বড় খবর

হৃদরোগে আক্রান্ত যুব বিশ্বকাপার আনোয়ার, জীবন থেকে হারানোর পথে ফুটবল

আনোয়ার হাইপার ট্রপিক কার্ডিওমাইপ্যাথিতে আক্রান্ত। যে রোগে হৃদপিণ্ডের দেওয়াল এতটাই পুরু হয়ে যায় স্বাভাবিক রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয়।

আগেই ধরা পড়েছিল হৃদযন্ত্রে রোগ। এবার জীবনে আর কোনওদিন পায়ে বল ছোঁয়াতে পারবেন কিনা, তা চূড়ান্ত হয়ে যাবে আগামী ১০ দিনে। ফেডারেশনই জানিয়ে দেবে তাঁর ভবিষ্যৎ। যুব বিশ্বকাপে খেলা জাতীয় দলের তারকা আনোয়ার আলি এখন জীবন মরণ সংকটে পড়েছেন।

ফেডারেশন আপাতত আনোয়ার আলির বিষয়টি নিয়ে চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করে চলেছে। এক কর্তা বললেন, “ফেডারেশন অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের মতামত নিচ্ছে। চিকিৎসকদের বক্তব্য শুনেই ফেডারেশন নিজের মতামত জানাবে। এই সিদ্ধান্ত কঠিন হতে চলেছে। কারণ আনোয়ার আলি দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ।”

আরও পড়ুন সৌরভ-মমতার জন্যই ইনভেস্টর প্রাপ্তি, জানালেন দেবব্রত সরকার

জলন্ধরের গ্রামে বেড়ে উঠেছেন আলোয়ার। বিশ্বকাপে ভারতের তিন ম্যাচেই (কলম্বিয়া, ইউএসএ, ঘানা) নজর কেড়েছিলেন টিন এজার তারকা। অনুর্দ্ধ ১৮ ফুটবলার হিসাবে আনোয়ারকে এরপরেই রেকর্ড অর্থে ৩০ লাখে সই করায় মুম্বাই সিটি এফসি।

সেন্টার ব্যাক হিসাবে দ্রুত পরিণত হচ্ছিলেন। সেই কারণেই জাতীয় দলের কোচ ইগর স্টিম্যাচ জাতীয় দলের ক্যাম্পে ডাকেন উঠতি ডিফেন্ডারকে।

কিছুদিন পরেই মুম্বইয়ে চেক আপের সময় ধরা পরে আনোয়ার হাইপার ট্রপিক কার্ডিওমাইপ্যাথিতে আক্রান্ত। যে রোগে হৃদপিণ্ডের দেওয়াল এতটাই পুরু হয়ে যায় স্বাভাবিক রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয়।

এরপরেই মুম্বই সিটি এফসির তরফে যোগাযোগ করা হয় বিখ্যাত কার্ডিওলজিস্টদের সঙ্গে। তাঁরা জানান, এই অবস্থায় খেলা চালিয়ে যাওয়া রীতিমত বিপজ্জনক। শুধু ভারত নয় ফ্রান্সেও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় মুম্বই সিটি এফসির তরফে। তারাও একই কথা জানান। তারপরেই প্ৰশ্নচিহ্ন পড়ে গিয়েছে আনোয়ার আলির ফুটবল কেরিয়ারের উপর।

কৃষক পরিবারের একমাত্র রোজগেরে আনোয়ার। পিতা রাজ্জাক আলী সকলের কাছেই দুয়া প্রার্থনা চাইছেন। ফেডারেশনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা এখন কী রায় দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে দেশের ফুটবল।

Read the full article in ENGLISH

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা এখন টেলিগ্রামে, পড়তে থাকুন

Web Title: Footballer anwar alis father wants dua from everyone

Next Story
আইপিএলে নামার আগেই চিন্তায় কেকেআর, কোচের মুখে সমস্যার কথা
The moderation of comments is automated and not cleared manually by bengali.indianexpress.com