পোস্টটি করা হয়েছে তা নিয়ে আমার কোনও অনুমতি চাওয়া হয়নি। আমার সম্মতি না নিয়েই এই পোস্ট করেছে আইপ্যাক। এটা অনুচিত কাজ। প্রতিবাদ করছি।'
জল্পনা যে, আইপ্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের গাঁটছড়া প্রায় শেষ। জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে টুইটারে আনফলো করেছে আইপ্যাক। ফলে গুঞ্জন আরও তীব্র হয়েছে। এই অবস্থায় ভোট কৌশলী সংস্থা আইপ্যাকের মমতা ঘনিষ্ঠ মন্ত্রীর দাবি নস্যাৎ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন-দলবদল নয়-মুকুল রায় বিজেপিতেই, বিধায়ক পদ খারিজ মামলায় রায় অধ্যক্ষের