/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/11/mohun-bagan-2-2025-08-11-00-06-59.jpg)
গর্জে উঠলেন মোহনবাগান সমর্থকরা
Mohun Bagan Super Giant: চলতি ডুরান্ড কাপে (Durand Cup 2025) শনিবার (৯ অগাস্ট) এক হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আয়োজন করা হয়েছে। কলকাতার বিবেকানন্দ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এই খেলার আয়োজন করা হয়েছে। খেলতে নেমেছে ডায়মন্ড হারবার এফসি (Diamond Harbour FC) এবং মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট। ইতিমধ্য়ে প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয়ে গিয়েছে। প্রথম ৪৫ মিনিটের শেষে মোহনবাগান আপাতত ২-১ গোলে এগিয়ে রয়েছে। ইতিমধ্যে বাগান গ্যালারিতে বাংলা ভাষার স্বপক্ষে একটি বিশাল টিফো দেখতে পাওয়া গেল। সেখানে লেখা রয়েছে, 'জন গণ মন বন্দেমাতরম। বাংলা ভাষা মায়ের সমান।' এর ঠিক নীচের টিয়ারে আবার লেখা রয়েছে, 'শহিদের রক্ত, কবির নোবেল। ভারতের মুকুটে বাংলা জুয়েল।'
কয়েকদিন আগেই বিজেপি আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ঘোষণা করেছিলেন, বাংলা বলে নাকি আলাদা কোনও ভাষাই নেই। এমনকী, ভিন রাজ্যে কেউ বাংলা ভাষায় কথা বললেই তাঁকে 'বাংলাদেশি' তকমা দেওয়া হচ্ছে। এই ঘটনায় আপাতত রাজ্য-রাজনীতি যথেষ্ট উত্তপ্ত। সেই উত্তাপের আঁচ এবার এসে পড়ল খেলার মাঠেও। বাংলা ভাষাকে অপমান করার প্রতিবাদে এবার গর্জে উঠলেন মোহনবাগান সমর্থকরা। ম্যাচ চলাকালীন আরও একটি বিশাল টিফো চোখে পড়ল। সেখানে লেখা রয়েছে, 'বাংলা আমার মায়ের ভাষা, আমার ধাত্রীভূমি। আমরা মোহনবাগানি।'
/filters:format(webp)/indian-express-bangla/media/media_files/2025/08/09/bangla-language-mohun-bgaan-2025-08-09-20-40-36.jpg)
এই প্রসঙ্গে আপনাদের জানিয়ে রাখি, চলতি ডুরান্ড কাপে এমন ঘটনা এই প্রথমবার দেখা গেল না। ইতিপূর্বে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরাও প্রতিবাদের এই একই রাস্তা বেছে নিয়েছিলেন। নামধারী এফসি-র বিরুদ্ধে লাল-হলুদ সমর্থকরা একটা বিশাল ব্যানার নিয়ে মাঠে হাজির হয়েছিলেন। সেখানে লেখা ছিল, 'ভারত স্বাধীন করতে সেদিন পরেছিলাম ফাঁসি, মায়ের ভাষা বলছি বলে, আজকে বাংলাদেশী।' অর্থাৎ, একটা বিষয় স্পষ্ট হয়েই গেল। ৯০ মিনিটের লড়াইয়ে যতই 'আমরা-ওরা' থাকুক না কেন, বাংলা ভাষার অস্তিত্ব রক্ষায় দুটো দলই পায়ে পা মিলিয়ে লড়াই করবে।
একনজরে প্রথমার্ধের ফলাফল
এবার ম্য়াচের কথায় আসা যাক। খেলার শুরু থেকেই দুটো দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখতে পাওয়া গেল। যদিও ১৯ মিনিটে দুরন্ত একটি গোলে মোহনবাগানকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অনিরুদ্ধ থাপা। কিন্তু, ২৪ মিনিটে সেই গোল শোধ করে দেন ডায়মন্ড হারবার এফসি-র স্লোভাকিয়ান ফুটবলার লুকা মাজসেন। এরপর ৩৫ মিনিটে ফের জেমি ম্য়াকলারেনের গোলে এগিয়ে যায় সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এই পরিস্থিতিতে ম্য়াচের দ্বিতীয়ার্ধে কেমন লড়াই হয়, সেটাই আপাতত দেখার।