/indian-express-bangla/media/media_files/2025/06/22/mohun-bagan-afc-2025-06-22-19-06-52.jpg)
Mohun Bagan-AFC: গত বছর ইরানে না খেলতে যাওয়ার জন্য মোহনবাগানকে শাস্তি দেয় এএফসি
Mohun Bagan News: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি। একের অপরের বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর হামলা চালাচ্ছে ইরান এবং ইজরায়েল (Israel-Iran Conflict)। প্রথমে ইরানের পরমাণু কেন্দ্র এবং সেনা হেডকোয়ার্টারে হামলা চালায় ইজরায়েল। প্রত্যাঘাতে ইজরায়েলেও একের পর এক মিসাইল হামলা করেছে ইরান। এরই মধ্যে এএফসি (AFC) বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপ (AFC Womens Asian Cup) কোয়ালিফায়ার ম্যাচ ইজরায়েলের প্রতিবেশি জর্ডন থেকে কাতারে সরিয়ে নিয়ে গেছে। কিন্তু এখানেই এএফসির দ্বিচারিতা প্রকাশ্যে চলে এসেছে। মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) তাহলে গত বছর কী দোষ করেছিল? প্রশ্ন তুলছে সবুজ-মেরুন শিবির।
গত বছর একইরকম ভাবে ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তখন ইরানের ক্লাবের সঙ্গে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-২ খেলতে যাওয়ার কথা ছিল মোহনবাগানের (Mohun Bagan)। কিন্তু সংঘাতের পরিস্থিতির কারণে ফুটবলার এবং কোচিং স্টাফদের সুরক্ষার কথা ভেবে ইরানে খেলতে যেতে চায়নি মোহনবাগান। এবং সেইসঙ্গে ম্যাচ অন্য কোথাও নিরপেক্ষ ভেন্যুতে সরানোর আবেদন জানায় মোহনবাগান। কিন্তু সবুজ-মেরুন ম্যানেজমেন্টের আবেদনে সায় দেয়নি এএফসি। ইরানে না খেলতে যাওয়ার জন্য মোহনবাগানকে শাস্তি দেয় এএফসি।
আরও পড়ুন এই নিষ্পাপ শিশুই আজ মোহনবাগানের 'গোলমেশিন', চিনতে পারছেন সবুজ-মেরুনের নয়ন মণিকে?
মোহনবাগান সমর্থকদের প্রশ্ন, তাহলে তখন কেন তাঁদের প্রাণের প্রিয় ক্লাবকে শাস্তি দিয়েছিল এএফসি। আর এখন কেন ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের কারণে জর্ডন থেকে ম্যাচ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হল কাতারে। যেখানে ইরানেই খেলা নিয়ে নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয় তুলেছিল মোহনবাগান। তখন মোহনবাগানের আবেদন তো শোনেইনি এএফসি, উল্টে শাস্তিস্বরূপ টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচ খেলার সুযোগ হারায় সবুজ-মেরুন শিবির। তবে তাদের স্বস্তি দিয়ে আর্থিক জরিমানা করেনি এএফসি।
#FirstSports: Owing to the Israel-Iran conflict, the AFC Women's Asian Cup Qualifiers fixtures have been moved from Jordan to Qatar. While this was due to security concerns, why did the AFC not listen to Mohun Bagan last year? @RuphaRamani tells you. pic.twitter.com/au43sVguMO
— Firstpost (@firstpost) June 20, 2025
গত বছর ২ অক্টোবর ইরানের তাবরিজে ট্রাক্টর এফসি-র বিরুদ্ধে ম্যাচ ছিল মোহনবাগানের। ওই ম্যাচের আগের দিনই ইরানে মিসাইল হামলায় চালায় ইজরায়েল। ইজরায়েলি এয়ারস্ট্রাইকের আতঙ্কে ইরানে খেলতে যাননি মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের ফুটবলাররা। দলের ৩৫ জন ফুটবলার গণস্বাক্ষর করে ম্যানেজমেন্টকে জানিয়েছিলেন, তাঁরা যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইরানে খেলতে যাবেন না। এএফসি সেইসময় শাস্তিস্বরূপ এসিএল-২ তে মোহনবাগানকে খেলার সুযোগ দেয়নি। এক পয়েন্টেও কেড়ে নেওয়া হয় মোহনবাগানের।
আরও পড়ুন ঘরের ছেলে ফিরছে ঘরে, আনন্দে আত্মহারা মোহনবাগান সমর্থকরা
এবার একই কারণে জর্ডন থেকে এএফসি উইমেনস এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ার ম্যাচ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কাতারে। তাহলে তখন কেন মোহনবাগানকে শাস্তি দেওয়া হল, কেন তাঁদের আবেদনে সাড়া দেওয়া হল না, এই বিষয়ে এএফসি-র দ্বিচারিতা নিয়ে সরব হয়েছেন সবুজ-মেরুন সমর্থকরা।